<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
  <channel>
    <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</title>
    <description>The latest articles on DEV Community by আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী (@abu-ubaydah-al-hindi).</description>
    <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi</link>
    <image>
      <url>https://media2.dev.to/dynamic/image/width=90,height=90,fit=cover,gravity=auto,format=auto/https:%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Fuser%2Fprofile_image%2F4172480%2Fde25928f-2bf9-4998-8417-6bedcd0f3d1a.jpg</url>
      <title>DEV Community: আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</title>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi</link>
    </image>
    <atom:link rel="self" type="application/rss+xml" href="https://dev.to/feed/abu-ubaydah-al-hindi"/>
    <language>en</language>
    <item>
      <title>দোয়া মুমিনের অ/স্ত্র</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 07 Nov 2026 03:09:24 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/doyyaa-muminer-astr-3ohf</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/doyyaa-muminer-astr-3ohf</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fo8a1fpw73p7ui9cyq91g.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fo8a1fpw73p7ui9cyq91g.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ﴾&lt;br&gt;
আর তোমাদের রব বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’—সূরা গাফির, ৪০ : ৬০&lt;br&gt;
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেছেন,&lt;br&gt;
الدُّعَاءُ مِنْ أَنْفَعِ الْأَدْوِيَةِ، وَهُوَ عَدُوُّ الْبَلَاءِ، يَدْفَعُهُ، وَيُعَالِجُهُ، وَيَمْنَعُ نُزُولَهُ، وَيَرْفَعُهُ، أَوْ يُخَفِّفُهُ إِذَا نَزَلَ، وَهُوَ سِلَاحُ الْمُؤْمِنِ.&lt;br&gt;
দোয়া হলো সবচেয়ে উপকারী ওষুধগুলোর একটি। দোয়া বিপদের প্রতিরোধক; বিপদ প্রতিহত করে, বিপদের মোকাবিলা করে, বিপদ নেমে আসা থেকে রক্ষা করে এবং বিপদ নেমে এলে তা দূর করে অথবা লাঘব করে। আর দোয়াই হলো মুমিনের অস্ত্র।—ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ., আদ-দাউ ওয়াদ দাওয়া, ১০&lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি,&lt;br&gt;
ছোট বড় যেকোনো বিপদে পড়লে সব কিছুর আগে আমার কি আল্লাহর কথা মনে পড়ে? আমি কি সবার আগে আল্লাহর কাছে দোয়া করি?&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 06 Nov 2026 02:09:45 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/sbceyye-kaarykr-cikisaa-2j6m</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/sbceyye-kaarykr-cikisaa-2j6m</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fu3jtgac59588rhpoxm7i.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fu3jtgac59588rhpoxm7i.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;«لَا يَرُدُّ الْقَدَرَ إِلَّا الدُّعَاءُ، وَلَا يَزِيدُ فِي الْعُمُرِ إِلَّا الْبِرُّ، وَإِنَّ الْعَبْدَ لَيُحْرَمُ الرِّزْقَ بِالذَّنْبِ يُصِيبُهُ». &lt;br&gt;
দোয়া ছাড়া অন্য কিছু তাকদীর প্রতিহত করতে পারে না, নেক আমল ছাড়া অন্য কিছু আয়ু বৃদ্ধি করতে পারে না। আর বান্দা তার কৃত গুনাহের কারণে অবশ্যই রিযিক থেকে বঞ্চিত হয়।-মুসনাদে আহমাদ: ২২৪১৩&lt;br&gt;
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেছেন,&lt;br&gt;
مِنْ أَنْفَعِ الْأَدْوِيَةِ الْإِلْحَاحُ فِي الدُّعَاءِ&lt;br&gt;
সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসাগুলোর একটি হলো, (আল্লাহর কাছে) কাকুতি-মিনতি করে দোয়া করা।-আদ-দাউ ওয়াদ দাওয়া, ১১ &lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি, &lt;br&gt;
ছোট-বড় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে আমি কি আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করে দোয়া করি?&lt;br&gt;
রিযিকের সংকট দেখা দিলে আমি কি নিজের গুনাহের কথা মনে করি এবং আন্তরিকভাবে তাওবা করি?&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>সূরা ফাতিহা শিফা লাভের এক অনন্য মাধ্যম</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 05 Nov 2026 09:09:16 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/suuraa-phaatihaa-shiphaa-laabher-ek-anny-maadhym-3p64</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/suuraa-phaatihaa-shiphaa-laabher-ek-anny-maadhym-3p64</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fj7sokf3j9v32z1kduyye.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fj7sokf3j9v32z1kduyye.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ﴾&lt;br&gt;
আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।—সূরা আল-ইসরা, ১৭ : ৮২&lt;br&gt;
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেছেন,&lt;br&gt;
لَوْ أَحْسَنَ الْعَبْدُ التَّدَاوِيَ بِالْفَاتِحَةِ، لَرَأَى لَهَا تَأْثِيرًا عَجِيبًا فِي الشِّفَاءِ. وَمَكَثْتُ بِمَكَّةَ مُدَّةً يَعْتَرِينِي أَدْوَاءٌ وَلَا أَجِدُ طَبِيبًا وَلَا دَوَاءً، فَكُنْتُ أُعَالِجُ نَفْسِي بِالْفَاتِحَةِ، فَأَرَى لَهَا تَأْثِيرًا عَجِيبًا، فَكُنْتُ أَصِفُ ذَلِكَ لِمَنْ يَشْتَكِي أَلَمًا، وَكَانَ كَثِيرٌ مِنْهُمْ يَبْرَأُ سَرِيعًا.&lt;br&gt;
বান্দা যদি সূরা ফাতিহার মাধ্যমে যথাযথভাবে শিফা লাভের চেষ্টা করত, তবে সে শিফা লাভে এর বিস্ময়কর প্রভাব দেখতে পেত। আমি মক্কায় কিছুদিন অবস্থানকালে নানা অসুস্থতায় আক্রান্ত হতাম; অথচ কোনো চিকিৎসক বা ওষুধ পেতাম না। তখন সূরা ফাতিহার মাধ্যমে নিজের চিকিৎসা করতাম এবং এর বিস্ময়কর প্রভাব দেখতে পেতাম। ব্যথায় কাতর ব্যক্তিদেরও এভাবে আমল করার পরামর্শ দিতাম; ফলে তাঁদের অনেকেই দ্রুত সুস্থ হয়ে যেতেন।—&lt;br&gt;
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ., আদ-দাউ ওয়াদ দাওয়া, ৯ &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>সীরাত থেকে শিক্ষা</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 03 Nov 2026 05:08:14 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/siiraat-theke-shikssaa-1pjp</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/siiraat-theke-shikssaa-1pjp</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fupytowfmukqra6qh99tj.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;কোনো এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাহনে সঙ্গী হলেন তাঁরই এক প্রিয় সাহাবী। আমরা মু‘আয বিন জাবাল রাযিয়াল্লাহু আনহু নামে তাকে জানি। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশাতেই তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়ে ইয়েমেন অঞ্চলের রাষ্ট্রীয় গভর্নর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।&lt;br&gt;
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে মুয়ায রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্মৃতিময় একটি ঘটনা ও তা থেকে অর্জিত শিক্ষা নিয়ে আজ আমরা কিছু কথা তুলে ধরছি। &lt;br&gt;
মুয়ায রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন:&lt;br&gt;
