<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
  <channel>
    <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </title>
    <description>The latest articles on DEV Community by আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী  (@abu-ubayda-alhindi).</description>
    <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi</link>
    <image>
      <url>https://media2.dev.to/dynamic/image/width=90,height=90,fit=cover,gravity=auto,format=auto/https:%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Fuser%2Fprofile_image%2F3988861%2Fdbd11942-d056-45cc-a1db-c93fd015d91a.jpg</url>
      <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </title>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi</link>
    </image>
    <atom:link rel="self" type="application/rss+xml" href="https://dev.to/feed/abu-ubayda-alhindi"/>
    <language>en</language>
    <item>
      <title>দাওয়াতের পথ ও পদ্ধতিঃ পর্ব-১</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:40:26 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/daaoyyaater-pth-o-pddhtih-prb-1-3h0n</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/daaoyyaater-pth-o-pddhtih-prb-1-3h0n</guid>
      <description>&lt;div class="highlight js-code-highlight"&gt;
&lt;pre class="highlight plaintext"&gt;&lt;code&gt;
![ ](https://dev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com/uploads/articles/5n3v5uvy117yaqtskry9.jpg)

&lt;/code&gt;&lt;/pre&gt;

&lt;/div&gt;



&lt;p&gt;-&lt;br&gt;
দাওয়া ইলাল্লাহ বা আল্লাহর পথে আহবান মূলত নবীগণের কাজ। উলামায়ে কেরাম ও উম্মতে মুসলিমা এ দায়িত্ব পালন করেন নবীগণের নায়েব বা প্রতিনিধি হিসেবে। একারনে দাঈদের জন্য জরুরী হলো নবীদের দাওয়াতের পদ্ধতি ও আদব রপ্ত করে নেওয়া। তারা যে পথ ও পদ্ধতির অনুসরণ করে দাওয়াত দিয়েছেন সেই পথ ও পদ্ধতির অনুসরণ করা। অতএব কারো দাওয়াত যদি নবীগনের পথ ও পদ্ধতির বিপরীত হয়, তাহলে সেটি দাওয়াত নয় বরং খাহেশাতের অনুসরণ। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  নববী দাওয়াতের মূলনীতিঃ  
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সূরা নাহলে ইরশাদ করেন- &lt;br&gt;
ادْعُ إِلِى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ&lt;br&gt;
অর্থ: “আপনি আপনার রবের পথে আহবান করুন হেকমতের মাধ্যমে, উত্তম উপদেশ দান করে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন উত্তম পন্থায়। নিশ্চয় আপনার রব যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞাত রয়েছেন এবং তিনি হেদায়াতপ্রাপ্তদের ব্যাপারেও অধিক জ্ঞাত” [সুরা নাহল ১৬:১২৫]‫‬‬‬&lt;br&gt;
এখানে আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দাওয়াতের তিনটি পদ্ধতি শিখিয়েছেন। পদ্ধতি তিনটি হল- &lt;br&gt;
১. হেকমত ২. মাওয়ায়েযে হাসানা ৩. জিদালে হাসান।&lt;br&gt;
এই পদ্ধতি তিনটির প্রয়োগ ব্যাক্তিভেদে এবং অবস্থাভেদে ভিন্ন হবে। কারো জন্য শুধু হেকমতই (সংশয় দূরকারী অকাট্য দলিল, যা প্রজ্ঞার সাথে উপস্থাপন করা হয়)  যথেষ্ট। কারো জন্য মাওয়ায়েজে হাসানার (অন্তর নরমকারী জ্ঞানগর্ভমূলক কথা) প্রয়োজন হবে। আবার কারো ক্ষেত্রে জিদালে হাসানের (উত্তমভাবে বিতর্ক করা) প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সেটি উত্তম পদ্ধতিতে হয়।  ব্যাক্তিগত আক্রমণ, গাল-মন্দ বা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা কোনভাবেই জিদালে হাসান নয়। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  নববী দাওয়াতের নমুনা ও আমাদের জন্য শিক্ষাঃ  
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ফেরাউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাওয়ার জন্য মুসা ও হারুন আলাইহিমাস সালামকে আল্লাহ তাআলা যে পদ্ধতি শিখিয়েছেন তা আমাদের জন্যও অনুসরণীয়ঃ আল্লাহ তাআলা বলেন:&lt;br&gt;
فَقُولَا لَهُ قَوْلًا لَيِّنًا لَعَلَّهُ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَى&lt;br&gt;
তোমরা ফেরাউনের সাথে নরমভাবে কথা বল, এতে হয়ত সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা ভীত হবে। [সুরা ত্বহা ২০:৪৪] &lt;br&gt;
আমাদের সবার এ বিষয়টি মাথায় রাখা উচিৎ যে, ফেরাউনের মত অহংকারী কাফের, যার মৃত্যু আল্লাহর ইলম অনুযায়ী কুফর অবস্থায়ই হবে, তার সাথেও আল্লাহ তাআলা নরমভাবে কথা বলার আদেশ দিয়েছেন। অথচ আমাদের অবস্থা হল কারো সাথে মতের সামান্য অমিল হলেই নোংরা ভাষা ব্যাবহার করা শুরু করে দেই। &lt;br&gt;
স্মরণ রাখতে হবে, বর্তমানে আমরা যাদেরকে দাওয়াত দিই, তারা কেউ ফেরাউনের চেয়ে বড় কাফের নয়। আর আমরা কেউ মূসা ও হারুন আলাইহিমাস সালামের মত পথপ্রদর্শকও নই। &lt;br&gt;
কুরআনুল কারীমে কাফেরদের সাথে নবীগণের তর্ক বিতর্কের অনেক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। কোথাও দেখা যায় না যে, আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামগণ প্রতিপক্ষের সাথে মন্দ আচরণ করেছেন, তাদেরকে গালি গালাজ করেছেন বা তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেছেন। &lt;br&gt;
শুধু তাই নয়, অনুসরণীয় দাঈগণ অনেক সময় উম্মতের দিকে সরাসরি মন্দ কাজের নিসবত না করে, প্রসশ্নবোধক বাক্যে নিজের দিকে নিসবত করে তাদের সংশোধনের চেষ্টা করেছেন। যেমন সূরা ইয়াসীনে এক দায়ীর দাওয়াতের ভাষা উদ্বৃত হয়েছে। &lt;br&gt;
وَمَا لِي لاَ أَعْبُدُ الَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ&lt;br&gt;
আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি তাঁর এবাদত করবো না? [সুরা ইয়াসীন ৩৬:২২] &lt;br&gt;
এমনই ছিল নবীগণের ও অনুসরণীয় দাঈগণের দাওয়াতের নমুনা, তারা অনেক উত্তম পদ্ধতিতে মানুষের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতেন। আমরা যারা নিজেদেরকে দাঈ মনে করি তাদেরও উচিত নবীগণের মত দরদ ও মুহাব্বতের সাথে উত্তম পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়া। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>এপস্টাইন ফাইল: পশ্চিমা সভ্যতার মুখোশ ও মানবতার সংকট</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Sat, 26 Sep 2026 04:07:15 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/epsttaain-phaail-pshcimaa-sbhytaar-mukhosh-o-maanbtaar-snktt-521g</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/epsttaain-phaail-pshcimaa-sbhytaar-mukhosh-o-maanbtaar-snktt-521g</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F38h783syq2nd77ohupj3.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F38h783syq2nd77ohupj3.jpg" alt=" " width="800" height="499"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
এপস্টাইন ফাইল প্রকাশের মাধ্যমে দুনিয়ার সামনে স্পষ্ট হয়ে গেছে; পাশ্চাত্যের সাথে ইসলামের সংঘাত শুধু আদর্শের না মনুষ্যত্বেরও। &lt;br&gt;
ওরা মানুষ নয় ওরা হিং/স্র, ওরা বর্বর, ওরা জ'ন্তু, ওরা জানোয়ার বরং তার চেয়েও নিকৃষ্ট।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
শুধু ওরা নয় ওদের বানানো যাবতীয় মতবাদ (গণতন্ত্র, সেকুলারিজম, লিবারেলিজম, ফেমিনিজম) এবং সকল ব্যবস্থা (সমাজ ব্যবস্থা, রাষ্ট্র ব্যবস্থা, অর্থ ব্যবস্থা) আরো বেশি নিকৃষ্ট। &lt;br&gt;
