<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
  <channel>
    <title>DEV Community: Ummah Network</title>
    <description>The latest articles on DEV Community by Ummah Network (@ummahnetwork).</description>
    <link>https://dev.to/ummahnetwork</link>
    <image>
      <url>https://media2.dev.to/dynamic/image/width=90,height=90,fit=cover,gravity=auto,format=auto/https:%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Fuser%2Fprofile_image%2F4158071%2F24930faa-29ad-42ae-bd8a-af0d03d718db.jpg</url>
      <title>DEV Community: Ummah Network</title>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork</link>
    </image>
    <atom:link rel="self" type="application/rss+xml" href="https://dev.to/feed/ummahnetwork"/>
    <language>en</language>
    <item>
      <title>আসুন গা*যার পাশে দাঁড়াই-</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 17 Oct 2026 09:34:57 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/aasun-gaayaar-paashe-daanrraai--45ed</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/aasun-gaayaar-paashe-daanrraai--45ed</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  গা&lt;em&gt;যার বর্তমান পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা সকলেই অবগত। প্রতিদিন অনাহারে অর্ধাহারে চিকিৎসার অভাবে শত শত ভাই বোন মারা যাচ্ছেন। না খেতে পেয়ে শিশুদের শরীরগুলো শুকিয়ে কংকাল হয়ে গেছে, গা&lt;/em&gt;যার ৯৬ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছেন। সারাদিনে একবেলা খাবারও জুটছেনা তাদের ভাগ্যে। জাতিসংঘের তথ্যমতে উত্তর গা*যার অন্তত ৩১ শতাংশ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে, যাদের এখনই জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজন। অন্যন্য এলাকায়ও পরিস্থিতি ভয়াবহ। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা তো পরিবার নিয়ে সুখেই আছি, দিনে অন্তত তিন বেলা পেট ভরে খেতে পারছি, দিনগুলো আরাম আয়েশেই কাটাচ্ছি। ওদিকে আমাদেরই ভাই বাবা মা বোন সন্তানেরা গাযায় কত কষ্টই না করছে। সামান্য কয়টা খাবারের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছে। সামান্য একটু ত্রানের জন্য জীবন পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। গা*যার পুরো চিত্র আমাদের সামনে নেই, যে কয়টা ছবি ভিডিও সামনে আসছে তাতেই অন্তরাত্মা কেঁপে উঠছে।&lt;br&gt;
আহ! কিভাবে আমরা আমাদের এই ভাইদের ভুলে থাকছি। নিজেরা মজার মজার খাবার খাচ্ছি, ঘুরছি ফিরছি, অথচ মৃত্যুপথযাত্রী ভাই বোনদের বাঁচানোর জন্য সামান্য চেষ্টাটুকু পর্যন্ত করছিনা। ‘আমাদের কিছু করার সাধ্য নেই’ বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছি। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  আচ্ছা আল্লাহর কাছে কি এই কথা বলে দায় এড়াতে পারব? 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমরা যদি গা&lt;em&gt;যার ভাই বোনদের জন্য মন থেকে কিছু করার চেষ্টা করি তাহলে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই একটা পথ বের করে দেবেন। অনেক ভাইকে দেখেছি বাহ্যদৃষ্টিতে তাদের কিছু করার ছিলনা কিন্তু তারা দোয়া আর চেষ্টা করে গেছেন। এরপর আল্লাহ তাআলা তাদের দ্বারা এমন কাজ নিয়েছেন যা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল। &lt;br&gt;
তাই আসুন নির্ভরযোগ্য সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সাধ্যমত সহায়তা পাঠানোর চেষ্টা করি। গা&lt;/em&gt;যার অবরোধ ভাঙার জন্য দোয়া, চেষ্টা আর পরিকল্পনা নিয়ে সামনে অগ্রসর হই।&lt;br&gt;
© শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকুন-</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 16 Oct 2026 05:30:11 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/sndehjnk-bissyy-theke-bence-thaakun--2ibl</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/sndehjnk-bissyy-theke-bence-thaakun--2ibl</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fchz1hjiqhpekuz2espp3.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fchz1hjiqhpekuz2espp3.jpg" alt=" " width="756" height="756"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