 “আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গাধার পিঠে তাঁরই পিছনে সহযাত্রী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলাম।&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডেকে বললেন—&lt;br&gt;
‘হে মু‘আয!’&lt;br&gt;
আমি বলে উঠলাম—&lt;br&gt;
لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ&lt;br&gt;
কিছুক্ষণ পর&lt;br&gt;
আবার বললেন—&lt;br&gt;
‘হে মু‘আয!’&lt;br&gt;
আমিও বললাম—&lt;br&gt;
لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ&lt;br&gt;
এবারও তিনি কিছু বললেন না।&lt;br&gt;
কিছুক্ষণ পর আবার বললেন—&lt;br&gt;
‘হে মু‘আয!’&lt;br&gt;
আমিও বললাম—&lt;br&gt;
لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ&lt;br&gt;
এবার তিনি না থেমে জিজ্ঞেস করলেন—&lt;br&gt;
‘তুমি জানো কি আল্লাহর হক কী তাঁর বান্দাদের উপর?’&lt;br&gt;
আমি বললাম—&lt;br&gt;
‘আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন।’&lt;br&gt;
অতঃপর তিনি ইরশাদ করলেন—&lt;br&gt;
‘বান্দাদের উপর আল্লাহর হক হলো, তারা একমাত্র তাঁর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কাউকেই কোনোভাবেই শরীক করবে না।’&lt;br&gt;
আবারও খানিকটা নীরবতায় কেটে গেল কিছুক্ষণ।&lt;br&gt;
এরপর তিনি আবারও ডাক দিয়ে বললেন—&lt;br&gt;
‘হে মু‘আয!’&lt;br&gt;
আমি বললাম—&lt;br&gt;
لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ&lt;br&gt;
এবার তিনি জিজ্ঞেস করলেন—&lt;br&gt;
‘তুমি কি জানো, আল্লাহ তায়ালা তাঁর নিজের উপর বান্দার প্রতি কী হক নির্ধারণ করেছেন, যদি তারা তাঁর হক আদায় করে, অর্থাৎ শিরকমুক্ত ইবাদত করে?’&lt;br&gt;
আমি বললাম—‘আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন।’&lt;br&gt;
তিনি জবাবে বললেন—&lt;br&gt;
‘যদি তারা আল্লাহর হক আদায় করে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা নিজের উপর অবধারিত করে নিয়েছেন যে, তাদের আযাব দেবেন না।’&lt;br&gt;
দ্রষ্টব্য ঃ সহীহ বুখারী: ৫৯৬৭; সহীহ মুসলিম: ৩০&lt;br&gt;
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর বাহন সঙ্গী মু‘আয বিন জাবাল রাযিয়াল্লাহু আনহুর মাঝে এই কথোপকথন থেকে আমাদের জন্য অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল-দ্বীনের মূল হল তাওহিদ, আল্লাহ তায়ালার শিরকমুক্ত ইবাদত। এটাই আখিরাতে মুক্তির মূল চাবিকাঠি। সকল পিতা-মাতার জন্য কর্তব্য হল সন্তানকে তাওহীদের এই শিক্ষা দিয়ে যাওয়া। সকল শিক্ষকের জন্য দায়িত্ব ছাত্রকে তাওহীদ শিখিয়ে যাওয়া। &lt;br&gt;
যে অনুপম শৈলীতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রিয় সাহাবীর সামনে তাওহীদের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সেখানেও আমাদের জন্য বহু শিক্ষা রয়েছে। এই শৈলী থেকে আমরা বুঝতে পারি-রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবাদের মাঝের সম্পর্ক ছিল অনেক অকৃত্রিম। একদিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সাহাবীদের প্রতি, সমগ্র উম্মাহর প্রতি দরদ, কল্যাণকামনা, দ্বীন শেখানোর উদ্দীপনায় ক্ষেত্রে সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ উসওয়ায়ে হাসানাহ। অন্যদিকে সাহাবারা ছিলেন অকৃত্রিম  আদাব ও শিষ্টাচারে সমৃদ্ধ এক নির্বাচিত জামায়াত। &lt;br&gt;
তাই এই যুগের দায়ী, মুজাহিদ ও আমভাবে উলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দের উচিত বিনয়ের সঙ্গে এই দ্বীনকে পৌঁছে দেওয়া, শরীয়াহ ও মানহাজের জ্ঞান বিলিয়ে দেওয়া ঐ পদ্ধতিতেই, যা ছিল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদের আদর্শ। আমাদের জন্য তো মহান আল্লাহ তায়ালা উসওয়ায়ে হাসানাহ রেখেছেন তাঁর নবীর মাঝেই। &lt;br&gt;
তিনি ইরশাদ করেন:&lt;br&gt;
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ&lt;br&gt;
“নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।”&lt;br&gt;
—সূরা আল-আহযাব, ৩৩:২১।&lt;br&gt;
দ্বিতীয়ত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে যখন কথা বলতেন, তখন তার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এক বিশেষ কথোপকথনভঙ্গিমা অবলম্বন করতেন, যাতে শ্রোতা বা সম্বোধিত ব্যক্তির মাঝে আগ্রহ জন্ম নেয়। ফলে কথাটি তার দিলে খুব গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে, যেমনটা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু‘আয বিন জাবাল রা.-এর সাথে করেছিলেন।&lt;br&gt;
এতেও রয়েছে আমাদের দায়ী সমাজের জন্য উসওয়ায়ে হাসানাহ। আমরা যখনই দাওয়াতের কাজ করবো, তখনই চেষ্টা করবো খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকেই প্রাধান্য দিতে। আর উপস্থাপন হবে খুবই স্পষ্ট ও আগ্রহ তৈরি করে এমন ভাষায়। আর যেসব শাখাগত বিষয় থেকে শুধু উম্মাহর মাঝে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়, তা থেকে বিরত থাকবো। সাধারণ সমাজের মাঝে এগুলোর তেমন আওয়াজ তুলবো না, যা উলামায়ে কেরামের অভ্যন্তরীণ মতভিন্নতামূলক বিষয়বস্তু। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাওহীদ ও আকীদার বিশুদ্ধ জ্ঞান, যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সহচর মু‘আয বিন জাবাল রা.-এর কথোপকথন থেকেও প্রকাশ্য বাক্যেই অনেক স্পষ্ট। &lt;br&gt;
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উসওয়াহ অনুসরণ করেই পুনর্গঠিত হোক এই উম্মাহ। তাওহীদ হোক সকল কিছুর মূলভিত্তি, সকল কিছুর উর্ধ্বে, সকল কিছুর অগ্রে। মুসলিমদের পারস্পরিক সম্পর্ক হোক অকৃত্রিম মুহাব্বত ও দরদে পূর্ণ। সকল শিক্ষক, দা’য়ী, ও মুবাল্লিগের হৃদয় ভরে উঠুক উম্মহর প্রতি অকৃত্তিম দরদে। আর বিনয় ও আদাবে আলোকিত হোক সকল তালিবুল ইলমের অভিযাত্রা। তাওহীদ ও একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের ভিত্তি করে উম্মাহর বিজয়ের সূচনা হোক। ইসলামের দা’য়ীগণ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুপম আদর্শ ও শৈলী  অনুসরণ করে তাওহিদের আলো ছড়িয়ে দিক সারা দুনিয়ায়।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>উত্তপ্ত পাহাড়ঃ শঙ্কিত মুসলিম অধিবাসীরা</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 02:19:09 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/uttpt-paahaarrh-shngkit-muslim-adhibaasiiraa-2544</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/uttpt-paahaarrh-shngkit-muslim-adhibaasiiraa-2544</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fw0npd12xlmvhu6fra02s.jpg" alt=" " width="800" height="450"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;খাগড়াছড়িতে এক মারমা তরুনীর ধ-র্ষ/ণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়। অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ শে সেপ্টেম্বর শয়ন শীল সহ পাঁচ জন মিলে এক মারমা কিশোরীকে ধ-র্ষ/ণ করেছে। পরে পুলিশ শয়ন শীলকে গ্রেফতার করে এবং বাকিদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কিন্তু তা সত্ত্বেও ইউপিডিএফ সহ অন্যন্য উ&amp;amp;গ্রবাদী সংগঠনগুলো পাহাড়ীদের নিয়ে বাঙালীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের কর্মীরা দাঙ্গা-হাঙ্গামা শুরু করে। মসজিদে হ|ম'লা, বাঙালী গ্রামে অ&lt;em&gt;গ্নিসংযোগ, লুটপাট, ভাঙচুর, সাধারণ মানুষের উপর গু&lt;/em&gt;লি, অ্যাম্বুলেন্সে আ/ক্র'মণ এবং রাস্তা অবরোধসহ বিভিন্ন ধরণের নাশকতা চালায়। অবস্থা বিচারে জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ খাগড়াছড়ি ও গুইমারা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হল, এই ঘটনায় উপজাতি স/ন্ত্র|সীরা পরিপূর্ণ দোষী হওয়া সত্ত্বেও চিহ্নিত কিছু মিডিয়া এবং রাম বাম সবাই স/ন্ত্র|সীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বাঙালী অধিবাসীদের সেটেলার বলার দুঃসাহস দেখিয়েছে এবং সম্পূর্ণ দোষ বাঙালীদের ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করেছে।
