<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
  <channel>
    <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</title>
    <description>The latest articles on DEV Community by আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী (@abu-ubaydah-al-hindi).</description>
    <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi</link>
    <image>
      <url>https://media2.dev.to/dynamic/image/width=90,height=90,fit=cover,gravity=auto,format=auto/https:%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Fuser%2Fprofile_image%2F4172480%2Fde25928f-2bf9-4998-8417-6bedcd0f3d1a.jpg</url>
      <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</title>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi</link>
    </image>
    <atom:link rel="self" type="application/rss+xml" href="https://dev.to/feed/abu-ubaydah-al-hindi"/>
    <language>en</language>
    <item>
      <title>আল্লাহর অবাধ্যতা করে কাকে সন্তুষ্ট করছি?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 17 Oct 2026 02:06:55 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aallaahr-abaadhytaa-kre-kaake-sntusstt-krchi-gb6</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aallaahr-abaadhytaa-kre-kaake-sntusstt-krchi-gb6</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fxpquz3atbpumhfj19pi7.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fxpquz3atbpumhfj19pi7.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমনও আছে, যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদেরকে (আল্লাহর) সমকক্ষরূপে গ্রহণ করে এবং তাদেরকে ভালোবাসে আল্লাহকে ভালোবাসার মতো।—সূরা আল-বাকারা, ২ : ১৬৫&lt;br&gt;
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেছেন,&lt;br&gt;
قَدْ قَضَى اللَّهُ تَعَالَى قَضَاءً لَا يُرَدُّ وَلَا يُدْفَعُ أَنَّ مَنْ أَحَبَّ شَيْئًا سِوَاهُ عُذِّبَ بِهِ وَلَا بُدَّ، وَأَنَّ مَنْ خَافَ غَيْرَهُ سَلَّطَ عَلَيْهِ، وَأَنَّ مَنِ اشْتَغَلَ بِشَيْءٍ غَيْرِهِ كَانَ شُؤْمًا عَلَيْهِ، وَمَنْ آثَرَ غَيْرَهُ عَلَيْهِ لَمْ يُبَارَكْ فِيهِ، وَمَنْ أَرْضَى غَيْرَهُ بِسَخَطِهِ أَسْخَطَهُ عَلَيْهِ وَلَا بُدَّ.&lt;br&gt;
আল্লাহ তাআলা এমন একটি ফয়সালা করে রেখেছেন, যা রদ করা যায় না, প্রতিহতও করা যায় না। তা হলো, যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুকে ভালোবাসে, তাকে সেই জিনিস দ্বারাই শাস্তি দেওয়া হয়। যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে, তার ওপর সেই ব্যক্তিকেই চাপিয়ে দেওয়া হয়। যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়, তা তার জন্য অশুভ বলে সাব্যস্ত হয়।  যে আল্লাহর চেয়ে অন্য কাউকে প্রাধান্য দেয়, সে তাতে বরকত পায় না। আর যে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে অন্য কাউকে সন্তুষ্ট করে, আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে তার ওপর অসন্তুষ্ট করে দেন।—আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যিব: ৮&lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি,&lt;br&gt;
আমি কি আল্লাহর ভালোবাসার চেয়ে দুনিয়ার কোনো ব্যক্তি, বস্তু, প্রতিষ্ঠান কিংবা দলের ভালোবাসাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি?&lt;br&gt;
আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে এমনভাবে ভয় করছি, যার কারণে আল্লাহর আদেশ অমান্য করে ফেলছি?&lt;br&gt;
আমি কি আল্লাহকে স্মরণ করা ও তাঁর আনুগত্যের চেয়ে অন্য কিছু নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছি?&lt;br&gt;
মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আমি কি আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজ করে ফেলছি? &lt;/p&gt;

</description>
      <category>discuss</category>
      <category>watercooler</category>
    </item>
    <item>