ওরা এসব বানিয়েছে মানব জাতিকে ধ্বংস করার জন্য, ওরা এসব বানিয়েছে দুনিয়াতে আল্লাহর আজাব গজব অবধারিত করার জন্য। ওরা হল শয়তানের অ'নুস|রী, শয়তানের পূজ|রী। শয়তান যেমন মানবজাতির শত্রু তেমনি ওরাও মানবজাতির শত্রু। ওদের যাবতীয় আয়োজন মানবজাতির ধ্বংসকে ঘিরেই। &lt;br&gt;
ওরা গণতন্ত্র বানিয়েছে মানুষকে মানুষের দাস বানানোর জন্য, আর কিছু মানুষকে প্রভূর আসনে বসানোর জন্য। ওরা পূঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা বানিয়েছে সমুদয় অর্থ গুটিকতক মানুষের পকেটে ভরে বাকিদের না খাইয়ে মারার জন্য। ওরা ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ বানিয়েছে মানবজাতিকে নির্বংশ করার জন্য। মোটকথা ওদের যাবতীয় প্ল্যান পরিকল্পনা সব মানবজাতির ধ্বংসকে তরান্বিত করার জন্যই। &lt;br&gt;
শুধু ওরা না, যারা ওদের এসব বিকৃত মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে, বিভিন্নভাবে এসব মতবাদ টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে, সবাই বুঝে না বুঝে মানবতার শত্রু। &lt;br&gt;
ওদের হাত থেকে দুনিয়াকে বাঁচাতে হলে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থাকে ভাঙতে হবে। গণতন্ত্র, পূঁজিবাদ, সেক্যুলারিজম সহ যাবতীয় বিকৃত মতবাদ থেকে নিজেরা বেরিয়ে আসতে হবে এবং দুনিয়াকেও বের করে আনতে হবে। এসব মতবাদের ধারক বাহক হয়ে কিংবা সহযোগী হয়ে  আমরা কোনদিন মানবজাতিকে মুক্ত করতে পারবনা। বরং নিজেদের ধ্বংসকেই তরান্বিত করব।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
আমরা যত দ্রুত এসব মতবাদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারব এবং ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে পারব তত দ্রুত মানবজাতিকে খাদের কিনারা উদ্ধার করতে পারব ইনশাআল্লাহ।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>প্রবৃত্তির দাসত্ব মানুষকে দুনিয়াদারদের দাস বানায়</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Fri, 25 Sep 2026 15:02:45 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/prbrttir-daastb-maanusske-duniyyaadaarder-daas-baanaayy-4m6n</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/prbrttir-daastb-maanusske-duniyyaadaarder-daas-baanaayy-4m6n</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Frqcrlpts4md86ikz5na4.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Frqcrlpts4md86ikz5na4.jpg" alt=" " width="" height=""&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
﴿أَرَأَيْتَ مَنِ اتَّخَذَ إِلَٰهَهُ هَوَاهُ أَفَأَنتَ تَكُونُ عَلَيْهِ وَكِيلًا﴾&lt;br&gt;
আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিজের প্রবৃত্তিকে তার উপাস্য বানিয়ে নিয়েছে? আপনি কি তার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন?—সূরা ফুরকান, ২৫ : ৪৩&lt;br&gt;
مَنْ لَزِمَ الشَّهَوَاتِ لَزِمَتْهُ عُبُودِيَّةُ أَبْنَاءِ الدُّنْيَا&lt;br&gt;
যে ব্যক্তি নিজের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণে ডুবে থাকে, তাকে দুনিয়াদারদের দাসত্ব (তাদের মন জুগিয়ে চলা) বরণ করতেই হয়।—ইমাম শাফেয়ী রহ.; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ১০/৯৭ &lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি, &lt;br&gt;
আমি কি নিজের প্রবৃত্তির চাহিদাকে এতটাই গুরুত্ব দিই যে, তা পূরণ করতে দুনিয়াদারদের মন জুগিয়ে চলতে হয়?&lt;br&gt;
আমার কোনো চাহিদা কি আমাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার আনুগত্যের চেয়ে মানুষের সন্তুষ্টিকে বেশি গুরুত্ব দিতে বাধ্য করছে?&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কেন গ'ণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলাম কায়েম সম্ভব নয়?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Thu, 24 Sep 2026 04:33:35 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-gnntaantrik-pddhtite-islaam-kaayyem-smbhb-nyy-2pdm</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-gnntaantrik-pddhtite-islaam-kaayyem-smbhb-nyy-2pdm</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Ftvbeazhpwsznl1z1y93r.jpg" alt=" " width="800" height="398"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;বিদ্যমান রা&lt;em&gt;ষ্ট্র কাঠামোয় ইসলাম কায়েম করা যে সম্ভব নয় এটি এখন সবার সামনে দিনের আলোর মত স্পষ্ট, এই কারণেই বড় বড় ইসলামী দলের কর্ণধাররা এখন আর ক্ষমতায় গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলেন না, তারা এখন ওয়েলফেয়ার স্টেইট বা কল্যাণ রা&lt;/em&gt;ষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেন (অনেকে আবার একটা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য ইসলামী দণ্ডবিধি প্রতিষ্ঠার দাবি নাকচও করেন।) [১]&lt;br&gt;
এটা আসলে হওয়ারই ছিল, যেই সিস্টেম তৈরি হয়েছে গ্রীক দার্শনিকদের হাত ধরে, যেই সিস্টেম বিংশ শতকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে মানবতার শত্রু পশ্চিমাদের হাত ধরে, যেই সিস্টেম প্রতিষ্ঠার জন্য এখন পর্যন্ত কয়েক মিলিয়ন মুসলিমের রক্ত ঝরিয়েছে সন্ত্রাসী আমেরিকা ও ইউরোপ, যেই সিস্টেম প্রতিষ্ঠার জন্য উসমানী সালতানাতকে ধ্বংস করা হয়েছে, সেই সিস্টেম দিয়ে যে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর কোন কল্যাণ হবেনা তা বলাই বাহুল্য।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  দুই, এই সিস্টেম এতটাই পচা ও নোংরা যে, এর দায়িত্বে যদি বড় বড় আলেমদেরকেও বসানো হয় তারাও সিস্টেমের কারণে অনেক খারাপ কাজ করতে বাধ্য হবেন। কিছুদিন আগে ধর্ম উপদেষ্টা তাঁর এক বক্তব্যে এই সত্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন- ‘যদি কোনো বিশিষ্ট আলেমকেও স্ব'রা'ষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়, রা*ষ্ট্রের কারণে তাকেও মদের লাইসেন্স দিতে হবে।’[২]
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  গ'ণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলাম কায়েম কেন সম্ভব নয় সেই সম্পর্কে সংক্ষেপে আরো কিছু পয়েন্ট স্মরণ করিয়ে দেই- 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;১। ইসলাম ও গ'ণ'তন্ত্র দুটি দুই মেরুর। ইসলামের মূল কথা হল আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশই চূড়ান্ত। জীবনব্যাবস্থা ও বিধি-বিধান প্রণয়নে মানুষের মতামত দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। &lt;br&gt;
আর গ'ণ'তন্ত্রের মূল কথা হল, অধিকাংশ জনগণের মতামত ও চাওয়া হল চূড়ান্ত। &lt;br&gt;
তবে এই দাবীতে গ'ণ'তান্ত্রিকরা পুরোপুরী সত্যবাদী না, বাস্তবে দেখা যায়-  কর্পোরেট শ্রেণি, বিদেশী প্রভূ এবং গুটিকতক বিকৃত রুচির সাংস্কৃতিক মোড়লের চাওয়াই চূড়ান্ত হয়। এই কারণেই আমরা গ'ণ'তান্ত্রিক দেশে এমন অনেক বিল পাশ হতে দেখি যার পক্ষে জনগণের দশ শতাংশেরও সমর্থন নেই। যেমন ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা, গানের টিচার নিয়োগ ইত্যাদি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
২। প্রত্যক্ষ উপনিবেশের যুগ শেষ হলেও কলোনিয়াল যুগের মন মানসিকতার লোক কিন্তু শেষ হয়নি। এখনো দেশের বড় বড় ব্যবসা, মিডিয়া, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো ইসলাম বিদ্বেষীদের দখলে। দেশকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এই ধরণের বড় বড় পদগুলোও তাদেরই দখলে। &lt;br&gt;