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  পাহাড়ে ইউপিডিএফ, জেএসএস, কেএনএফ সহ অনেকগুলো সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও খ্রিস্টান মিশনারীদের সহায়তায় স/ন্ত্র|সী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরা পুরো পাহাড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। বিশেষত বাঙালী ও মুসলিমদের জন্য এক আতংকের নাম এই স/ন্ত্র|সীরা। নিয়মিত তাদেরকে চাঁদা দিতে হয়, না হলে চলে নির্মম নি-র্য|তন। ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে লু"টপাট অ&lt;em&gt;গ্নি সংযোগ সেখানকার নিয়মিত ঘটনা। অনেক সময় চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে খু&lt;/em&gt;*ন পর্যন্ত করা হয়।
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  পাহাড়ে শঙ্কায় মুসলিমরা-
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;উপজাতি স/ন্ত্র|সীরা ভ|র'ত ও মিশনারীদের সহায়তায় কয়েক বছর ধরে স/ন্ত্র|সী কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। পাহাড়ে উপজাতিদের জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হওয়া বৈধ হলেও মুসলিম হওয়া নিষিদ্ধ। কেউ হিদায়াতের দিশা পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করলে তাঁর জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ নি-র্য|তন। শুধু ঐ মুসলিমকেই টার্গেট করা হয়না, তাঁর পরিবারকেও টার্গেট করা হয়। তাদেরকেও সইতে হয় অসহনীয় নি-র্য|তন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই তো কয়েক বছর আগেও এমন একটা ঘটনা সামনে এসেছিল। যেই ঘটনা পাহাড়ের মুসলিমদের নিরাপত্তাহীনতার অবস্থা সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল।&lt;br&gt;
বান্দরবনের রোয়াংছড়িতে ইসলাম গ্রহণের অপরাধে(!) ওমর ফারুক ত্রিপুরা নামে এক নও নওমুসলিমকে সন্তু লারমার সংগঠন জনসংহতি সমিতির সদস্যরা গু&amp;amp;লি করে হ=ত্যা করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি ২০১৪ সালে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পর অন্যদেরকেও ইসলামের দিকে ডাকতে শুরু করেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে ৩২টি ত্রিপুরা পরিবারের প্রায় ১৫০ জন ইসলাম গ্রহণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্তু লারমার জেএসএস স/ন্ত্র|সীরা তাঁকে ইসলাম ত্যা'গ করার হুঁশিয়ারি দেয়, না হলে হ=ত্যার হুমকি দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কিন্তু যেই হৃদয়ে একবার ওহীর আলো প্রবেশ করে তা কি কখনো হুমকি ধমকিতে থেমে যেতে পারে? তিনিও মৃত্যুর ভয়ে ইসলাম ছেড়ে দেননি। ফলে উ&amp;amp;গ্র স/ন্ত্র|সীরা ১৮ জুন ২০২১ তাঁকে ঘর থেকে বের করে বাড়ির উঠোনে নিয়ে গু&amp;amp;লি করে শহীদ করে দেয়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;এই স/ন্ত্র|সীরা পাহাড়কে বাঙালী ও মুসলিম শূণ্য করে ভ|র'তের অঙ্গরাজ্য বানাতে চায়। এই লক্ষ্যে তারা অনেক দিন ধরে বিভিন্ন ধরণের স/ন্ত্র|সী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, ভ|র'ত ও খ্রিস্টান মিশনারীরা তাদেরকে নিয়মিত অস্ত্র অর্থ দিয়ে সহায়তা করছে। তারা দাবী করছে তারা নাকি আদিবাসী আর বাঙালী ও মুসলিমরা সেটেলার। কথিত প্রগতিশীল সুশীলরাও স/ন্ত্র|সীদের সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলছে, বিবৃতি দিচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কিন্তু ইতিহাস বলে- পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রাচীন কাল থেকেই মুসলিম সালতানাতের অংশ ছিল, এই ভূমি মুসলিমদের ভূমি। উপজাতিরা কয়েকশ বছর আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে নির্যাতিত হয়ে বা লোভে পড়ে এখানে এসে বসতি গড়েছে। তাই বাঙালী ও মুসলিমরাই এখানকার আদি নিবাসী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আমরা দেশের আপামর তাওহীদি জনতাকে আহবান করছি আপনারা চোখ কান খোলা রাখুন। যারা স/ন্ত্র|সীদের সুরে কথা বলছে তাদের ব্যাপারে সতর্ক হোন। ষড়/যন্ত্রকারীরা যেন এই ভূখন্ডকে বিচ্ছিন্ন করে খ্রিস্টান রা'ষ্ট্র বা ভ|র'তের অ:ঙ্গরাজ্য বানাতে না পারে সেই ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখুন। আমরা যদি সজাগ থাকি এবং ইদ'দাদ ও জি/হ|দের পথ অবলম্বন করি তাহলে খৃষ্টবাদী ও হি**ন্দুত্ববাদী কোনো ষড়/যন্ত্র সফল হবেনা ইনশাআল্লাহ।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>হারাম দৃষ্টির ভয়াবহতা</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 04:03:39 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/haaraam-drssttir-bhyyaabhtaa-434m</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/haaraam-drssttir-bhyyaabhtaa-434m</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F4dln74nlllhtkljnb2te.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F4dln74nlllhtkljnb2te.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ﴾&lt;br&gt;
মুমিনদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র।—সূরা নূর, ২৪ : ৩০&lt;br&gt;
عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي وَأَسْنَدَهُ قَالَ: «لَرُبَّ نَظْرَةٍ لَأَنْ تَلْقَى الْأَسَدَ، فَيَأْكُلَكَ خَيْرٌ لَكَ مِنْهَا»&lt;br&gt;
হাম্মাদ ইবনে যায়েদ রহ. বলেন, আমি আমার পিতার কাছ থেকে শুনেছি—তিনি বলেন, অনেক সময় কোনো একটি কুদৃষ্টি এমন হয় যে, তার চেয়ে সিংহের মুখোমুখি হয়ে সিংহের শিকার হওয়াই তোমার জন্য ভালো।—ইবনে আবিদ দুনইয়া রহ.; কিতাবুয যুহদ, ৬৩&lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি,&lt;br&gt;
চোখের হেফাজতের ব্যাপারে আমি কতটুকু সচেতন? &lt;br&gt;
কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে আমি কি সত্যিই সতর্ক আছি?&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>ত|লেব|নরা কি নারী শিক্ষার বিরোধী?</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 02:22:28 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/tlebnraa-ki-naarii-shikssaar-birodhii-177n</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/tlebnraa-ki-naarii-shikssaar-birodhii-177n</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Flpciy2v8dkkcqusk3ff7.jpg" alt=" " width="770" height="513"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;(এই লেখাটি ত|লিব|নের অফিসিয়াল আরবী ম্যাগাজিন "আস সমুদ" এ প্রকাশিত "আদ-দা'আয়িমুল আসাসিয়্যাহ লি-ফিকরি ত্বলিবান" তথা "ত|লিব|নের চিন্তাধারার মৌলিক ভিত্তি" প্রবন্ধসিরিজ থেকে একটি প্রবন্ধের পরিমার্জিত রূপ)&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