      <title>আগ্রাসী শত্রুর মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি কতখানি? -</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 16 Oct 2026 06:27:57 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aagraasii-shtrur-mokaabelaayy-aamaader-prstuti-ktkhaani--4mha</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aagraasii-shtrur-mokaabelaayy-aamaader-prstuti-ktkhaani--4mha</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Ftgyyi64k460cpucjwnlt.jpg" alt=" " width="720" height="405"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;বিশ্ব পরিস্থিতি দিন দিন ঘোলাটে হচ্ছে, ক্রমশ এক ভয়ংকর যু&lt;em&gt;দ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। কুফরী শক্তিগুলো মুসলিম ভূখণ্ডগুলোকে ধ্বংস করে কুফরী বিশ্ব গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে। একদিকে ভারত মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ নির্যাতন চালাচ্ছে, আরেকদিকে আমেরিকা, ই"সর|য়েল ও অন্যান্য কুফরি শক্তি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যু&lt;/em&gt;দ্ধে নেমেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারত চায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান সহ উপমহাদেশের সব দেশ ও অঞ্চল দখল করে অখণ্ড হি&lt;em&gt;ন্দুরাষ্ট্র গঠন করতে। যেখানে তারা মুসলিমদের নাম নিশানাও বাকি রাখবেনা। মসজিদ মাদ্রাসা সহ সব ইসলামী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেবে। কুরআন হাদিস সহ সব ইসলামী বই পুস্তক নিষিদ্ধ করবে। মুসলিমদেরকে ধরে ধরে হি&lt;/em&gt;ন্দু বানাবে, অস্বীকৃতি জানালে হত্যা করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া ই"সর|য়েলও এমনই এক পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগুচ্ছে। তারা মক্কা মদীনা সহ ৭ টি আরবদেশ দখল করে গ্রেটার ই"সর|য়েল গঠন করতে চায়। যেখানে মুসলিমদের থাকার কোন অধিকার থাকবেনা। কেউ থেকে গেলে তার সাথে বর্তমান ফিলিস্তিন ও গ|য|য় মুসলিমদের সাথে যেমন আচরণ করা হচ্ছে তেমন আচরণ করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই উদ্দেশ্য পূরণে ভ|র'ত ও ই"সর|য়েল অনেকদূর এগিয়ে গেছে। অ*&lt;em&gt;স্ত্র, অর্থ, প্রযুক্তি, জনবল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উভয়দেশের অগ্রগতি চোখে পড়ার মত। ভারত শক্তিশালী বাহিনী গড়ার পাশাপাশি সাধারণ জনগণ এমনকি নারী ও শি/শুদেরকেও প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলছে। ই"সর|য়েল তার সকল জনগণের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে ভর্তির নিয়ম করে রেখেছে। তাদের দেশের যুবকরা শুধু বিনোদন আর ক্যারিয়ারের চিন্তায় সময় পার করেনা। তাদের বড় একটা অংশ যু&lt;/em&gt;দ্ধপ্রস্তুতি, নতুন কিছু উদ্ভাবন ও অন্যদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার পেছনে সময় ব্যয় করে। দুই দেশের ধর্মগুরুদের বড় একটা অংশও মুসলিমদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং আসন্ন যু*দ্ধের জন্য জনগনকে উদ্বুদ্ধ করাকে নিজেদের রুটিন কাজ বানিয়ে নিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এমন পরিস্থিতিতে আমাদের প্রস্তুতি কী? শত্রুদের ভয়ংকর সব অ**স্ত্র শস্ত্রের মোকাবেলায় আমাদের পরিকল্পনাই বা কী? আমাদের যতটা সময় গল্প-গুজব, আড্ডা গান, মোবাইল গেমস, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং ইত্যাদি অনর্থক কাজে ব্যয় হয় তার অর্ধেক সময়ও কি উম্মাহর জন্য ব্যয় হয়? ভবিষ্যত পরিকল্পনা আর রুটি রুজির চিন্তায় আমরা যতটা সময় নির্ঘুম কাটাই তার সিকিভাগ সময়ও কি উম্মাহর মুক্তির চিন্তায় জেগে থাকি?&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  উত্তর যদি না বাচক হয় তাহলে প্রশ্ন হল কিভাবে আমরা এই আগ্রাসী শত্রুর হাত থেকে উম্মাহকে রক্ষা করবো। উম্মাহর কথা নাহয় বাদই দিলাম নিজেকে এবং নিজ পরিবার পরিজনকেই বা কিভাবে রক্ষা করবো? শুধু সমালোচনা হা-হুতাশ আর অনর্থক কাজে ডুবে থেকে কি আগ্রাসী শত্রুর হাত থেকে নিজেদের বাঁচানো সম্ভব হবে?