এই লোকগুলো শুধু ইসলামবিদ্বেষীই নয়, বিদেশীদের এজেন্টও। এরা সব সময় দেশে বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টায় থাকে। এই লোকগুলো কোনভাবেই দেশে ইসলামপন্থীদের ক্ষমতায় যেতে দেবেনা, ক্ষমতায় গেলেও ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে দেবেনা। &lt;br&gt;
সংঘাতের মাধ্যমে এই শক্তিকে পরাজিত করা ছাড়া ইসলামপন্থীদের জন্য ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। &lt;br&gt;
মিশরে এই শক্তিই মুরসী সরকারের পতন ঘটিয়েছিল এবং হাজার হাজার ইখওয়ান সদস্যের রক্ত ঝরিয়েছিল।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
৩। বাংলাদেশে অনেকগুলো গ'ণ'তান্ত্রিক দল আছে। এর মধ্যে মাঝারী ও ছোট কয়েকটা দল ইসলামের নামে রাজনীতি করলেও বাকিগুলো সেক্যুলার আদর্শের রাজনীতি করে। তারা ইতিমধ্যেই শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করেনা বলে ঘোষণা দিয়েছে। &lt;br&gt;
ধরা যাক, এই নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো ক্ষমতায় আসল এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা করল। তারা কিন্তু এই কথার উপরই ক্ষমতা আসতে হবে যে, পরবর্তী নির্বাচনে সেক্যুলার দল বিজয়ী হলে তাদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
তখন সেক্যুলাররা ক্ষমতায় এসে আবারও সেক্যুলার আইন প্রতিষ্ঠা করবে। সে সময় আবার সবাইকে আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে সেক্যুলার আইন মেনে নিতে হবে। এভাবে আল্লাহর আইন এক খেল তামাশার বস্তুতে পরিণত হবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
এই ধরণের প্রস্তাব কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেও দেওয়া হয়েছিল। কাফেররা বলেছিল- হে মুহাম্মাদ! এক বছর আমরা তোমার রবের ইবাদত করব, আরেক বছর তুমি আমাদের মূর্তির পূজা করবে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা কাফেরদের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে সুরা কাফিরুন নাযিল করেছেন। [তাফসীরে তাবারী, তাফসীরে দুররে মানসূর] &lt;br&gt;
৪। অনেকে বলেন যে, ক্ষমতায় গেলে আমরা সবাইকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ইসলামের পক্ষে করে ফেলব। তখন গণভোটের আয়োজন হলে অধিকাংশ মানুষ ইসলামের পক্ষে রায় দেবে। এভাবে আমরা সংবিধান সংশোধন করে ইসলাম কায়েম করব। &lt;br&gt;
কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি তারা মানুষকে বদলে দেওয়া পরিবর্তে নিজেরাই পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছেন। ক্ষমতায় গেলে ইসলাম দণ্ডবিধি বাস্তবায়ন করব এই কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন। ওয়েলফেয়ার স্টেইট ইত্যাদি বলে মানুষকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন। &lt;br&gt;
তাদের কেউ কেউ রোজা পূজা এক করে দিচ্ছেন, কেউ আবার পূজায় শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, মন্ত্র পাঠ করছেন, পূজার জন্য দান করছেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
অনেকে আবার দলের নামই পরিবর্তন করে ফেলেছেন, কেউ পরিবর্তন করেছেন দলের লোগো। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ৫। ইসলাম কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অনুমতির উপর নির্ভরশীল দ্বীন নয়। সব মুসলিমের জন্য ইসলাম পালন করা বাধ্যতামূলক। অপরদিকে মানুষের মতামত পরিবর্তনশীল। আজ যারা ভোট দিয়ে ইসলামকে জয়যুক্ত করল কাল তারা কারো প্ররোচনায় পড়ে বিরোধী পক্ষকেও ভোট দিতে পারে। কারো প্ররোচনায় পড়ে বা লোভ লালসার শিকার হয়ে দুইদিন পর মানুষ যদি ভিন্ন আইন চায় তখন কি গ'ণ'তান্ত্রিক পথে প্রচেষ্টাকারী আমাদের ভাইয়েরা আবারো ভিন্ন আইন প্রতিষ্ঠা করবেন? 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আশা করি উপরের আলোচনা থেকে গ'ণ'তন্ত্রের মাধ্যমে কেন ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সহীহ পদ্ধতিতে ইসলাম কায়েমের কাফেলায় যুক্ত হওয়ার এবং আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করার তাওফীক দান করুন। &lt;br&gt;
[১] &lt;a href="https://youtu.be/qT5oa4xglzE?t=155" rel="noopener noreferrer"&gt;https://youtu.be/qT5oa4xglzE?t=155&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
    &lt;a href="https://share.google/0P7FVo2MoXpaENSwU" rel="noopener noreferrer"&gt;https://share.google/0P7FVo2MoXpaENSwU&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
[২] &lt;a href="https://www.tbsnews.net/.../bangladesh/news-details-405531" rel="noopener noreferrer"&gt;https://www.tbsnews.net/.../bangladesh/news-details-405531&lt;/a&gt; &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও রাফেজীদের আধিপত্য নাকি আ/মে'রিকা ও ই/সরায়েলের আধিপত্য?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Wed, 23 Sep 2026 02:51:44 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/mdhypraacye-iraan-o-raaphejiider-aadhipty-naaki-aamerikaa-o-israayyeler-aadhipty-858</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/mdhypraacye-iraan-o-raaphejiider-aadhipty-naaki-aamerikaa-o-israayyeler-aadhipty-858</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fc26ifylwwiwtooho5l0e.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fc26ifylwwiwtooho5l0e.jpg" alt=" " width="800" height="533"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও রাফেজীদের আধিপত্য কায়েম হোক এটি আমরা চাইনা, এই অঞ্চলে আ/মে'রিকা ও ইসরায়েলের আধিপত্য বজায় থাকুক সেটিও আমরা চাইনা। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা চাই আহলুস সুন্নাহর শার্দুলরা জেগে উঠুক; জাযিরাতুল আরবের প্রতিটি প্রান্ত হতে ই'য়া'হুদী নাসারাদের উৎখাত করুক, প^শ্চিমাদের ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দিক। ইরাক সিরিয়া মিশরে মুসলিমদের উপর অত্যাচার চালানো জালিমদের পাওনা বুঝিয়ে দিক। ফিলিস্তিনকে তার অধিবাসীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নিন্দা প্রস্তাবে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।&lt;br&gt;
আমরা চাই মধ্যপ্রাচ্যে একটা পরিবর্তন আসুক। শাসনভার এমন লোকদের হাতে আসুক, যারা ইসলামকে প্রকৃত অর্থেই ধারণ করে; ক্ষমতাকে তারা ভোগের বস্তু মনে করেনা আল্লাহর পক্ষ হতে অর্পিত দায়িত্ব মনে করে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  যাদের কাছে বিদেশীদের স্বার্থের চেয়ে উম্মাহর স্বার্থ বেশি বড়।  যাদের কাছে বিধর্মীদের আদর্শ ও সংস্কৃতি নয় রাসুলের -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- আদর্শ ও সংস্কৃতিই একমাত্র পালনীয়। যারা তেল গ্যাস ও অন্যন্য খনিজ সম্পদ হতে প্রাপ্ত অর্থ মুসলিমদের স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী করার কাজে ব্যয় করবে, মুসলিমদের শেষ করার জন্য কাফেরদের হাতে তুলে দেবেনা। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা দোয়া করি এই যু&lt;em&gt;দ্ধের ফল এমন কিছু হোক, যার মাধ্যমে উম্মাহ উপকৃত হবে, আহলুস সুন্নাহ উপকৃত হবে, গাযাবাসী উপকৃত হবে এবং গাযাবাসীর মুক্তির স্বপ্ন দ্রুত পূরণ হবে।&lt;br&gt;