মিডিয়ার ধারাবাহিক প্রো^প|গান্ডার ফলে দুনিয়ার অনেক মানুষ ত|লিব|নদেরকে নারীশিক্ষা এবং নারীবিরোধী বলে ভাবতে শুরু করেছেন। এমনকি মু^সলিমদের একটি বিরাট অংশও ত|লিব|নদেরকে কা^ফিরদের দৃষ্টিতে দেখে থাকে। প&lt;em&gt;শ্চিমা কা^ফিরদের নারী অধিকার, নারী উন্নয়ন ইত্যাদি চটকদার স্লোগানের আড়ালে থাকা কুৎসিত ও অপবিত্র দৃশ্য সাধারণ মানুষের সামনে স্পষ্ট না থাকায়, অনেকে তাদের মিডিয়া প্রো^প|গান্ডার তীব্রতায় প্রভাবিত হয়ে, প&lt;/em&gt;শ্চিমাদের তৈরি করে দেওয়া ভাষ্যকেই নিজেদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড বানিয়ে নিয়েছে।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
ফলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প&lt;em&gt;শ্চিমারা যে ভাষায় কথা বলছে, মু^সলিম সন্তানেরাও একই ভাষা ব্যবহার করছে। অনেকে আবার ত|লিব|নদের নারীশিক্ষা এবং চাকুরী বিষয়ক সিদ্ধান্তগুলোকে সরাসরি নারী বিরোধী না ভাবলেও পুরোপুরি ভাল চোখেও দেখছেন না। ত|লিব|নদের নারী বিষয়ক সিদ্ধান্তসমূহ নিয়ে জনমনে বিরাজ করা বিভিন্ন ভুল ধারণা দূর করে সঠিক বিষয় সবার সামনে তুলে ধরার জন্যই আজকের এই লেখা।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
ত|লিব|নদের দৃষ্টিতে নারীরা হচ্ছেন সম্মানিতা মা, আদরের বোন, স্নেহের কন্যা অথবা আনুগত্যশীলা স্ত্রী। মোটকথা নারী যে রূপেই থাকুক সে সম্মানের পাত্র। ত|লে^ব|নরা মনে করে, পুরুষরা হল নারীদের সেবক। পুরুষ বাইরে কষ্ট করবে,ঘাম ঝরাবে, উপার্জন করবে আর নারী রানীর মত ঘরে থাকবে।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
প&lt;/em&gt;শ্চিমাগোষ্ঠী নারী পুরুষকে এক করে দেখাতে চাইলেও বাস্তবে নারী পুরুষের গঠন, স্বভাব, প্রকৃতি কখনোই এক নয়। নারীকে আল্লাহ তাআলা বাহিরের কাজের জন্য সৃষ্টি করেননি। তারা বাহিরের কষ্টকর ভারী ভারী কাজ আঞ্জাম দিতে সক্ষম নয়। এই কারণেই ইসলামী শরিয়ত পুরুষদেরকে নারীদের অভিভাবক বানিয়েছে। তাদের ভরন-পোষণ, খাবার-দাবার, পোশাক-আশাকের জিম্মাদারি পুরুষদের উপর দিয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষরা হলো নারীর ইজ্জত-আবরুর হেফাজতের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কিন্তু প&lt;em&gt;শ্চিমা বস্তুবাদী সমাজ ইসলামের এই ব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করার ব্যাপক অপপ্রয়াস চালাতে দ্বিধা করেনি। তাদের ভ্রান্তনীতির কারণে আজ পুরো ইউরোপে পরিবার এবং সমাজব্যাবস্থা ভেঙ্গে গেছে, মা তার সন্তানকে চেনেনা, সন্তান তার মাকে চেনেনা। বাবার সাথে সন্তানের পরিচয় নেই, ভাইয়ের সাথে বোনের সম্পর্ক নেই।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
অবাধ যৌ&lt;/em&gt;নতা এবং বিকৃত মানসিকতার কারণে তাদের পুরো সমাজ জ্বলন্ত অঙ্গারে পরিণত হয়েছে। একটু বয়স হলেই ঠাই হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে, যেখানে নেই পরিবার, নেই পরিজন, যেন বা এক ভয়ংকর আজাবের জীবন!!&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এতকিছুর পরও তারা ইসলামী জীবনব্যাবস্থাকে মেনে নেয়নি কারণ, এতে তাদের কুপ্রবৃত্তির খাহেশ পূরণ করার এবং অন্যায় অনাচার চালিয়ে যাওয়ার অবাধ স্বাধীনতা থাকবেনা।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
ত|লিব|নরা কেন নারীদের উচ্চশিক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯২৬ সালে আ ফ গা নের বাদশাহ নিযুক্ত হয় আমানুল্লাহ খান। সে ছিল পাশ্চাত্যের প্রভাবে প্রভাবিত। একবার ছয় মাসের জন্য পশ্চিমে গিয়ে নির্লজ্জতা বেহায়াপনার শিক্ষা অর্জন করে আসে এবং নিজ দেশে তা প্রয়োগ করে। আ ফ গা নি স্তানে খোলামেলা পো&lt;em&gt;শাক পরিধানের প্রচলন সেই শুরু করে সর্বপ্রথম। তার পতনের পর ফ্রা/ন্সে দীক্ষিত কথিত মুক্তমনা জহির শাহ ক্ষমতায় আরোহন করে। সে সমাজের সর্বত্র বে&lt;/em&gt;হায়াপনাকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সহশিক্ষ|র প্রচলন এবং নারী পুরুষের অ&lt;em&gt;বাধ বিচরণ। জহির শাহের পর ক্ষমতায় আসে তার চাচাতো ভাই দাউদ এরপর শুরু হয় কমি^উনিষ্টদের ন|স্তিক্যবাদী শাসন। কমি^উনিষ্ট শাসনে নির্লজ্জতা এবং বেহায়াপনা আরো ব্যাপকতা পায়। পরবর্তীতে রব্বানীর নেতৃত্বে সাবেক যো&lt;/em&gt;দ্ধারা ক্ষমতায় আরোহন করলেও এর বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়নি বরং নিজেদের মাঝে মারামারি কাটাকাটিতেই ব্যাস্ত সময় কাটে তাদের। এসময় গৃহযু&lt;em&gt;দ্ধের কারণে অনেকেই প&lt;/em&gt;শ্চিমা দেশ সমূহে আশ্রয় নেয়। আশ্রয় নেয়া লোকদের শিক্ষা সংস্কৃতি ধ্বংস করার জন্য খুব সহজেই লুফে নেয় প&lt;em&gt;শ্চিমারা। শুরু হয় নির্লজ্জতা এবং বেহায়াপনা ছড়িয়ে দেয়ার নতুন মিশন। এভাবে তারা আ ফ গা ন যুব সমাজের মাঝে ব্যাপকভাবে বেহায়াপনা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এরপর ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সালে অনেক ত্যাগ কোরবানীর পর ক্ষমতায় আসে ত|লেব|ন। ত|লে^ব|নরা ক্ষমতায় এসেই সমাজ এবং রা&lt;/em&gt;ষ্ট্রে বিদ্যমান নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয় দূর করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে, এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতাও লাভ করে। কিন্তু এই সফলতা প&lt;em&gt;শ্চিমাদের চোখের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। তারা অজুহাত খুঁজতে থাকে কিভাবে আ ফ গা নে হা&lt;/em&gt;মলা করে মানবজাতির মালিকের পক্ষ হতে দেয়া ইনসাফপূর্ণ শ'রীয়া শাসনকে ধ্বংস করা যায়। কিভাবে বিদ্যমান ইসলামী সমাজ সাস্কৃতিকে ধ্বংস করে তদস্থলে প&lt;em&gt;শ্চিমা নোংর|মি এবং অসভ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। ন|ইন ই&lt;/em&gt;লে/ভেনের হা&lt;em&gt;মলার পর তারা এটিকে অজুহাত বানিয়ে হা&lt;/em&gt;মলা চালায়। অবশ্য ন|ইন ই&lt;em&gt;লে/ভেন না হলেও তারা ভিন্ন কোন মিথ্যা অজুহাতে হা&lt;/em&gt;মলা অবশ্যই করতো। যেমনটা করেছিল ইরাকে, ব্যাপক বিধ্বংসী অ&lt;em&gt;স্ত্র মজুদ থাকার মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আ ফ গা নি স্তানে শুরু হয় স|ম্র|জ্যবাদী আ/মে"রিকা এবং তার মিত্র রা&lt;/em&gt;ষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত আক্রমন। এই আক্রমণের উদ্দেশ্য কখনোই উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহকে বন্দি করার মাঝে সীমাবদ্ধ ছিলোনা। বরং এর মূল উদ্দেশ্য ছিলো ইসলাম ও মুসলমানদেরকে শেষ করা এবং ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে এর স্থলে প*শ্চিমা নোংরামী ও বেহায়াপনাকে প্রতিষ্ঠিত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তারা কতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১। নারী অধিকারের নামে নারীদেরকে ঘর থেকে বের করে আনা এবং ব্যাক্তি স্বাধীনতার নামে তাদেরকে পর্দা বর্জনে উৎসাহিত করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২। আমার দেহ আমার চয়েসের শ্লোগান তুলে নারী পুরুষের অ&lt;em&gt;বাধ যৌ&lt;/em&gt;নতার পথ খুলে দেয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩। নারী বিষয়ক মন্ত্রনালয় নামে স্বতন্ত্র একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা, এর লক্ষ্য ছিলো পাশ্চাত্যের অশ্লীলতা এবং বেহায়াপনা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের আলোকে কিছু নীতির অনুসরণ করে নারীদেরকে নষ্ট করে দেয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪। নারী পুরুষের অ&lt;em&gt;বাধ মেলামেশা নিশ্চিত করা। এর জন্য রাজনীতি, শিক্ষা, ব্যাবসা, খেলাধুলা, বিনোদন সহ সর্বত্র নারী পুরুষের অ&lt;/em&gt;বাধ মেলামেশা নিশ্চিত করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৫। যিনা ব্যাভিচারকে ব্যাপকতা দান করা। এর জন্য জায়গায় জায়গায় নাইট ক্লাব এবং