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ইসলাম সর্বদা আমাদেরকে শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চায়। আমাদের ভয়ে শত্রুকে সদা সর্বদা কম্পমান রাখতে চায়। তাই তো আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে প্রস্তুতি নেবার এবং সর্বদা প্রস্তুত থাকার আদেশ দিয়েছেন। কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;وَ اَعِدُّوۡا لَهُمۡ مَّا اسۡتَطَعۡتُمۡ مِّنۡ قُوَّۃٍ وَّ مِنۡ رِّبَاطِ الۡخَیۡلِ تُرۡهِبُوۡنَ بِهٖ عَدُوَّ اللّٰهِ وَ عَدُوَّكُمۡ وَ اٰخَرِیۡنَ مِنۡ دُوۡنِهِمۡ ۚ لَا تَعۡلَمُوۡنَهُمۡ ۚ اَللّٰهُ یَعۡلَمُهُمۡ ؕ وَ مَا تُنۡفِقُوۡا مِنۡ شَیۡءٍ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ یُوَفَّ اِلَیۡكُمۡ وَ اَنۡتُمۡ لَا تُظۡلَمُوۡنَ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর তাদেরকে মোকাবেলা করার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখো। যার দ্বারা তোমরা আল্লাহর শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে ভয় দেখাবে, আর তাদের ছাড়াও অন্যান্যদেরকেও যাদের ব্যপারে তোমরা জানোনা কিন্তু আল্লাহ তাদের ব্যপারে জানেন।' -(সূরা আনফাল, ৬০ নং আয়াত।)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই আয়াতের ব্যখ্যায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;عن عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ الْجُهَنِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: (وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ) أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ، أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ، أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জেনে রাখো, শক্তির অর্থ হল নিক্ষেপন শক্তি। জেনে রাখো, শক্তির অর্থ হল নিক্ষেপন শক্তি। জেনে রাখো, শক্তির অর্থ হল নিক্ষেপন শক্তি। - সহীহ মুসলিম ১৯১৭, সুনানে আবু দাউদ ২৫১৪&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই আয়াত ও হাদীস থেকে আমরা ইসলামে শক্তি অর্জন বিশেষত নিক্ষেপন শক্তি অর্জনের গুরুত্ব যে কত বেশি সেটি বুঝতে পারি। তাই আসুন হে প্রিয় ভাইয়েরা! একটু সিরিয়াস হই, ঈমানী ও সামরিক শক্তিতে বলিয়ান হওয়ার চেষ্টা করি। শত্রুকে মোকাবেলার জন্য অবাস্তব চিন্তা না করে সাহাবায়ে কেরামের মত বাস্তবসম্মত চিন্তা করি এবং যথাসাধ্য প্রস্তুতি নেই। যদি আমার রক্ত, ঘাম, মেধা, শ্রম ইসলাম বিজয়ে একটুও ভূমিকা রাখতে পারে তাহলে সেটি হবে আমার জন্য বিরাট সৌভাগ্যের ব্যপার। পক্ষান্তরে যদি শুধু দুনিয়া উপার্জন আর ভোগ বিলাসের পেছনেই ব্যয় হয় তাহলে সেটি হবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। তাই আমার রক্ত, ঘাম, মেধা ও শ্রম যেন ইসলামের বিজয়ের পথে ভূমিকা রাখতে পারে তার জন্য চেষ্টা এবং দোয়া জারি রাখা চাই।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের সৈনিক হিসেবে কবুল করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন&lt;/p&gt;

</description>
      <category>discuss</category>
      <category>watercooler</category>
    </item>
    <item>
      <title>গণতন্ত্রের মুখোশে কার স্বার্থের প্রতিফলন-জনগণের, নাকি ক্ষমতাবানদের?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 15 Oct 2026 15:12:51 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/gnntntrer-mukhoshe-kaar-sbaarther-prtiphln-jngnner-naaki-kssmtaabaander-148j</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/gnntntrer-mukhoshe-kaar-sbaarther-prtiphln-jngnner-naaki-kssmtaabaander-148j</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F9ermmwzf1jxc6f8x95pm.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F9ermmwzf1jxc6f8x95pm.jpg" alt=" " width="800" height="450"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