গা&lt;/em&gt;জ্জার এই মানুষগুলো আল কুদসের জন্য পুরা উম্মতের পক্ষ থেকে যেই কোরবানী পেশ করেছে আমরা কখনো তাঁদের ঋণ শোধ করতে পারবনা। আল্লাহ তাআলা যেন দুনিয়া আখিরাতে তাদেরকে উত্তম জাযা দান করেন। আমরা কখনো যেন তাঁদেরকে দোয়ায় ভুলে না যাই।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>দুনিয়ার অতিরিক্ত মোহ এক প্রকার শাস্তি</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Tue, 22 Sep 2026 04:15:56 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/duniyyaar-atirikt-moh-ek-prkaar-shaasti-298l</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/duniyyaar-atirikt-moh-ek-prkaar-shaasti-298l</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fraruys2isyq72ynqg3mj.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fraruys2isyq72ynqg3mj.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿فَلَا تُعْجِبْكَ أَمْوَالُهُمْ وَلَا أَوْلَادُهُمْ ۚ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُم بِهَا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَتَزْهَقَ أَنفُسُهُمْ وَهُمْ كَافِرُونَ﴾&lt;br&gt;
সুতরাং তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন আপনাকে বিস্মিত না করে। আল্লাহ তো এর মাধ্যমে দুনিয়ার জীবনে তাদের শাস্তি দিতে চান এবং তাদের প্রাণ যেন কাফের অবস্থায় বের হয়ে যায়।—সূরা তাওবা, ৯ : ৫৫&lt;br&gt;
«مَا فَزِعْتُ مِنَ الْفَقْرِ قَطُّ، طَلَبُ فُضُولِ الدُّنْيَا عُقُوبَةٌ عَاقَبَ اللهُ بِهَا أَهْلَ التَّوْحِيدِ»&lt;br&gt;
আমি কখনো দারিদ্র্যকে ভয় করিনি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত দুনিয়ার (অর্থ-সম্পদের) পেছনে ছোটা একপ্রকার শাস্তি, যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাওহীদের অনুসারীদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকেন।—ইমাম শাফেয়ী রহ.; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ১০/৯৭ &lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি, &lt;br&gt;
আমি কি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অর্থ-সম্পদ উপয়ার্জনের পেছনে ছুটছি?&lt;br&gt;
দুনিয়ার প্রতি আমার এই আকাঙ্ক্ষা আমাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে না তো? &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>একটি অবহেলিত আমলঃ শেষ রাতের ইস্তিগফার</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Mon, 21 Sep 2026 01:04:07 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ektti-abhelit-aamlh-shess-raater-istigphaar-3l6f</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ektti-abhelit-aamlh-shess-raater-istigphaar-3l6f</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fdezxo1fhnrj3eh0kt69a.jpg" alt=" " width="800" height="534"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ইস্তিগফারের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে অন্তত সত্তরবার ইস্তিগফার করতেন। এমনিতে ইস্তিগফার দিনের যে কোন সময়ই করা যায়। তবে রাতের শেষাংশে ইস্তিগফারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- &lt;br&gt;
قُلۡ اَؤُنَبِّئُكُمۡ بِخَیۡرٍ مِّنۡ ذٰلِكُمۡ ؕ لِلَّذِیۡنَ اتَّقَوۡا عِنۡدَ رَبِّهِمۡ جَنّٰتٌ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا وَ اَزۡوَاجٌ مُّطَهَّرَۃٌ وَّ رِضۡوَانٌ مِّنَ اللّٰهِ ؕ وَ اللّٰهُ بَصِیۡرٌۢ بِالۡعِبَادِ ﴿ۚ۱۵﴾ اَلَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَ قِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿ۚ۱۶﴾ اَلصّٰبِرِیۡنَ وَ الصّٰدِقِیۡنَ وَ الۡقٰنِتِیۡنَ وَ الۡمُنۡفِقِیۡنَ وَ الۡمُسۡتَغۡفِرِیۡنَ بِالۡاَسۡحَارِ ﴿۱۷﴾&lt;br&gt;&lt;br&gt;
বলুন, আমি কি তোমাদেরকে এর চেয়েও উত্তম বস্তুর সংবাদ দেব? যারা তাকওয়া অর্জন করে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর (রয়েছে) পবিত্র স্ত্রীগণ ও আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ বান্দাদের ব্যপারে পরিপূর্ণ অবগত। যারা বলে- হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন। তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, আনুগত্যশীল, (আল্লাহর পথে) ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী। -[সুরা আলে ইমরান ১৫-১৭] &lt;br&gt;
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের একটি আমল হল তারা রাতের শেষাংশে নিজ ভুল ত্রুটি ও গুনাহের জন্য ইস্তিগফার করেন। কারণ এই সময় আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার নিকটবর্তী আসমানের দিকে এসে গুনাহ ক্ষমা করার জন্য বান্দাদের ডাকতে থাকেন। হাদীসে এসেছে- &lt;br&gt;
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ يَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ তাআলা প্রতি রাতে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানের দিকে অবতরণ করে (এই বলে) ডাকতে থাকেনঃ কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেবো। কে আছে এমন যে আমার নিকট চাইবে, আমি তাকে তা দেবো। কে আছে এমন যে আমার নিকট ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো। -[সহীহ বুখারী ১১৪৫] 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই সময় ইস্তিগফারের বিশেষ গুরুত্বের কারণে সালাফরা এই সময়টাতে অন্যন্য আমলের চেয়ে ইস্তিগফার ও দোয়ায় বেশি মনোযোগী হতেন। ইবনে কাসীর রহিমাহুল্লাহ তাফসীরে ইবনে কাসীরে উল্লেখ করেছেন 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;১। ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতে নামায আদায় করতেন (আর তার খাদেম নাফে’কে ডেকে) জিজ্ঞেস করতেন- হে নাফে’ সাহরীর সময় হয়েছে কি ? যখন তিনি বলতেন হ্যাঁ হয়েছে, তখন থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত তিনি দোয়া ইস্তিগফার করতে থাকতেন। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ২। ইবরাহীম ইবনে হাতিব রহিমাহুল্লাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমি একদিন সাহরীর সময় (রাতের শেষাংশে) মসজিদের কোণে এক লোককে দোয়া করতে শুনলাম। তিনি বলছিলেন, হে আল্লাহ আপনি আদেশ করেছেন আমি তা পালন করেছি, এখন তো সেহরীর সময় (রাতের শেষভাগ) অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। অতঃপর আমি তাকিয়ে দেখি দোয়াকারী ব্যক্তিটি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।  –[তাফসীরে ইবনে কাসীর - সুরা আলে ইমরানের ১৭ নাম্বার আয়াতের তাফসীর] 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;প্রিয় পাঠক! এখন তো রামাদান, সাহরী খাওয়ার জন্য সবাইকেই উঠতে হয়। তাই আসুন প্রতিদিন এই সময়ে তাহাজ্জুদ আদায়ের পাশাপাশি গুরুত্ব সহকারে দোয়া ও ইস্তিগফার করি। মজলুম ভাই বোন এবং উম্মাহর মুক্তিকামী উলামা ও মু/জা"হিদীনদের দোয়ায় স্মরণ রাখি। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাওফিক দান করুন। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>নামাজে "খুশু-খুযু"উম্মতের হারিয়ে যাওয়া এক অমূল্য নেয়ামত</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:13:36 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/naamaaje-khushu-khuyuummter-haariyye-yaaoyyaa-ek-amuuly-neyyaamt-4hac</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/naamaaje-khushu-khuyuummter-haariyye-yaaoyyaa-ek-amuuly-neyyaamt-4hac</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F25o77q5m4gzwufuo5ht9.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F25o77q5m4gzwufuo5ht9.jpg" alt=" " width="787" height="540"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