প^তিত|লয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এসব প^তিত|লয়ে ইউরোপ আ/মে"রিকা, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া সহ বিভিন্ন স্থান হতে প^তিত|দের আমদানি করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৬। অশ্লীলতা ছড়ানোর লক্ষ্যে অধিক হারে টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশন প্রতিষ্টা করা। শুধুমাত্র কাবুল শহরেই বিশের অধিক টিভি চ্যানেলের স্টুডিও বানানো হয়েছিল এবং দুইশোর অধিক রেডিও স্টেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এসব চ্যানেলে এত বেশি অশ্লীলতা বেহায়াপনা এবং নোংরা নাটক সিনেমা গান প্রচার করা হতো যে, তা দেখে আ ফ গা ন সেকুলাররাও লজ্জা পেতো। ফলে তারা এসব বন্ধের আবেদন জানিয়েছিলো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৭। এইডস প্রতিরোধের নামে ব্যাপকহারে জন্মবিরতিকরণ সরঞ্জাম বিতরণ করা। এর উদ্দেশ্য ছিলো সর্বত্র ব্যাপকভাবে যিনা ব্যাভিচার ছড়িয়ে দেয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৮। সহশিক্ষার নামে ছেলে মেয়েদের লাজ লজ্জা এবং গায়রতকে ধ্বংস করে দেয়া। এর জন্য শিক্ষা কারিকুলামও এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যার মাধ্যমে মু^সলিমদের মাঝে ঈমানী অনুভূতি নষ্ট করে পাশ্চাত্যের নোংরা মানসিকতা শিক্ষার্থীদের মনে ঢুকিয়ে দেয়া যায়।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এমন আরো অনেকগুলো পদক্ষেপ তারা নিয়েছিল মু^সলিমদের ঈমান আমলকে নষ্ট করার জন্য। কারণ তারা জানে প্রকৃত ঈমানদার আগুনে নিক্ষিপ্ত হলেও গাইরুল্লাহর সামনে মাথানত করবেনা । প্রকৃত ঈমানদার কখনো হেকমত মাসলাহাতের দোহাই দিয়ে তাগুতের আনুগত্যকে মেনে নেবেনা এবং মানবরচিত আইন সংবিধানকে স্বীকৃতি দেবেনা। তারা জানে একজন গায়রত সম্পন্ন মুমিনা নারী জীবন গেলেও অশ্লীলতাকে অনুমোদন দেবেনা এবং নারীবাদের মত নিকৃষ্ট মতবাদ গ্রহণ করবেনা। তারা জানে আ ফ গা নে যে এখনো অকুতোভয় বীর মুজাহিদ জন্ম নিচ্ছে এর কারণ হলো এখানে এখনো ঈমানী গায়রত সম্পন্ন লজ্জাশীল নারীরা বিদ্যমান আছে। যদি অশ্লীলতা এবং বেহায়াপনার মাধ্যমে তাদের ঈমান এবং হায়া লজ্জাকে নষ্ট করে দেয়া যায় তাহলে তাদের নষ্ট পেট থেকে তাগুতের মস্তক চূর্ণকারী ঈমানদার মুজাহিদ তৈরি হবেনা।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এসব উদ্দেশ্যেই তারা আ ফ গা নে হা*মলা করেছিল এবং ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যায় করেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরবর্তীতে ত|লে^ব|নরা যখন ক্ষমতা লাভ করে তখন তারা ক্রু/সেড|রদের এসকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১। নারীদের শিক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং আলাদা ভবন ও ক্যাম্পাস তৈরি করা। তাদের জন্য উপযোগী এবং উপকারী শিক্ষা কারিকুলাম প্রস্তুত করে সে অনুযায়ী পাঠ দান করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;"ত|লিব|ন নারী শিক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে" এমন প্রচারণা সঠিক নয়। বরং ত|লিব|ন নারীদের জন্য মাদরাসায় পড়াশোনার ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু রেখেছে এবং ক্রমাগত আরো সম্প্রসারিত করে চলেছে। আর জেনারেল শিক্ষার ক্ষেত্রেও নারীদের জন্য প্রয়োজন অনুপাতে উপকারী সাবজেক্টগুলোতে দ্বীনদারীর পরিবেশ ঠিক রেখে পড়াশোনার সুযোগ তৈরী করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যেমন, মেডিকেল কলেজগুলোতে নারী চিকিৎসক তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে।&lt;br&gt;
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রজেক্টের অধীনে সকল নারীকে আনা সম্ভব নয়, না এর সক্ষমতা রয়েছে বর্তমান ত|লিব|ন সরকারের হাতে, আর না এর আবশ্যকীয়তা আছে শরীয়তের দৃষ্টিতে...।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হ্যা, ত|লিব|ন সরকার ক্ষমতায় এসে পূর্বের সেক্যুলারিজম-ফেমিনিজম প্রভাবিত নারীশিক্ষার সিলেবাস বাতিল করেছে, সেক্যুলার সরকারের আমলে প্রচলিত সহশিক্ষার ব্যবস্থা বাতিল করেছে, দ্বীনবিরোধী পরিবেশে নারীদের পড়াশোনার প্রচলন বন্ধ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২। নারীদেরকে বাহিরের কষ্টকর এবং লাঞ্ছনাকর কাজকর্ম থেকে বের করে এনে আপন নীড়ে সম্মানজনক ভরনপোষনের ব্যাবস্থা করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩। নারী পুরুষ সবার মাঝে লজ্জাশীলতার বোধকে জাগ্রত করা এবং সবাইকে পর্দার বিধান মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪। অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করার লক্ষ্যে এবং মানুষের মাঝে অপরাধ প্রবণতা কমানোর উদ্দেশ্যে মানবরচিত ব্যার্থ আইনে বিচারের পরিবর্তে আল্লাহ প্রদত্ত আইনে বিচার প্রতিষ্ঠা করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৫। মানুষের মাঝে দ্বীনি সচেতনতা এবং নৈতিকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ বিষয়ক আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৬। সন্দেহজনক প*শ্চিমা প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এবং তাদের কাজের উপর নজরদারি করা, ইত্যাদি।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
উপরের আলোচনা থেকে যে বিষয়টা প্রমাণিত হয় তা হলো, ত|লে^ব|নরা নারীবিরোধী সরকার নয় বরং নারীবান্ধব সরকার। তারা নারীদেরকে দোকান বা রেস্তোরার কর্মচারী বানাতে চায়না, তারা চায় নারীদের ঘরের রাণী বানাতে। আল্লাহ তাআলা যেন তাদের দুর্বলতাগুলো দূর করে দেন এবং আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তাওফিক দান করেন। আমীন।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>পাঠ্যপুস্তকে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অশ্লীলতার প্রচারঃ এখনই সময় রুখে দাঁড়ানোর...</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 02:06:26 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/paatthypustke-o-praathmik-bidyaalyye-ashliiltaar-prcaarh-ekhni-smyy-rukhe-daanrraanor-4678</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/paatthypustke-o-praathmik-bidyaalyye-ashliiltaar-prcaarh-ekhni-smyy-rukhe-daanrraanor-4678</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Frtgzyq90qd1jxqica4y3.jpg" alt=" " width="800" height="452"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। মেরুদণ্ড ঠিক থাকলে যেমন একটি প্রাণী সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তেমনি সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে একটি জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু যদি মেরুদণ্ড পরিচর্যার দায়িত্ব মেরুদণ্ডহীন সাম্রাজ্যবাদের দালালদের হাতে ন্যাস্ত থাকে তাহলে সেই জাতির ভবিষ্যত যে অন্ধকার তা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি শিক্ষাব্যাবস্থার যে বিষয়গুলো সামনে এসেছে তা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য শুধু লজ্জারই নয় ভয়েরও। তারা চাচ্ছে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে, যারা হবে নির্লজ্জ, যাদের থাকবেনা কোন ধরণের যোগ্যতা, থাকবেনা ভাল মন্দ নির্ণয়ের কোন জ্ঞান। তারা চায় এমন এক প্রজন্ম, যারা ক্ষমতাশীল ও সাম্রাজ্যবাদীদের আদর্শিক গোলাম হবে। যাদের কোন নীতি ও নৈতিকতা থাকবেনা। যারা নামে মুসলিম হলেও চিন্তা চেতনায় হবে সে/ক্যুলার, লি'ব|রেল, কিংবা হি*ন্দু/ত্বব|দী। এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। যেন তাদের অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার পথে বাধা হয়ে দাড়ানোর মত কেউ না থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একই ঘটনার পূনরাবৃত্তি কী বার্তা দেয়?