গণতান্ত্রিকরা বলে-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গণতন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটে এবং তাদের চাহিদা অনুসারে আইন বিচার পরিচালিত হয়।&lt;br&gt;
কিন্তু বাস্তবতা হল - কর্পোরেট শ্রেণি, এনজিও এবং বিদেশী প্রভূদের মতামতের প্রতিফলন ঘটে এবং তাদের চাহিদা অনুসারে আইন বিচার পরিচালিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই কারণে দেখা যায় ম&lt;em&gt;দ যি/না ব্যভিচার স&lt;/em&gt;ম*ক।মিতা ইত্যাদি জনগণের বিরোধিতা সত্ত্বেও বৈধতা পায়, আর শাতিমে রাসূলদের মৃত্যুদণ্ডের দাবীতে হাজারো নবীপ্রেমিক জীবন দিলেও সেটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়না।&lt;/p&gt;

</description>
      <category>culture</category>
      <category>discuss</category>
      <category>watercooler</category>
    </item>
    <item>
      <title>আসহাবে কাহফের ঘটনা থেকে শিক্ষাঃ</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 02:05:31 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aashaabe-kaahpher-ghttnaa-theke-shikssaah-53hl</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/aashaabe-kaahpher-ghttnaa-theke-shikssaah-53hl</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F5g0dqvqxc7rzy6ff7w8r.jpg" alt=" " width="800" height="533"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;প্রথমেই সংক্ষেপে ঘটনাটা বলে নিচ্ছি। অনেকদিন আগের কথা, এক রাজ্যের রাজা প্রজা সকলেই ছিল মুশরিক। তারা সকলে মুর্তি পূজা করতো এবং বিশেষ এক দিনে সবাই মিলে আনন্দ উদযাপন করতো। বিশেষ এই দিনে সবার জন্য অনুষ্ঠানে যোগদান করা ছিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু একবার দেখা গেল সম্ভ্রান্ত পরিবারের সাত যুবক অনুষ্ঠানে আসেনি। তাদের ব্যাপারে কানাঘুষা শুরু হল যে তারা রাজ্যবাসীর দেব দেবীর পুজা বাদ দিয়ে ভিন্ন এক ইলাহের ইবাদত করা শুরু করেছে। এই খবর এক কান দুই কান করে পৌঁছে গেল রাজার কাছে। রাজার অন্যায় অত্য|চ|রের কথা তাদের অজানা ছিলোনা। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিলেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার।  &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  যেই ভাবা সেই কাজ, এক রাতে তারা সকলের অজান্তে রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে গেলেন এবং আশ্রয় নিলেন একটি গুহায়। তাদের পাহারাদারি করার জন্য একটি কুকুরও সঙ্গী হল তাদের। অজানা শহরের অচেনা গুহায়, আশ্রয়হীন, সহায়হীন সাতজন যুবক পা বাড়িয়েছেন, পদে পদে আছে বিপদের শঙ্কা, মৃত্যুর ভয়...কিন্তু কোনো কিচছুই তাদেরকে থামাতে পারেনি, রবের উপর তাদের তাওয়াক্কুল সীমাহীন...তাওহীদের প্রশ্নে তাঁরা দৃঢ় ও আপোসহীন। মহান রবী কারিম তাওহিদের উপর তাঁদের অটলটার প্রতিদান দিলেন, তাঁর প্রতি এই যুবকদের আস্থা ও তাওয়াক্কুলের লাজ রাখলেন। সমস্ত ভয়-ভীতি-উদ্বেগ দূর করে দিয়ে তাদের দু'চোখে ঢেলে দিলেন প্রশান্তির ঘুম। গুহায় গিয়ে তারা প্রথমেই ৩০৯ বছর ঘুমালেন। একটানা তিনশো নয় বছর ঘুমানোর পর একদিন তাদের ঘুম ভাঙলো। ঘুম ভাঙার পর তাদের মনে হচ্ছিলো তারা বুঝি কিছুক্ষণ আগে ঘুমিয়েছেন। এক ঘুমে যে তিনশো নয় বছর পার হয়ে গেছে সেটা তারা টেরই পাননি। ঘুম ভাঙার পর তারা ভীষণ ক্ষিদে অনুভব করলেন। তাই খাবারের খোঁজে একজনকে পাঠালো শহরে। খাবার আনতে গিয়ে ঘটে গেল এক বিশাল কান্ড, সবাই অপরিচিত মানুষ এবং তার হাতে থাকা কয়েক শতাব্দী পুরাতন মুদ্রা দেখে কৌতূহলী হয়ে উঠলো। যখন তিনি বুঝতে পারলেন যে এখন আর আগের সেই জালেম রাজা নেই তখন তিনি তাদের কাছে সব খুলে বললেন। তৎকালীন বাদশাহ সব শুনে তাদেরকে দেখতে এলেন এবং পুনরায় ঘুমানোর বন্দোবস্ত করে দিলেন। 