হাদীসের ভাষ্যমতে এই উম্মত হতে সর্বপ্রথম যেই ইলম ও নেয়ামত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে তা হল খুশু খুযু। এখন আমরা নামায পড়ি ঠিকই কিন্তু নামাযে খুশু খুযু থাকেনা। বর্তমানে খুশু খুযুর সাথে নামায আদায়কারীর সংখ্যা খুবই নগন্য। &lt;br&gt;
বর্তমানে অধিকাংশ মসজিদের অবস্থা হল, মুসল্লিদের কারো মধ্যেই খুশু খুযু নেই। আমাদের এই দূরাবস্থার কথা চৌদ্দশ বছর আগেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম উপলব্ধি করেছিলেন। হাদিসে এসেছে- &lt;br&gt;
 عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَشَخَصَ بِبَصَرِهِ إِلَى السَّمَاءِ ثُمَّ قَالَ " هَذَا أَوَانٌ يُخْتَلَسُ الْعِلْمُ مِنَ النَّاسِ حَتَّى لاَ يَقْدِرُوا مِنْهُ عَلَى شَيْءٍ " . فَقَالَ زِيَادُ بْنُ لَبِيدٍ الأَنْصَارِيُّ كَيْفَ يُخْتَلَسُ مِنَّا وَقَدْ قَرَأْنَا الْقُرْآنَ فَوَاللَّهِ لَنَقْرَأَنَّهُ وَلَنُقْرِئَنَّهُ نِسَاءَنَا وَأَبْنَاءَنَا . فَقَالَ " ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ يَا زِيَادُ إِنْ كُنْتُ لأَعُدُّكَ مِنْ فُقَهَاءِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ هَذِهِ التَّوْرَاةُ وَالإِنْجِيلُ عِنْدَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى فَمَاذَا تُغْنِي عَنْهُمْ " . قَالَ جُبَيْرٌ فَلَقِيتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ قُلْتُ أَلاَ تَسْمَعُ إِلَى مَا يَقُولُ أَخُوكَ أَبُو الدَّرْدَاءِ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ قَالَ صَدَقَ أَبُو الدَّرْدَاءِ إِنْ شِئْتَ لأُحَدِّثَنَّكَ بِأَوَّلِ عِلْمٍ يُرْفَعُ مِنَ النَّاسِ الْخُشُوعُ يُوشِكُ أَنْ تَدْخُلَ مَسْجِدَ جَمَاعَةٍ فَلاَ تَرَى فِيهِ رَجُلاً خَاشِعًا&lt;br&gt;
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা নবী ﷺ এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি আসমানের দিকে তাকালেন, এরপর বললেনঃ এটা হল মানুষের থেকে ইলম উঠিয়ে নেওয়ার ক্ষণ। এক পর্যায়ে (অবস্থা এমন দাঁড়াবে যে) ইলম বিষয়ে তাদের কোন সক্ষমতা থাকবে না।&lt;br&gt;
যিয়াদ ইবনে লাবীদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমাদের থেকে কিভাবে ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অথচ আমরা কুরআন পড়েছি। আল্লাহর কসম, অবশ্যই তা আমরা পড়ব এবং আমাদের স্ত্রী–কন্যা ও সন্তান–সন্ততিদেরও পড়াব।&lt;br&gt;
তিনি বললেনঃ তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক (ভর্ৎসনামূলক শব্দ) হে যিয়াদ। আশ্চর্য! আমি তো তোমাকে মদীনার প্রজ্ঞাবান ফকীহদের একজন বলে মনে করতাম! &lt;br&gt;
ইয়াহুদী–নাসারাদের কাছেও তো তাওরাত–ইনজিল আছে। কিন্ত এতে কি কোন উপকার হয়েছে তাদের?&lt;br&gt;
জুবাইর রহিমাহুল্লাহ বলেনঃ পরে আমি উবাদা ইবনে সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। বললামঃ আপনার ভাই আবু দারদা কি বলছেন তা কি আপনি শোনেন নি?&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এরপর আমি তাঁকে আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর রিওয়ায়াতের বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃ আবু দারদা ঠিকই বলেছেন। তুমি চাইলে ইলমের যে বস্তটি প্রথম উঠিয়ে নেয়া হবে সে সম্পর্কে বলতে পারি, তা হল ‘খুশু–খুযু’। এমন একটা সময় আসবে যখন তুমি মসজিদের জামাতে নামায আদায়কারী একজনকেও খুশু খুযুর সাথে আদায় করতে দেখবেনা। -[তিরমিজি ২৬৫৩] 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা আল্লাহ থেকে দূরে সরতে সরতে এতটাই দূরে সরে গেছি যে, ব্যাপকভাবে সবাই খুশু খুযু হারিয়ে ফেলেছি। এখন আর নামাযে দাঁড়িয়ে মজা পাইনা, নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অনুভূতি লাভ করিনা। সবাই কেমন যেন যন্ত্রের মত আবেগ অনুভূতি হীনভাবে নামায আদায় করে যাই। কিন্তু সফলতা চাইলে তো এভাবে নামায পড়লে হবেনা। খুশু খুযুর সাথে পড়তে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- &lt;br&gt;
قَدۡ اَفۡلَحَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ۙ﴿۱﴾ الَّذِیۡنَ هُمۡ فِیۡ صَلَاتِهِمۡ خٰشِعُوۡنَ ۙ﴿۲﴾&lt;br&gt;
অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ, যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। -[সুরা মুমিনুন ১-২]&lt;br&gt;
খুশু খুযু অর্জন করার কিছু উপায়-&lt;br&gt;
পূর্বপ্রস্তুতি: নামাযের জন্য কিছু সময় আগ থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করুন। উত্তমভাবে অযু করে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন। তাড়াহুড়া করে না গিয়ে একটু আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হোন। &lt;br&gt;
আল্লাহর বড়ত্বের উপলব্ধি: নামাযে দাঁড়ানোর সময় মনে করুন, আপনি সর্বশক্তিমান আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি আপনাকে দেখছেন, আপনার প্রতিটি নড়াচড়া এবং রুকু সিজদা তিনি লক্ষ্য করছেন। আপনার কেরাত তাসবীহ তাকবীর ইত্যাদি পাঠ তিনি শুনছেন। আপনার মন কোন দিকে আছে, কী বিষয়ে ভাবছেন সেই খবরও তিনি জানছেন। &lt;br&gt;
তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে যদি তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করি তাহলে তিনি আমাকে মহব্বত করবেন না। তাই কোনভাবেই যেন আল্লাহ ছাড়া ভিন্ন দিকে চিন্তা না যায় সেই চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
ধীরে-সুস্থে নামায আদায়: প্রতিটি রুকন ধীরে-সুস্থে ও সুন্নাহসম্মতভাবে আদায় করুন। একদমই তাড়াহুড়া করবেন না। কেরাত তাসবীহ তাহমীদ ও দোয়াসমূহ পড়ার ক্ষেত্রে প্রতিটা শব্দ তারতীলের সাথে সুন্দরভাবে পড়ুন। &lt;br&gt;
অর্থ বুঝে পড়া: নামাযে যা কিছু (কেরাত, তাশাহুদ, দুরুদ, তাসবীহ)  পাঠ করা হয় তার অর্থ জেহেনে রাখুন। অবচেতন মনে বা বেখেয়ালে পাঠ করা থেকে বিরত থাকুন। প্রতিটা আয়াত এবং তাসবীহ পাঠ করার সময় মর্ম ও উদ্দেশ্য অন্তরের গভীর থেকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন। &lt;br&gt;
মনের লাগাম টেনে ধরা: নামাযে যখনই কোনো দুনিয়াবি চিন্তা মাথায় আসবে সাথে সাথে সেটিকে ঝেড়ে ফেলুন এবং পুনরায় আল্লাহর দিকে মনোযোগ ফিরিয়ে আনুন। যতবার যাবে ততবারই ফিরিয়ে আনুন। &lt;br&gt;
বারবার চেষ্টা করা স্বত্তেও অন্তর এদিক সেদিক চলে যেতে পারে এতে ঘাবড়ে যাবেন না এবং হতাশ হবেন না। মনে করবেন এটি শয়তানের সাথে আপনার যুদ্ধ, শয়তান যে কোন প্রকারে আপনাকে হারাতে চায়। তাই কোনভাবেই যেন শয়তান জয়ী হতে না পারে সেই চেষ্টা করুন। &lt;br&gt;
দোয়া করা: আল্লাহ তাআলা সহজ না করলে কোন কাজই আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, তাই খুশু খুযুর সাথে নামায আদায়ের জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করুন। &lt;br&gt;