&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবছরই দেখছি কিছু কিছু বিতর্কিত বিষয় পাঠ্যপুস্তকে স্থান দেয়া হচ্ছে। পরে আবার চাপের মুখে সরিয়েও নেয়া হচ্ছে। কোমলমতি শি*শুদের মনে শিরক ও মু^র্তিপু"জার বীজ বপনের উদ্দেশ্যে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ‘লালু’ গল্প এবং অষ্টম শ্রেণির বইয়ে ‘রামায়ণের সংক্ষিপ্ত রূপ’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আলেম ওলামার দাবীর মুখে এসব সরিয়ে ফেলা হয়। এর কিছুদিন পর পাঠ্যপুস্তকে বানরতত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে আবার দাবীর মুখে সরিয়ে ফেলা হয়। এরপর ট্রা/ন্স"জেন্ড|রবাদ, ছেলে মেয়েদের গোপন বিষয়, শারিরীক সম্পর্ক ও ইন্টরফেইথ রিলেশনের পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এখন আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে, ট্রা/ন্স"জেন্ড|র শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বারবার একই ধরণের ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটানোর মাধ্যমে মূলত তারা আমাদের ঈমানী অনুভূতি ভোঁতা করে দিতে চায়। আমরা একবার প্রতিবাদ করবো, দুইবার করবো, তিনবার করবো, এরপর প্রতিবাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবো। একটা সময় প্রতিবাদ করার মত আর কেউ থাকবেনা। সেসময় যা খুশি তাই করতে পারবে তারা। এভাবেই তারা তাদের মিশনে সাকসেস হতে চায়। কিন্তু তাদের এই উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়া যাবেনা, প্রতিবাদ প্রতিরোধ বন্ধ করা যাবেনা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আমাদের করণীয়ঃ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আমাদের বর্তমান রা&amp;amp;ষ্ট্রব্যবস্থার সাথে জা-হি/লী যুগের খুব বেশি ব্যাবধান খুঁজে পাওয়া যাবেনা। বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বর্তমান রা&amp;amp;&amp;amp;ষ্ট্রব্যবস্থা ও জা-হে/লী মতবাদগুলো আরো বেশি নিকৃষ্ট। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন আল্লাহর আদেশে মানবজাতিকে জাহিলিয়াত থেকে মুক্তি দেয়ার ইচ্ছা করেছিলেন তখন তিনি শুধু প্রতিবাদ ও বিরোধিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। আবু জাহেলদের জা-হি/লী রা&amp;amp;ষ্ট্রব্যবস্থাকেই উৎখাত করার পরিকল্পনা নিয়ে সামনে অগ্রসর হয়েছিলেন। আমরাও যদি এসকল সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই তাহলে আমাদের জন্য এর কোন বিকল্প নেই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেই পথ ও পন্থার অনুসরণ করে জা-হি/লী ব্যাবস্থাকে উৎখাত করেছিলেন আমাদেরও সেই পথেই অগ্রসর হতে হবে। ভিন্ন পথ ও পদ্ধতি আমাদের সফলতা এনে দিতে পারবেনা। ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহর বিখ্যাত একটি উক্তি উল্লেখ করে আলোচনার ইতি টানছি। তিনি বলেছিলেনঃ 'এই উম্মতের শেষভাগের সফলতা সেই পথেই যেই পথে প্রথমভাগ সফল হয়েছিল। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>খাদ্য অপচয়: মুহাসাবা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ঈমানের দাবি</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 01:46:25 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/khaady-apcy-muhaasaabaa-o-pryyojniiyy-pdkssep-grhnn-iimaaner-daabi-405n</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/khaady-apcy-muhaasaabaa-o-pryyojniiyy-pdkssep-grhnn-iimaaner-daabi-405n</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fjcjlytz37coco79j6dki.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;জাতিসংঘের হিসাবে, ২০২২ সালে ভোক্তাদের জন্য থাকা খাবারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নষ্ট হয়েছে, মোট ১০৫ কোটি টন। এর ৬০ শতাংশই এসেছে ঘরের রান্নাঘর থেকে। &lt;br&gt;
প্রতি মানুষের হিসাবে বছরে গড়ে ১৩২ কেজি খাবার নষ্ট হয়; এর মধ্যে প্রায় ৭৯ কেজি ঘরেই ফেলে দেওয়া হয়। সংখ্যাগুলো শুনলে অনেক বড় কোন বৈশ্বিক সমস্যা মনে হতে পারে, কিন্তু একটু নিজের রান্নাঘরের দিকে একটু তাকান: ফ্রিজের কোণে পড়ে থাকা সবজি, ভুলে যাওয়া ফল, কিংবা “পরে খাব” বলে রেখে দেওয়া খাবার - এসবই সেই বড় হিসাবের ছোট ছোট অংশ।&lt;br&gt;
কখনও বাজারে গিয়ে মনে হয়, “এটা নিলে ক্ষতি কী?” কখনও রান্না হয় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি, কখনও অফার দেখে কিনে আনা জিনিস ব্যস্ততার মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। কাউকে দোষ দেওয়ার জন্য বলছি না। এমন ঘটনা আমাদের অনেকের জীবনেই ঘটে। কিন্তু অভ্যাসটা চোখে পড়লেই বদলানোর সুযোগ তৈরি হয়।&lt;br&gt;
দেশভেদেও খাবার নষ্টের হিসাব আলাদা। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জাতিসংঘের হিসাব উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মালদ্বীপে মাথাপিছু বছরে প্রায় ২৬০ কেজি খাবার নষ্ট হয়, বিশ্ব গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। আবহাওয়া, খাবার সংরক্ষণের সুযোগ, তাজা খাবারের ব্যবহার আর দৈনন্দিন অভ্যাস - সবই এর সঙ্গে জড়িত। তাই “ওরা বেশি নষ্ট করে” বলে থেমে গেলে হবে না। প্রশ্নটা হলো, আমাদের নিজেদের হাতে কী আছে?&lt;br&gt;
২০২৫ সালে আনুমানিক ৬৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার্ত ছিল, আল জাজিরার প্রতিবেদনে জাতিসংঘের হিসাবের ভিত্তিতে এই সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। খাবার নষ্ট হলেই সেটি সরাসরি ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এমন সরল সমীকরণ নেই। কিন্তু তাই বলে খাবার অকারণে ফেলে দেওয়া যে কোন বুদ্ধিমানের কাজ নয়, সেটা বুঝতে আলাদা কোনো হিসাব লাগে না।&lt;br&gt;
তাহলে শুরুটা কোথা থেকে? নিজের ঘরের কয়েকটি সহজ অভ্যাস দিয়ে:&lt;br&gt;
বাজারে যাওয়ার আগে ফ্রিজটা দেখুন।&lt;br&gt;
কী রান্না হবে, মোটামুটি ভেবে নিন।&lt;br&gt;
যতটুকু খেতে পারবেন, প্রথমে ততটুকুই প্লেটে নিন। দরকার হলে পরে আবার নিন।&lt;br&gt;
বেঁচে যাওয়া খাবারকে “উচ্ছিষ্ট” না ভেবে পরের বেলার উপকরণ ভাবুন।&lt;br&gt;
পুরোনো খাবার সামনে রাখুন, নতুনটা পেছনে যাতে আগে কোনটা খেতে হবে চোখে পড়ে। &lt;br&gt;
আর ঘরের অপচয় কমানোর পাশাপাশি আমরা চাইলে ক্ষুধার্ত মানুষের পাশেও দাঁড়াতে পারি। শুরু করা যায় একটা সহজ, ছোট কিন্তু প্রভাব-বিস্তারকারী সামাজিক উদ্যোগ দিয়ে:&lt;br&gt;
One Day, Feed One&lt;br&gt;
প্রতি সপ্তাহে একজন অভাবী বা ক্ষুধার্ত মানুষকে একবেলা খাওয়াই। আলাদা বড় বাজেটের দরকার নেই, নিজের বিদ্যমান খাবার পরিকল্পনা বা সাপ্তাহিক বাজেটের মধ্যে সামান্য জায়গা রাখলেই শুরু করা সম্ভব। কাউকে চাপ দেওয়া নয়; যার যতটুকু সামর্থ্য, সে ততটুকু অংশ নেবে।&lt;br&gt;
ধরা যাক, প্রতি শুক্রবার স্থানীয়ভাবে ৫০ জন মানুষ মিলে ৫০ প্যাকেট খাবারের ব্যবস্থা করলেন। একজন একজন করে দায়িত্ব নিলে আয়োজনটা বাস্তবসম্মত হতে পারে: কেউ খাবার দেবেন, কেউ রান্নায় সাহায্য করবেন, কেউ পরিবেশন করবেন। আর যারা খাবার গ্রহণ করছেন, তাদের মর্যাদা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করব, সাহায্যকে প্রচারের উপকরণ বানাব না।&lt;br&gt;