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কয়েকটি লক্ষ্যনীয় বিষয়ঃ 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই সাত যুবক বাহ্যত অনেক বেশি ইবাদত করেননি, বছরের পর নফল ইবাদতে মগ্ন থাকার সময় কিংবা সুযোগ পাননি, কিন্তু তাওহিদের উপর অটল-অবিচল থেকেছেন, তাগুত বর্জন এবং দ্বীন-ঈমানের হেফাজতের জন্য হিজরত করেছেন, ঈমান আনার পর নিজ ঈমান আমলের উপর আশংকা থাকায় বাড়ি ঘর ছেড়ে আশ্রয় নেয় পাহাড়ের গুহায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট তাদের এই আমল এত বেশি পছন্দ হয়েছিল যে কোরআনুল কারীমে তাদের ঘটনা সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন এবং তারা কোন পার্শ্বে কিভাবে ঘুমাতো তাও বর্ণনা করেছেন। শুধু তাই নয় তাদের সাথে থাকা কুকুরটি গুহামুখে কিভাবে কোন ভঙ্গিতে বসেছিল তার বর্ণনাও দিয়েছেন কুরআনুল কারীমে। এথেকে বোঝা যায় তারা আল্লাহ তাআলার কত বেশি প্রিয় ছিলো। 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  শিক্ষাঃ
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;এই যুবকেরা যেভাবে নিজের দ্বীন ঈমান বাঁচানোর জন্য ঘর বাড়ি ছাড়ার কারনে আল্লাহ তাআলার এতটা নৈকট্য অর্জন করেছে । আজও যদি কোন ব্যাক্তি নিজের দ্বীন ঈমান বাঁচানোর জন্য হিজরত করে, ঘর বাড়ি ত্যাগ করে তাহলে সেও অনুরূপ নৈকট্য লাভ করবে। শুধু এতটুকুই পার্থক্য যে তার কথা কুরআনুল কারীমে আসবেনা, যেহেতু কুরআনুল কারীম নাজিল হয়ে গেছে।&lt;br&gt;
এই ঘটনার আরেকটি শিক্ষা হলো, কেউ যদি নিজের দ্বীন ঈমান রক্ষার পাশাপাশি অন্যন্য মানুষের দ্বীন ঈমান রক্ষার জন্য নিজ ঘর বাড়ি ত্যাগ করে হিজরতের পথ বেছে নেয়, তাহলে সে যে কত বিশাল মর্যাদার অধিকারী হবে এবং আল্লাহ তাআলার কতখানি প্রিয় হবে তা আমাদের কল্পনারও বাইরে। &lt;br&gt;
আল্লাহ তাবারকা ওয়া তায়ালা যেন আমাদেরকেও তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করার তাওফিক দান করেন, সমস্ত তাগুতকে বর্জন করে তাওহিদের উপ অটল-অবিচল থাকার তাওফিক দান করেন।&lt;/p&gt;

</description>
      <category>education</category>
      <category>learning</category>
    </item>
    <item>
      <title>এই প্রশ্নটাই আসলে অবান্তর</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 04:34:20 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/ei-prshnttaai-aasle-abaantr-3fh6</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/ei-prshnttaai-aasle-abaantr-3fh6</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fo7wmey9zmsm48avte15a.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ইদানিং অনেকেই আক্ষেপ করে বলছেন- এত রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হটিয়ে কি লাভ হল, আবার তো সেই পুরনো বন্দোবস্তই ফিরে এসেছে। ঘুষ, দুর্নীতি, বিচারিক জুলুম, খুন, নৈরাজ্য, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, সিন্ডিকেট সব তো আগের মতই আছে। &lt;br&gt;
শহীদদের রক্ত কি তবে বৃথা গেল? &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই প্রশ্নটাই আসলে অবান্তর, কারণ আমরা শুধু স্বৈরাচার হটিয়েছি, কিন্তু যেই সিস্টেম স্বৈরাচার তৈরি করেছে, স্বৈরাচারকে টিকিয়ে রেখেছে সেই সিস্টেম চেঞ্জ করিনি। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা শুধু গাড়ির ড্রাইভার (হাসিনাকে) সরিয়েছি, সরিয়ে ভেবেছি সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু যেই ইঞ্জিনের সহায়তায় হাসিনা স্বৈরাচার হয়েছে সেই ইঞ্জিন অর্থাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আমলাতন্ত্রের গায়ে একটুও হাত দেইনি। সেটিকে আগের অবস্থাতেই রেখে দিয়েছি। &lt;br&gt;