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে খুশু খুযুর সাথে নামায আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>ন|ইন ইলেভেন ষ'ড়'যন্ত্র বনাম বাস্তবতা</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 20:47:00 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/nin-ilebhen-ssrryntr-bnaam-baastbtaa-1ap</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/nin-ilebhen-ssrryntr-bnaam-baastbtaa-1ap</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fwpbulx4bkvmov2egxtig.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর। দিনটি ছিল মঙ্গলবার। প্রতিদিনের মতোই নিউয়ার্কবাসী স্বাভাবিক। সম্পূর্ণ বেখবর। তারা কল্পনাও করতে পারেনি যে, যুগ যুগ ধরে মাজলুমানের যে আর্তনাদ মহাশূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছিল, সে আর্তনাদ মহান রবের আরশ স্পর্শ করেছে বহু আগেই। আজকের সূর্যটি লক্ষ-কোটি মাজলুমানের মুখে নির্মল হাসি দেখবার জন্য উদিত হয়েছে। এতদিন ধরে যে অ্যা/মে/রি'কা নিজেকে অপরাজেয় ভেবে বিশ্বজুড়ে চরম মাত্রার ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে আসছিল, সেই অ্যা/মে/রি'কার দম্ভ-অহংকার আজ মিটে যাচ্ছে মাটির সঙ্গে। অ্যা/মে/রি'কা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ, তার বিরুদ্ধে যু&lt;em&gt;দ্ধ করার শক্তি কারো নেই, অ্যা/মে/রি'কার বিরুদ্ধে যু&lt;/em&gt;দ্ধ করা আত্মহত্যার শামিল— ইত্যাকার ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাসীদের বিশ্বাসে আজ চিড় ধরতে যাচ্ছে। &lt;br&gt;
স্থানীয় সময় ঠিক যখন সকাল ৮টা বেজে ৪৫ মিনিট, তখন ২০ হাজার গ্যালন জেট ফুয়েল ভর্তি অ্যা/মে/রি'কান এয়ারলাইনসের বোয়িং-৭৬৭ উড়োজাহাজটি আছড়ে পড়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর দিকের টাওয়ারে। আ/ঘা'ত হানে ১১০ তলা ভবনের ৮০তম তলায়। এর ঠিক ১৮ মিনিট পর, ৯টা ০৩ মিনিটে আরো একটি বিমান আ/ঘা'ত হানে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দক্ষিণ দিকের টাওয়ারের ৬০তম তলায়। এটি ছিল ইউনাইটেড এয়ারলাইনস ফ্লাইট ১৭৫-এর একটি বোয়িং-৭৬৭ উড়োজাহাজ। হ|ম'লার পৌনে দুই ঘণ্টার মাথায় জমিনে ধ্বসে পড়ে অ্যা/মে/রি'কার স্বপ্ন ও গর্বের টু/ইন ট|ওয়ার। &lt;br&gt;
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হ|ম'লার প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তৃতীয় হ|ম'লাটি হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পে'ন্ট|গনে। এই আ/ঘা'তটি হানে অ্যা/মে/রি'কা এয়ারলাইনস ফ্লাইট ৭৭-এর বোয়িং-৭৫৭ উড়োজাহাজ। হো/য়|ট হাউসে আ/ঘা'ত হানার উদ্দেশ্যে আরো একটি বিমান আকাশে উড়াল দিয়েছিল। কিন্তু এই চতুর্থ টার্গেটটি ব্যর্থ হয়। লক্ষ্যবস্তুতে আ/ঘা'তের পূর্বেই সেটি পশ্চিম পেনসিলভানিয়ার শ্যাংকসভিলের কাছে একটি ফাঁকা মাঠে বিধ্বস্ত হয়। বিশ্বের মোড়ল অ্যা/মে/রি'কার বুকের একদম মধ্যস্থলের এই বরকতময় হ|ম'লাটি ইতিহাসে ৯/১১ হ|ম'লা নামে খ্যাত হয়। দুই যুগ পার হয়ে গেলেও এই হ|ম'লা আজো অ্যা/মে/রি'কানদের বুকে কাঁপন ধরায় আর মাজলুম মুসলিমদের অন্তরে জাগায় খুশির আমেজ। &lt;br&gt;
মূলত দশকের পর দশক ধরে মুসলিম ভূখণ্ডগুলোতে স/ন্ত্র|সী অ্যা/মে/রি'কা যে অমানবিক জু'লু'ম-নির্য|তন চালিয়ে আসছিল, ৯/১১ ছিল সেসব জু'লুম নির্য|তনের সর্বোৎকৃষ্ট জবাব। বিশ্বের হাজারো মুসলিম সেদিন রবের কৃতজ্ঞতায় সিজদাবনত হয়েছিল। এই হ|ম'লা অ্যা/মে/রি'কার কল্পনাশক্তিকেও পরাভূত করেছে। খোদ অ্যা/মে/রি'কার মাটিতে এরকম হ|ম'লা হতে পারে সেটা ছিল ওদের কল্পনাতীত, ঠিক যেমন তুফানুল আকসা ছিল ই&lt;em&gt;হু'দিদের কল্পনাতীত। ইনশাআল্লাহ্‌ মুসলিমদের পক্ষ থেকে এরকম হ|ম'লার ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে। মূলত মুসলিমরা কাউকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র না। নতুবা এই অ্যা/মে/রি'কা ইতোপূর্বে আরো বহু জাতির উপর সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। কারো থেকেই সে এরকম প্রতিশোধমূলক জবাবের মুখোমুখি হয়নি। একমাত্র মুসলিমরাই এমন জাতি, যারা না রাশিয়াকে ছাড় দিয়েছে, আর না ছাড় দিয়েছে অ্যা/মে/রি'কাকে। আমাদের ইতিহাসে নতি স্বীকার নামক কোনো শব্দ নেই। সবসময় আমরা বুক ফুলিয়ে, শির উঁচিয়ে চলেছি। হ্যাঁ, কখনো কখনো ঘুরে দাঁড়াতে সময় নিয়েছি, কিন্তু কাউকে ছেড়ে দিইনি। &lt;br&gt;
৯/১১ হ|ম'লার পর মুসলিমদের মাঝে এক অভূতপূর্ব জাগরণ শুরু হয়েছিল। যারা এতদিন পর্যন্ত নিজেদেরকে দুর্বল বলে জেনে আসছিল, তারা যেন আজ নতুন করে নিজেদের বীরত্ব ও শক্তিমত্তার দেখা পেল। পরাজিত মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে তারা নব উদ্যমে জাগতে শুরু করেছিল।&lt;br&gt;
নিঃসন্দেহে মুসলিমদের এ জাগরণ অ্যা/মে/রি'কার জন্য ৯/১১ এর মতো হাজারটা হ|ম'লার চেয়েও বেশি আতঙ্কের ছিল। কেননা, মুসলিম জাতি ঘুমিয়ে আছে বলেই আজ অবধি বিশ্বজুড়ে অ্যা/মে/রি'কার কুফুরি শাসন টিকে আছে। বিশ্বের যে অঞ্চলেই মুসলিমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেখানেই অ্যা/মে/রি'কার লজ্জাজনক পরাজয়ের ইতিহাস রচিত হয়েছে। আ'ফ'গান জাতি যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে তখন গোটা বিশ্ব তাদের সামনে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।&lt;br&gt;
ফলে মুসলিম জাতির জেগে ওঠাকে কুফুরি বিশ্ব সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করতে মরিয়া। এক্ষেত্রে মিডিয়া তাদের প্রধান হাতিয়ার। মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়তই চলে গুজব আর মিথ্যাচার। আ'ফ'গা'ন জি/হ|দের সময় আমরা দেখেছি, তালিবানের কোনো হ|ম'লায় অ্যা/মে/রি'কার অর্ধশতাধিক সৈন্য নিহত হলেও মিডিয়াতে এসেছে মাত্র ২-৩ জনের কথা, পাছে না আবার মুসলিমদের মনোবল বেড়ে যায়! একই কারণে তারা বৈশ্বিক মিডিয়া-শক্তিকে ব্যবহার করে ৯/১১ হ|ম'লা সম্পর্কে ধোঁয়াশা সৃষ্টির অপচেষ্টায় মেতে রয়েছে। ফলে বর্তমানে ৯/১১ হ|ম'লা অনেকের কাছেই ধোঁয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।&lt;br&gt;
যেমন: &lt;br&gt;
• ই&lt;/em&gt;হু'দিদের পরিকল্পনায় এই হ|ম'লা হয়েছে। অ্যা/মে/রি'কাকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে খেপানোর জন্যই ই&lt;em&gt;হু'দিরা এই কাজ করেছে। &lt;br&gt;
• আ ফ গা নি স্তানে আক্রমণের অজুহাত তৈরির নিমিত্তে অ্যা/মে/রি'কা নিজেই এই হ|ম'লা করেছে। সুতরাং ৯/১১ অ্যা/মে/রি'কার সাজানো নাটক ছিল। &lt;br&gt;
• মূলত ভেতরে পুঁতে রাখা বিস্ফোরকের মাধ্যমে হ|ম'লা হয়েছে। নতুবা বিমানের হ|ম'লায় ভবন ধ্বসে পড়ার কথা না। &lt;br&gt;
• এই হ|ম'লায় অনেক নিরীহ সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছে। তাই এই হ|ম'লা মুসলিমদের কাজ হতে পারে না। যদি আল-ক|য়ে'দা এই হ|ম'লা করে থাকে তাহলে এটা শরীয়তসম্মত হয়নি। &lt;br&gt;
এরকম আরো বেশ কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বর্তমান দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ৯/১১ হ|ম'লা নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা সৃষ্টির লক্ষ্যে পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। মিডিয়ার কল্যাণে আমাদের কাছে তাদের ষড়যন্ত্রগুলোই দ্রুত পৌঁছেছে। ফলে আমরা নিজেদের অজান্তেই তাদের ষড়যন্ত্র তত্ত্বের শিকার হয়েছি। এর বিপরীতে আল-ক|য়ে'দার কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব—খোদ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহসহ—একাধিকবার এই হ|ম'লার দায় স্বীকার করেছেন। উম্মাহর যে ১৯ জন সাহসী সন্তান এই হ|ম'লায় অংশগ্রহণ করেছেন তাদের নামও তারা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, আমরা অধিকাংশই এসম্পর্কে সম্পূর্ণ বেখবর। &lt;br&gt;