পরেরবার প্লেটে খাবার নেওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: “এটা কি সত্যিই খাব, নাকি শেষে ফেলে দেব?” আর সপ্তাহের পরিকল্পনায় ভাবুন: “একজনের জন্য একটা খাবার কি রাখা যায়?”&lt;br&gt;
সবাইকে নিখুঁত হতে হবে না। শুধু একটু কম অপচয়, একটু সচেতন পরিকল্পনা, আর সামর্থ্য অনুযায়ী একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো - এই তিনটিই পরিবর্তনের শুরু হতে পারে।&lt;br&gt;
কম নষ্ট করি। একজনকে খাওয়াই। প্রতি সপ্তাহে একসঙ্গে। &lt;br&gt;
সুন্দর একটি হাদিস দিয়ে শেষ করছি - &lt;br&gt;
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ইসলামের কোন কাজটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, "তুমি (মানুষকে) খাদ্য খাওয়াবে, এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।"&lt;br&gt;
— সহিহ আল বুখারি &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদের মোহে পড়বেন না</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 01:57:41 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/pryyojner-atirikt-smpder-mohe-prrben-naa-2e81</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/pryyojner-atirikt-smpder-mohe-prrben-naa-2e81</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F1w9ga250gl1b2nvw0bh6.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F1w9ga250gl1b2nvw0bh6.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;﴿بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ۝ وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ﴾&lt;br&gt;
বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দাও, অথচ আখিরাত অধিক উত্তম ও অধিক স্থায়ী।—সূরা আল-আ‘লা, ৮৭ : ১৬–১৭&lt;br&gt;
الْمَالُ دَاءُ هَذِهِ الْأُمَّةِ، وَالْعَالِمُ طَبِيبُ هَذِهِ الْأُمَّةِ، فَإِذَا جَرَّ الْعَالِمُ الدَّاءَ إِلَى نَفْسِهِ، فَمَتَى يُبْرِئُ النَّاسَ؟&lt;br&gt;
(প্রয়োজনের অতিরিক্ত) সম্পদ এই উম্মতের রোগ, আর আলেমগণ হলেন এই উম্মতের চিকিৎসক। সুতরাং আলেমগণ নিজেরাই যদি সেই রোগ নিজের দিকে টেনে নেন, (অর্থাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ জমানোর মোহে পড়ে ইলমের দাবী ও দায়িত্ব ভুলে যান) তাহলে তাঁরা মানুষকে সুস্থ করবেন কখন?—সুফিয়ান সাওরী রহ.; সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৭/২৪৩&lt;br&gt;
মুহাসাবা&lt;br&gt;
আসুন একটু ভাবি,&lt;br&gt;
আমি দুনিয়ার সম্পদ ও স্বার্থের মোহে পড়ে যাচ্ছি না তো?&lt;br&gt;
আমি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ জমানোর মোহে পড়ে ইলমের দাবী ও দায়িত্ব ভুলে যাচ্ছি না তো?&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>বিজয়ী মানসিকতা ও কুরবানী : বিজয়ের দুটি মৌলিক শর্ত-২</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 02:00:34 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/bijyyii-maansiktaa-o-kurbaanii-bijyyer-dutti-maulik-shrt-2-4n9p</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/bijyyii-maansiktaa-o-kurbaanii-bijyyer-dutti-maulik-shrt-2-4n9p</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F1vhmd03ol46ajbuyx2gg.jpg" alt=" " width="800" height="450"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;মুসলিমরা যদি নিজেদের পরাজিত মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে এবং বিজয়ের দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ক|ফেরদের মোকাবেলা শুরু করে, তাহলে ক|ফেরদের মোড়লিপনা টিকবে না। এ-সত্য তারা ভালোভাবেই জানে। তাই আন্তর্জাতিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে, মুসলমানদের মনোবলকে শানিত করতে পারে এমন সব ঘটনা ধামাচাপা দেয়। আ ফ গা নি স্তা নে যখন আ-মে/রিকান-বাহিনী ছিল তখন প্রতিনিয়ত তালে@বানদের আক্রমণে ক|ফেররা নি^হত হলেও তাদের মিডিয়াতে এগুলো স্থান পেত না; কিন্তু এক-দুজন তালে@বান নি^হত হলে সেটাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে প্রচার করা হতো। এর পিছনের মূল কারণ এটা ছাড়া আর কিছুই না যে, তারা চায় না মুসলমানরা নিজেদের বিজয় সম্পর্কে জানতে পারুক। কেননা, বিজয়ের সংবাদ শুনলে যেকোনো জাতির মনোবল অসম্ভব দ্রুত গতিতে বেড়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০০১ সালের সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখে ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দেওয়া ৯/১১ এর মুবারক ঘটনাটি ঘটে। এদিন যুগের হুবল আ-মে/রিকার হৃদপিণ্ডে ঢুকে, প্রচণ্ড গর্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ওদের "অপরাজেয়" টুইনটাওয়ারকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেন আল-কা&lt;em&gt;য়ে&lt;/em&gt;দার ১৯ জন জানবায মুজাহিদ। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কেউ আ-মে/রিকার মাটি, আ-মে/রিকার আকাশ ও আ-মে/রিকার বিমান ব্যবহার করে আ-মে/রিকার প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনে আক্রমণ পরিচালনা করলো। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ম|র্কি'ন প্রে&lt;em&gt;সিডেন্টের বাসভবন হো^য়|ইট হাউসে হ|মল|র চেষ্টা চালানো হলো এবং প্রাণভয়ে ম|র্কি'ন প্রেসিডেন্ট নিরাপদ আশ্রয়ে আত্নগোপন করতে বাধ্য হলো। এর ফলে প্রায় শতবছরের নিষ্পেষিত মুসলিম জাতির নেতিয়ে পড়া মনোবল মুহূর্তেই চাঙ্গা হয়ে উঠতে থাকে। ক|ফেররা ভেবে দেখল, যদি মুসলিমদের মনোবল এভাবে শানিত হতে থাকে তাহলে তাদের দমানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই গুজব রটানো হলো, এটা ই^হু&lt;/em&gt;দিদের কারসাজি, আ ফ গা নি স্তা নে আক্রমণ করার জন্য আ-মে/রিকার সাজানো নাটক ইত্যাদি। সরলমনা মুসলমানরাও এসব গুজব সহজেই গিলে ফেলল। কারণ, এতেই তারা ইসলাম শান্তির ধর্ম হওয়ার প্রমাণ খুঁজে পেল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে আমরা মুসলিমরা একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। আমাদের এ অবস্থার পরিবর্তন হোক, এটা সবাই চাই। লাঞ্ছনার এ জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে চাই সবাই। কিন্তু আত্মিক যে সাহস আর মনোবল থাকার প্রয়োজন তা আমাদের মাঝে অনুপস্থিত। আমাদের অন্তরজুড়ে এখনও বিরাজ করছে আ-মে/রিকার ভয়। স্থানীয় তা&lt;em&gt;গু&lt;/em&gt;ত শাসকদের অধীনে থেকে জি&lt;em&gt;হা&lt;/em&gt;দের ফরিজা বাস্তবায়নের কোনো প্রচেষ্টাই আমরা করতে প্রস্তুত নই, পাছে না আবার স্বাধীন জীবন-যাপনে বিঘ্ন ঘটে! দীন কায়েমের পথে সামান্যতম ঝুঁকি নিতেও আমরা অপ্রস্তুত। আমরা স্বপ্ন দেখি, হঠাৎ করে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে যাবে, যে পরিস্থিতিতে আচমকাই তা&lt;em&gt;গু&lt;/em&gt;তের মসনদ ভেঙে যাবে এবং শরীয়াহর শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে। ইসলামী খিলাফাহ অটোমেটিক কায়েম হয়ে যাবে, আর আমরা শুধু এর মিষ্টি ফলটা ভোগ করব। এর জন্য যে কুরবানী প্রয়োজন তা আমরা দেব না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওয়াল্লাহি! এটা যকোনোদিনও সম্ভব না যে, আমরা নিজেদের হাত-পা গুটিয়ে শুধু জুলুমের অভিযোগ করতে থাকব, আর হঠাৎ করেই একদিন অলৌকিকভাবে ইসলামী খিলাফাহ কায়েম হয়ে যাবে। আ ফ গা নি স্তা নের আজকের যে বিজয়, তার জন্য দীর্ঘ ৪০ টি বছর আফগান জাতিকে রক্তের নজরানা দিতে হয়েছে। এরপরেই একটি ভূখণ্ড সম্পূর্ণভাবে ইসলামী শাসনের অধীন হয়েছে। কেউ যদি আ ফ গা নি স্তা নের শুধু বর্তমান অবস্থাটা দেখেন, আর নিজ ভূখন্ডেও এমন হয়ে যাবার স্বপ্ন লালন করেন, কিন্তু তাদের মতো কুরবানী দিতে প্রস্তুত না হন, তাহলে তাদের এ স্বপ্ন কোনোদিনও আলোর মুখ দেখবে না। আল্লাহ তা'আলা কথাগুলো নির্ভুলভাবে বোঝার তাওফীক দান করুন, আমীন!!!&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>বিজয়ী মানসিকতা ও কুরবানী : বিজয়ের দুটি মৌলিক শর্ত- ১</title>