অথচ আমাদের মনে রাখা দরকার ছিল, গাড়ির ইঞ্জিনে ত্রুটি থাকলে শুধু ড্রাইভার বদলালে সমস্যার সমাধান হয় না; আগে ইঞ্জিন ঠিক করতে হয়।&lt;br&gt;
তাই আমাদের দরকার হল ইঞ্জিন তথা পুরো সিস্টেম পরিবর্তন করা। কয়দিন পর পর রক্ত দিয়ে শুধু ড্রাইভার বদলালে অবস্থা কোনদিন বদলাবেনা। রক্ত যেহেতু দিতেই হবে পুরো কাঠামো বদলানোর জন্য দিলেই কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।&lt;/p&gt;

</description>
      <category>discuss</category>
    </item>
    <item>
      <title>ধর্ম নয়, ক্ষমতা হলো দা^ঙ্গার অদৃশ্য ইঞ্জিন, “পরিকল্পিত দা^ঙ্গা” বনাম বাংলাদেশের সে/ক্যু/লার-এলিটদের ইসলামবিরোধিতা - ৪</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 12 Oct 2026 05:30:21 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/dhrm-nyy-kssmtaa-hlo-daanggaar-adrshy-inyjin-priklpit-daanggaa-bnaam-baanlaadesher-sekyulaar-elittder-5e5f</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/dhrm-nyy-kssmtaa-hlo-daanggaar-adrshy-inyjin-priklpit-daanggaa-bnaam-baanlaadesher-sekyulaar-elittder-5e5f</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fcwjk4xddcj5uifdfaesq.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fcwjk4xddcj5uifdfaesq.jpg" alt=" " width="800" height="447"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
বাংলাদেশের এসব সেক্যুলার/এলিটরা আসলে ইসলামবিরোধী, এই দাবিটা আসলে কতটা সঠিক?&lt;br&gt;
.&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
&lt;li&gt;সেক্যুলার/এলিটরা বারবার “ধর্ম”কে সহিংসতার উৎস হিসেবে দেখায়। কিন্তু “ধর্মকে অস্ত্র বানিয়ে ক্ষমতা” এই জিনিসটা স্বীকার করলে রাজনীতির দায় নির্দিষ্ট করতে হয়। তাই তারা ধর্ম ছাড়া আর কিছুকে কারণ হিসেবে বলতে চায় না।&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;ফলে এক ধরনের অভ্যাস তৈরি হয়, ধর্মীয় পরিচয়কে সমস্যার ভাষা বানানো, আর ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া।&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;এই অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে চলছে, ফলে “ধর্ম” কেবল বিশ্লেষণের বিষয় থাকে না। ধর্ম ধীরে ধীরে অপছন্দের বস্তু হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ইসলাম নিয়ে তারা বেশিরভাগ সময় তাচ্ছিল্য, ভয়, বা সন্দেহের ভাষা ব্যবহার করে। ফলে অনেকের চোখে ইসলাম খারাপ হিসেবে প্রকাশ পায়।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  - তারা ধর্মকে ‘কারণ’ বলে, ক্ষমতাকে ‘কারণ’ বলে না। তারা ধর্মকে অভিযুক্ত করে, কিন্তু ধর্মকে ব্যবহারকারী রাজনৈতিক শক্তিকে একই কঠোরতায় অভিযুক্ত করে না। এগুলো কোনো নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ নয়, এগুলোই এক একটি পক্ষপাতদুষ্ট বয়ান।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে বুঝতে হলে “ধর্ম” শব্দটি দিয়ে আলোচনা শেষ করা যায় না। বরং আলোচনা শুরু করতে হয় ক্ষমতা, সংগঠন, রাষ্ট্র-আচরণ, এবং রাজনৈতিক পরিকল্পনা দিয়ে। তাই সারকথা এক লাইনে বললেঃ ধর্ম নয়, মূলত ক্ষমতাই সব কিছুর মূলে, ‘ধর্মীয় মারামারি’ আসলে সে/ক্যু/লার বয়ানের ইচ্ছাকৃত সরলীকরণ, কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় এটা ক্ষমতা দখল/রক্ষার হাতিয়ার। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>ধর্ম নয়, ক্ষমতা হলো দা^ঙ্গার অদৃশ্য ইঞ্জিন, “পরিকল্পিত দা^ঙ্গা” বনাম বাংলাদেশের সে/ক্যু/লার-এলিটদের ইসলামবিরোধিতা - ৩</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 11 Oct 2026 02:40:53 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/dhrm-nyy-kssmtaa-hlo-daanggaar-adrshy-inyjin-priklpit-daanggaa-bnaam-baanlaadesher-sekyulaar-elittder-598i</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/dhrm-nyy-kssmtaa-hlo-daanggaar-adrshy-inyjin-priklpit-daanggaa-bnaam-baanlaadesher-sekyulaar-elittder-598i</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F66dq6lqyovb26yttfuzn.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F66dq6lqyovb26yttfuzn.jpg" alt=" " width="800" height="447"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
কিন্তু সে/ক্যু/লাররা কিছু না বুঝেই ধর্মের নাম বলবে! এটা কীভাবে একটি “বয়ানগত সুবিধা” তৈরি করে&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এখানে এই অভিযোগটা শুধু মতাদর্শিক নয়। এটা বিশ্লেষণগত ব্যর্থতা নিয়েও। “ধর্মের কারণে হয়” এটা বললে তাদের জন্য তিনটি সুবিধা তৈরি হয়ঃ&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
&lt;li&gt;মূল প্ল্যানার আড়াল থাকেঃ কারা সংগঠিত করল, কারা মদদ দিল, কারা নীরব থাকল এসব প্রশ্ন অস্বস্তিকর। “ধর্ম” বললেই মূল প্ল্যানার ঝাপসা হয়ে যায়।&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;রাষ্ট্র-আচরণ আড়াল থাকেঃ পুলিশ–প্রশাসনের শৈথিল্য/পক্ষপাত/দেরি এসবের দায় নির্দিষ্ট করতে গেলে ক্ষমতার কেন্দ্র স্পর্শ করতে হয়। “ধর্ম” বললে তা লাগে না।&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;রাজনৈতিক দায় এড়ানো যায়ঃ কোনো দলে বা কোনো গোষ্ঠীতে দায় দেখাতে গেলে স্বার্থের এই মারামারি বের হয়ে যাবে। আর “ধর্ম” বলে দিলে দায় ছড়িয়ে থাকে, শিরোনামও সহজ হয়।
ফলে টিভি-টকশো/মিডিয়া, এনজিও-ঘরানা, দলীয় বুদ্ধিবৃত্তিক বলয় এর এরা বেশিরভাগ সময় একই শর্টকাটে এসে বলে “ধর্মই” সমস্যা। অথচ সমস্যা ধর্ম নয়, সমস্যা হলো ধর্মকে ব্যবহার করে ক্ষমতার হিসাব কষা।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>প্রকৃত বুদ্ধিমানের পরিচয়</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 15:04:22 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/prkrt-buddhimaaner-pricyy-53e3</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/prkrt-buddhimaaner-pricyy-53e3</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F4ddf29y4yz6xq1gw6llv.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F4ddf29y4yz6xq1gw6llv.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ﴾&lt;br&gt;
কেবল তারাই উপদেশ গ্রহণ করে, যারা বোধ-বুদ্ধির অধিকারী।—সূরা রা‘দ, ১৩ : ১৯&lt;br&gt;
«الْعَاقِلُ مَنْ عَقَلَهُ عَقْلُهُ عَنْ كُلِّ مَذْمُومٍ»&lt;br&gt;
প্রকৃত বুদ্ধিমান সে-ই, যার বিবেক-বুদ্ধি তাকে সব নিন্দনীয় কাজ থেকে বিরত রাখে।—ইমাম শাফেয়ী রহ.; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ১০/৯৭ &lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি,&lt;br&gt;
যদি আমার বিবেক-বুদ্ধি আমাকে আল্লাহর কাছে নিন্দনীয় কাজ থেকে বিরত না রাখে এবং আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় কাজ করতে উৎসাহিত না করে তাহলে আমি কি আসলেই বুদ্ধিমান?&lt;/p&gt;



&lt;div class="highlight js-code-highlight"&gt;
&lt;pre class="highlight plaintext"&gt;&lt;code&gt;

&lt;/code&gt;&lt;/pre&gt;

&lt;/div&gt;

</description>
      <category>discuss</category>
      <category>learning</category>
      <category>mentalhealth</category>
    </item>
  </channel>
</rss>