যেকোনো দল, সংগঠন, আন্দোলন, গোষ্ঠী ইত্যাদির যেকোনো কাজ সম্পর্কে জানার জন্য তারা নিজেরা কী বলছে, তা দেখা জরুরী। কেবল তাদের ব্যাপারে কী বলা হচ্ছে, তা দেখা যথেষ্ট না। আর যদি তা হয় শত্রুদের মন্তব্য তাহলে তো কোনো যুক্তিতেই বিশ্বাস করা যায় না। কিন্তু আমরা যুগ যুগ ধরে তাই করে আসছি। তালিবান, আল-ক|য়ে'দাসহ জি'হ|দি জামাতগুলোর ব্যাপারে পশ্চিমাদের মিথ্যাচার গোগ্রাসে গিলে আসছি।&lt;br&gt;
এজাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে এ যাবৎ এত বেশি লেখালেখি হয়েছে যে, নতুন করে কিছু লেখার প্রয়োজন বোধ করছি না। কিছু লেখার লিংক কমেন্টবক্সে দেয়া থাকবে, আগ্রহী পাঠকগণ সেগুলো পড়ে নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ্‌। ৯/১১ হ|ম'লা কারা পরিচালনা করেছেন? কেন করেছেন? এই হ|ম'লার সুদূরপ্রসারী উদ্দ্যেশ্যগুলো কী কী ছিল? উদ্দেশ্য-পূরণে ৯/১১ কতটুকু সফলতা বয়ে এনেছে? ৯/১১ সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে কুফরের আখড়া অ্যা/মে/রি'কাকে কীভাবে পঙ্গু করে দিয়েছে? এই হ|ম'লায় হারবী রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক হত্যার ব্যাপারে শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী?— ইত্যাকার বিষয়ে সত্যান্বেষী পাঠক স্বচ্ছ ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। &lt;br&gt;
সর্বশেষ শুধু একটি কথা বলতে চাই: অনেকে এই দুঃসাহসী হ|ম'লার বিরোধিতা করে এই যুক্তিতে যে, এর কারণেই অ্যা/মে/রি'কা আ ফ গা নি স্তানে আক্রমণ করেছে। অথচ, আ/মে/রি'কা ও ন্যাটোর এই আক্রমণ ছিল বিশ্ববাসীর সামনে তাদের পরাজয় ও লাঞ্চনার সূচনামাত্র। সেদিন ৯/১১ হ|ম'লা না হলে ন্যাটোভুক্ত রাষ্ট্রগুলো নিয়ে অ্যা/মে/রি'কা স্বশরীরে আ'ফ'গানযু&lt;/em&gt;দ্ধের চোরাবালিতে ডুবে যেতোনা, ২০ বছর পর নেড়ি কুকুরের মতো রাতের আঁধারে পলায়নও করত না, আর আ'ফ'গানিস্তান স্বমহিমায় চির ভাস্বর হয়ে বিশ্বের বুকে এভাবে আত্মপ্রকাশও করত না। &lt;br&gt;
বস্তুত আ ফ গা নি স্তানে অ্যা/মে/রি'কার আক্রমণের পর অ্যা/মে/রি'কা তালিবান ও আ'ফ'গানিস্তান আরো শক্তিশালী হয়েছে, আদর্শের উপর আরো দৃঢ় হয়েছে। আ'ফ'গান মু/জ|হিদরা বিশ্বের বুকে এক অপরাজিত জাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে । আর এ সবগুলো বিষয়ই ৯/১১ হ|ম'লার সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যের অংশ ছিল। এগুলো কাকতালীয় নয়। পরিকল্পনার অংশ। শায়েখ উসামা বিন লাদেনের পক্ষ থেকে ৯/১১ অ্যা/মে/রি'কার জন্য একটি লোভনীয় টোপ ছিল। অ্যা/মে/রি'কা সেই টোপ গিলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি করেছিল, যার মূল্য তাকে চুকাতে হয়েছে খুব খারাপভাবে। অ্যা/মে/রি'কাকে আ ফ গা নি স্তানের চোরাবালিতে টেনে এনে পরাজয়ের স্বাদ আস্বাদন করানোই ছিল এই হ|ম'লার মূল উদ্দেশ্য এবং এক্ষেত্রে এই বরকতময় হ|ম'লা শতভাগ সফল হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। &lt;br&gt;
وصلى الله تعالى على خير خلقه محمد وعلى آله وأصحابه وبارك وسلم. &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কেন আমাদের মাঝে উল্টো চিত্র?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 09:07:30 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-aamaader-maajhe-ultto-citr-1gbo</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-aamaader-maajhe-ultto-citr-1gbo</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F09s2fx9uhzh13kdwr51t.jpg" alt=" " width="800" height="533"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে ইসলাম বিরোধী মনোভাব এবং নিজ নিজ ধর্মকে আঁকড়ে ধরার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকা সহ অনেক জায়গায়ই উ"গ্র ডানপন্থার ব্যাপক উত্থান ঘটছে। &lt;br&gt;
ই'সর|য়েলে তো রীতিমত উ"গ্রতার বিস্ফোরণ ঘটেছে, মসজিদে আক্বসা ধ্বংস করে গ্রেটার ই'সর|য়েল প্রতিষ্ঠার জন্য তারা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ভ|র'তের অবস্থাও ভয়াবহ, সেদেশের সর্বত্র উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদের জয়জয়কার দেখা যাচ্ছে, নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া, জয়’শীরাম না বলায় পিটিয়ে মারা, বাড়ি ঘর মসজিদ মাদ্রাসায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া বর্তমানে সেখানকার নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;অপরদিকে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে ঘটছে উলটো ঘটনা, ইসলামপন্থীরা উদারতার নামে বিধর্মীদের সাথে গলা মিলাচ্ছে, তাদের তুষ্ট করার জন্য ইসলামের বিভিন্ন বিধানকে গোপন করছে, অনেক বিধান কাট-ছাঁট করে বর্ণনা করছে, ইনিয়ে বিনিয়ে কাফেরদের অপছন্দের বিধানকে অস্বীকার করছে। &lt;br&gt;
ইসলাম ও ইসলামী জীবনব্যবস্থাকে আঁকড়ে ধরার পরিবর্তে গণতন্ত্র, সে'ক্যুলারিজম, লিবারেলিজম ইত্যাদি কুফরি ব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
এসব দেখে স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, কেন আমাদের মধ্যে এই উলটো স্রোত, কেন আমরা ইসলামকে আঁকড়ে ধরার পরিবর্তে কাফেরদের খুশি করার জন্য ইসলাম ত্যাগের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি? &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  অথচ অন্য সকল ধর্মের উ"গ্র ডানপন্থাই জুলুম, উ"গ্রতা এবং অনাচারে পূর্ণ, সে'ক্যুলারিজমও মূলত অন্যায় এবং জুলুমভিত্তিক একটি মতাদর্শ, একমাত্র ইসলামই মুসলিম-অমুসলিম সকলের জন্য সত্যিকারের ইনসাফ ও শান্তি নিশ্চিত করতে পারে। চারদিকে উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদ এবং সে'ক্যুলার-লিবারেল স/ন্ত্র|সের এই প্রবপল ঝড়ের বিরুদ্ধে একমাত্র ইসলামই আমাদের রক্ষাকবচ হতে পারে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;গত এক দশকে ভ|র'তের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে, সেখানে নরম হি&lt;em&gt;ন্দুত্বের পরিবর্তে উ"গ্র হি&lt;/em&gt;ন্দুত্ববাদ কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। শুধু কেন্দ্র সরকারে নয়, বেশিরভাগ রাজ্যেও উ"গ্র হি&lt;em&gt;ন্দুত্ববাদীরা ক্ষমতায়। এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গেও উ"গ্র হি&lt;/em&gt;ন্দুত্ববাদী দল বি/জে'পি ক্ষমতায় এসেছে। &lt;br&gt;
পশ্চিমবঙ্গে আজ বা কাল যে, গে/রু'য়া ঝড় বইবে এটি সেখানকার সমাজ, রাজনীতি সহ সর্বত্র হি&lt;em&gt;ন্দুদের মাঝে উ"গ্রতার উত্থান দেখে অনেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। &lt;br&gt;
তবে এবার বি/জে'পিকে ক্ষমতায় আনতে কেন্দ্র সরকারকে কম কষ্ট চক্রান্ত করেনি। ৯১ লক্ষ ভোটারকে এসআইআর করে বাদ দিয়েছে, প্রায় ২৮ লক্ষ মানুষকে একরকম বাংলাদেশী তকমা দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। &lt;br&gt;
পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচনে নৌ ও বিমানবাহিনী ছাড়া ভ|র'তের সব কেন্দ্রীয় বাহিনী অংশ নিয়েছিল, স্বাভাবিক কোন নির্বাচন নয়, যু&lt;/em&gt;দ্ধের আবহ তৈরি হয়েছিল এই ভোটে। ভোটে জেতার জন্য মো'দী সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল, অবশেষে জয় পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি প্রকাশ্যে গে/রু'য়া বলয়ে প্রবেশ করল।  &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  বি/জে'পি ক্ষমতায় আসায় আমাদেরকে অচিরেই হয়তো আরো একটা শরনার্থী ঝড় দেখতে হবে। ইতিমধ্যে আসাম গুজরাত সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনেক মুসলিমকে বাংলাদেশী তকমা দিয়ে পুশ ইন করা হয়েছে। সামনে যদি এই প্রবণতা বৃদ্ধি পায় তাহলে পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাবে বলে অনুমান। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;এই দেশটি ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের জন্য নতুন ই'সর|য়েল হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, আশ পাশের দেশগুলো দখল করে অখণ্ড ভ|র'ত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। সেমতে তারা প্রচুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে, শুধু সেনাবাহিনীই প্রস্তুত করছেনা সাধারণ হি&lt;em&gt;ন্দুদেরকেও ট্রেনিং দিচ্ছে, অ/স্ত্র দিচ্ছে। আশে পাশের দেশে থাকা হি&lt;/em&gt;ন্দুদেরকেও উ"গ্র হিসেবে গড়ে তুলছে। আশে পাশে নজর দিলেই আমরা এর বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারব। &lt;br&gt;
প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের হা-হুতাশ, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ছাড়া বাস্তব কোন প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। যদি অদূর ভবিষ্যতে তারা আমাদের উপর যু*দ্ধ চাপিয়ে দেয় তাহলে মোকাবেলা তো দূরের কথা নূন্যতম আত্মরক্ষা করাও কি  সম্ভব হবে? &lt;br&gt;
এমতাবস্থায় আমরা কি করে নিজেদের এবং পরবর্তী প্রজন্মের ইমান রক্ষা করব? &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতার কারণ</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 16:34:08 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/laanychnaa-o-prmukhaapekssitaar-kaarnn-1l3n</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/laanychnaa-o-prmukhaapekssitaar-kaarnn-1l3n</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fz29379grr67zpchj63ad.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ই/য়|হু'দীদের কিছু মন্দ স্বভাবের কারণে আল্লাহ তাআলা তাদের উপর লাঞ্ছনা এবং পরমুখাপেক্ষিতা চাপিয়ে দিয়েছিলেন। স্বভাবগুলো হল- ভালোর পরিবর্তে মন্দকে গ্রহণ করা, নেয়ামতের কদর না করা এবং সীমালঙ্ঘন করা ইত্যাদি। &lt;br&gt;
আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ&lt;br&gt;
 قَالَ اَتَسۡتَبۡدِلُوۡنَ الَّذِیۡ هوَ أدۡنٰی بِالَّذِیۡ هوَ خَیۡرٌ ؕ  اهبِطُوۡا مِصۡرًا فَاِنَّ لَکُمۡ مَّا سَاَلۡتُمۡ ؕ  وَضُرِبَتۡ عَلَیۡهمُ الذِّلَّة وَالۡمَسۡکَنَة ٭  وَبَآءُوۡ بِغَضَبٍ مِّنَ اللّٰہِ ؕ&lt;br&gt;
তিনি (মুসা আলাইহিস সালাম) বললেন- যে তোমরা কি উৎকৃষ্ট বস্তুকে নিকৃষ্ট বস্তু দ্বারা পরিবর্তন করতে চাচ্ছ? (ঠিক আছে) কোনও নগরে গিয়ে অবতরণ কর। (সেখানে) তোমরা যা চেয়েছ সেসব জিনিস পেয়ে যাবে। আর তাদের (ই/য়|হু'দীদের) উপর লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতার ছাপ মেরে দেওয়া হল এবং তারা আল্লাহর গযব নিয়ে ফিরল। -[সুরা বাকারা ৬১]&lt;br&gt;
বর্তমানে এই স্বভাবগুলো আমাদের অনেকেকের মাঝেই বিদ্যমান। আল্লাহর হুকুম পালন ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার জন্য এবং বিপদাপদে আমরা অধিকাংশই ধৈর্য্য ধারণ করিনা। &lt;br&gt;
আল্লাহর দেয়া উৎকৃষ্ট জীবনব্যবস্থার বদলে আমরা পশ্চিমের নোংরা জীবনব্যবস্থা বেছে নিয়েছি। বিভিন্নভাবে নেয়ামতের না শোকরী করে চলেছি। গুনাহ ও পাপ কাজে লিপ্ত থেকে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত সীমালঙ্ঘন করে যাচ্ছি। &lt;br&gt;
এই কারণে আমাদেরকেও পরমুখাপেক্ষিতা এবং লাঞ্ছনা ঘিরে ধরেছে। জাতি হিসেবে কখনো ভারত কখনো আমেরিকার গোলামী করে চলেছি। আমাদের গুরুত্বপুর্ণ সব সিদ্ধান্ত ভারত বা আমেরিকা থেকে আসে। শুধু আমরা একা নই, অধিকাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশের চিত্রই এটি। অধিকাংশ মুসলিম দেশ আমেরিকা ও অন্যন্য বড় কাফেরদেশের কথামত চলে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
কিন্তু দুঃখজন ব্যাপার হল আমরা লাঞ্ছনাকে লাঞ্ছনা মনে করছিনা। গোলামী করাকেই মনে করছি আজাদী ও মুক্তি। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন শিরোনাম?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী </dc:creator>
      <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 09:23:02 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-uddeshyprnnoditbhaabe-emn-shironaam-1ka</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubayda-alhindi/ken-uddeshyprnnoditbhaabe-emn-shironaam-1ka</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fwsx6duk56vuf3m4hipi4.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fwsx6duk56vuf3m4hipi4.jpg" alt=" " width="800" height="568"&gt;&lt;/a&gt;-&lt;br&gt;
এই শিরোনাম দিয়ে দেশী বিদেশী অনেকগুলো মিডিয়া খবর করেছে, দেখে মনে হচ্ছে যেন এটি ইমারাতে ইসলামিয়ার নিজেদের বানানো মনগড়া কোন কানুন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অথচ কুরআন সুন্নাহ এবং ফিকহের সাথে নূন্যতম সম্পর্ক রাখা সকলেই জানে যে, এটি কুরআন সুন্নাহ সমর্থিত ফিকহের স্বতঃসিদ্ধ একটি মাসআলা। হাদীসে এসেছে-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;عَنْ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُمْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تُنْكَحُ الأَيِّمُ حَتّٰى تُسْتَأْمَرَ وَلاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتّٰى تُسْتَأْذَنَ قَالُوا يَا رَسُوْلَ اللهِ وَكَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ أَنْ تَسْكُتَ.&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন বিধবা মহিলাকে তার সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেওয়া যাবেনা , কোন কুমারী মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবেনা। সাহাবীরা আরজ করলেন, ইয়া রাসুল্লাহ- তার থেকে অনুমতি নেওয়ার ধরণ কি হবে? তিনি বললেন, চুপ থাকাটাই হচ্ছে তার অনুমতি। -[বুখারী ৫১৩৬, তিরমিজী ১১০৭, মুসলিম ১৪১৯]&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই হাদীসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেন- কুমারী মেয়েরা অধিক লজ্জাশীল হওয়ায় তারা অনেক সময় মুখ ফুটে অনুমতির কথা বলতে পারেনা। এই কারণে তাদের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে জবাবে ইতিবাচক মনোভাবের সাথে চুপ থাকলে সেটিই অনুমতি প্রদান বলে ধরা হবে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;তবু কেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন শিরোনাম?&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কাফেররা না জানলেও নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেওয়া সাংবাদিকদের এই মাসআলা সম্পর্কে জানাশোনা থাকার কথা। জানা না থাকলেও আলেম ওলামাদের থেকে জেনে নেওয়ার সুযোগ তো সবারই আছে।&lt;br&gt;
তবু কেন বিদেশীদের অনুকরণে ইমারাতে ইসলামীয়ার বিরুদ্ধে প্রোপ্যাগান্ডা চালানোর এই নোংরা প্রতিযোগিতা?&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কেন অপসাংবাদিকতা ও উদ্দেশ্যমূলক শিরোনামের মাধ্যমে ইমারাতে ইসলামিয়ার শরীয়াহসম্মত কাজকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা?
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেন ইমারাতে ইসলামিয়াকে কাফেরদের যাবতীয় ষড়যন্ত্র ও প্রোপ্যাগান্ডা থেকে হেফাজত করেন এবং শরীয়াহ বাস্তবায়নে অটল অবিচল রাখেন।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
  </channel>
</rss>