      <dc:creator>আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 20 Oct 2026 02:09:37 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/bijyyii-maansiktaa-o-kurbaanii-bijyyer-dutti-maulik-shrt-1-43ip</link>
      <guid>https://dev.to/abu-ubaydah-al-hindi/bijyyii-maansiktaa-o-kurbaanii-bijyyer-dutti-maulik-shrt-1-43ip</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F479dl9v3r4fl50ruvo5j.jpg" alt=" " width="800" height="450"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;বর্তমান বিশ্ব ধীরে ধীরে ইসলামী শাসনের অধীন হচ্ছে, বি-ইযনিল্লাহ। মুসলিম উম্মাহর জন্য এটা অত্যন্ত খুশির সংবাদ৷ কেননা, এই উম্মাহ ইতিহাসের দীর্ঘ একটা সময় ক|ফে'রদের গোলামির ভেতর পার করে আসছে। বাস্তবতা হলো, পরাজয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা যখন হয় তখন বিজয়ের মূল্য সঠিক ও গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়। তেমনিভাবে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ জীবন যাপন করতে বাধ্য হলে মুক্তপ্রাণের মানুষদের স্বাধীনতার আসল মর্মও সঠিক ও গভীরভাবে বুঝে আসে। প্রায় শতাব্দীকালব্যাপী ক|ফে'রদের মানসিক দাসত্ব আর শারীরিক জু'লু'ম-নির্য|তনের জীবন পার করে মুসলিমরা এখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। জি&lt;em&gt;হা&lt;/em&gt;দের সেই বিস্মৃত পথ তাঁরা আবারও আঁকড়ে ধরেছে। ইনশাআল্লাহ, ছুম্মা ইনশাআল্লাহ, আমাদের এক ইঞ্চি মাটি যতদিন ক|ফে'রদের দখলে থাকবে ততদিন আমাদের এ জি&lt;em&gt;হা&lt;/em&gt;দ থামবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যেকোনো বিজয়ের সর্বপ্রথম শর্ত হলো, নিজের মনোজগতকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করা। কোনও জাতি যদি নিজেদের মনোজগতকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করতে না পারে তাহলে ময়দানে বিজয়লাভ করা তাদের পক্ষে কোনোদিনও সম্ভব হবে না। ইসলামের প্রাথমিক যুগে হাতেগোনা কিছু সাহাবীর হাতে বিশ্বের সুপার পাওয়ারদের পরাজিত হবার যে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে, তার মূলে ছিল সাহাবায়ে কেরামের আল্লাহর পক্ষ থেকে নুসরত ও বিজয়ের প্রতি অগাধ আস্থা ও সুদৃঢ় বিশ্বাস। যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলমানদের হাতে রোম-পারস্য বিজিত হবার ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন, সেহেতু এতে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না যে, আমরাই বিজয়ী হব—সাহাবায়ে কেরামের অন্তরে এমন ইস্পাত-দৃঢ় বিশ্বাস না থাকলে বিজয় আসত না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাহাবায়ে কেরামের মনোজগতকে আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধীরে ধীরে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করেছেন। তাদের মনে সাহসের সঞ্চার করেছেন। বদরের যু^দ্ধে মুসলিমদের মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে আল্লাহ তা'আলা আকাশ থেকে ৫ হাজার ফেরেশতার এক বিশাল বাহিনী পাঠিয়েছিলেন, অথচ আরও কম সংখ্যক ফেরেশতা পাঠিয়ে এমনকি কোনও ফেরেশতা না পাঠিয়েও তিনি মুসলিমদের বিজয়ী করতে পারতেন। তবুও এত বিরাট সংখ্যক ফেরেশতা পাঠানোর উদ্দেশ্য ছিল, মনোবল বৃদ্ধি। কেননা, ইসলামের ইতিহাসে এটাই ছিল বড় ধরনের প্রথম যু^দ্ধ। উপরন্তু মুসলিমদের চেয়ে ক|ফে'রদের সংখ্যা ছিল তিনগুণ বেশি। তাদের ছিল বিপুল পরিমাণ অ*স্ত্র। সব মিলিয়ে সাহাবায়ে কেরামের মনোজগতকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত না করলে তাদের জন্য যু^দ্ধের ময়দানে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ত। তাই আল্লাহ তা'আলা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করলেন। সূরা আল-ইমরানের ১২৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;بَلٰۤی ۙ اِنۡ تَصۡبِرُوۡا وَتَتَّقُوۡا وَیَاۡتُوۡکُمۡ مِّنۡ فَوۡرِهم هذا یُمۡدِدۡکُمۡ رَبُّکُمۡ بِخَمۡسَة اٰلٰفٍ مِّنَ الۡمَلٰٓئِکَة مُسَوِّمِیۡنَ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অবশ্যই তোমরা যদি সবর করো এবং বিরত থাকো আর তারা যদি তখনই তোমাদের উপর চড়াও হয়, তাহলে তোমাদের রব চিহ্নিত ঘোড়ার উপর পাঁচ হাজার ফেরেশতা তোমাদের সাহায্যে পাঠাতে পারেন। (আলে ইমরান-১২৫)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপরের আয়াতেই আল্লাহ তা'আলা পাঁচ হাজার ফেরেশতা পাঠানোর উদ্দেশ্য ও তাৎপর্যও বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ করেন:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;وَمَا جَعَلَه اللّٰه اِلَّا بُشۡرٰی لَکُمۡ وَلِتَطۡمَئِنَّ قُلُوۡبُکُمۡ بِه ؕ وَمَا النَّصۡرُ اِلَّا مِنۡ عِنۡدِ اللّٰه الۡعَزِیۡزِ الۡحَکِیۡمِ ۙ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বস্তুত: এটা তো আল্লাহ তা'আলা তোমাদের সুসংবাদ দান করলেন, যাতে তোমাদের মনে এতে সান্ত্বনা আসতে পারে। আর সাহায্য শুধুমাত্র পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানী আল্লাহরই পক্ষ থেকে। (আল-ইমরান-১২৬)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তেমনিভাবে উহুদের যু^দ্ধে প্রাথমিকভাবে মুসিলমরা পরাজিত হলে সাহাবায়ে কেরামের মনোবল দুর্বল হয়েছিল, ফলে আল্লাহ তা'আলা তাদের মনোবলকে শানিত করতে সূরা আলে ইমরানের ১৩৯ নং আয়াতটি অবতীর্ণ করেছেন। ইরশাদ করেন:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;وَلَا تَهنوا وَلَا تَحۡزَنُوۡا وَاَنۡتُمُ الۡأعلون اِنۡ کُنۡتُمۡ مُّؤۡمِنِیۡنَ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে।(আল-ইমরান-১৩৯)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খন্দকের যু^দ্ধে যখন পরিখা খনন করতে করতে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে ক্লান্তির ছাপ ফুটে উঠেছিল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বিশ্বজয়ের সুসংবাদ শুনিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেছেন,&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;إنَّ اللَّهَ زَوى لي الأرْضَ، فَرَأَيْتُ مَشارِقَها ومَغارِبَها، وإنَّ أُمَّتي سَيَبْلُغُ مُلْكُها ما زُوِيَ لي مِنْها&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;‘আল্লাহ তাআলা গোটা পৃথিবীকে সঙ্কুচিত করে আমার সামনে রেখে দিলেন। আমি এর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করলাম। পৃথিবীর যে অংশটুকু গুটিয়ে আমার সামনে রাখা হয়েছিল, সে পর্যন্ত আমার উম্মাতের রাজত্ব পৌঁছে যাবে। [সহীহ মুসলিম-২৮৮৯]&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এটা শোনে সাহাবায়ে কেরামের মনোবল চাঙ্গা হয়ে ওঠে। বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে তারা নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন। সীরাত ও ইতিহাস থেকে এরকম হাজারো উদাহরণ তুলে ধরা যাবে যে, ময়দানে বিজয়লাভের পূর্বশর্ত হলো, মনোজগতকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করা।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
  </channel>
</rss>