عَنْ عَامِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْحَلاَلُ بَيِّنٌ وَالْحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُشَبَّهَاتٌ لاَ يَعْلَمُهَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الْمُشَبَّهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِيِنِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ كَرَاعٍ يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى، يُوشِكُ أَنْ يُوَاقِعَهُ‏.‏ أَلاَ وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، أَلاَ إِنَّ حِمَى اللَّهِ فِي أَرْضِهِ مَحَارِمُهُ، أَلاَ وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ&lt;br&gt;
صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ‏.‏ أَلاَ وَهِيَ الْقَلْبُ&lt;br&gt;
নু'মান ইবনে বশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, 'হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এই দুইটার মাঝে কিছু বিষয় আছে যেগুলো সন্দেহজনক - যা অনেকেই জানে না। যে ব্যক্তি সেই সন্দেহজনক বিষয়সমূহ হতে বেঁচে থাকবে, সে তার দ্বীন ও মান-সম্মান রক্ষা করতে পারবে। আর যে সন্দেহজনক বিষয়সমূহে লিপ্ত হয় (সে অচিরেই হারামে লিপ্ত হবে,) তার উদাহরণ ঐ রাখালের ন্যায়, যে তার পশু নিষিদ্ধ চারণভূমির আশেপাশে চরায়, অচিরেই সেগুলো নিষিদ্ধ চারণভূমিতে ঢুকে পড়ার আশংকা রয়েছে। জেনে রেখো, প্রত্যেক বাদশারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে। আরো জেনে রাখ যে, আল্লাহ তাআলার সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ কাজসমূহ। জেনে রেখো, শরীরের মধ্যে একটি মাংসের টুকরো আছে, তা যখন ঠিক হয়ে যায়, গোটা শরীরই তখন ঠিক হয়ে যায়। আর তা যখন খারাপ হয়ে যায়, গোটা শরীরই তখন খারাপ হয়ে যায়। জেনে রাখ, সে মাংসের টুকরোটি হল অন্তর। [বুখারী-৫২]&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই হাদীসটি ইসলামী বিধি বিধানের ক্ষেত্রে মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ হাদীস সমূহের অন্যতম। এই হাদীসে আমরা কোন কোন বিষয় সতর্ক হবো এবং কোন কোন বিষয় হতে বেঁচে থাকবে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;উলামাগণ বলেনঃ আমল মোট তিন প্রকার-&lt;br&gt;
১। সুস্পষ্ট হালাল- কোরআন ও হাদিসে যার হালাল হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে এবং তা হালাল হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। যেমন, সৎভাবে নিজ হাতে কামাই করা অর্থ, জবেহকৃত গরু ছাগলের গোস্ত, শাক সবজি ইত্যাদি।&lt;br&gt;
২। সুস্পষ্ট হারাম : যা হারাম হওয়ার ব্যাপারে কোরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে এবং তা হারাম হওয়ার ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য কোন আলেমের দ্বিমত নেই। যেমন, মদ, জুয়া, যিনা ব্যভিচার, মানুষ হত্যা, সুদ, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ, গীবত-পরনিন্দা ইত্যাদি।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ৩। সন্দেহজনক বিষয় : যা হালাল ও হারাম হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য কোরআন-হাদিসে পাওয়া যায় না। বরং তা উভয়টির সম্ভাবনাই রাখে। হাদিসের ভাষ্য মতে, বেশির ভাগ মানুষ সন্দেহজনক বিষয়ের ব্যাপারে জ্ঞান রাখে না এবং এ ব্যাপারে তারা যথেষ্ট উদাসীন ।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;একটি বিষয় সন্দেহজনক কিনা তা ব্যাক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। যেমন একজন আলিমের প্রচুর অধ্যায়ন এবং গবেষনার ফলে তার নিকট একটি বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অন্য আরেকজন ইলম অর্জন না করার কারণে এবং এই ব্যাপারে বিজ্ঞ আলেমের শরণাপন্ন না হওয়ার কারণে তার কাছে বিষয়টি অস্পষ্ট রয়ে গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এই জন্য কোন বিষয়ে সন্দেহ হলে বা অস্পষ্ট থাকলে বিজ্ঞ ও মুত্তাকী আলেমগনের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বিষয়টি অস্পষ্ট বা সন্দেহজনক হলে ভালোভাবে জানার আগ পর্যন্ত ঐ কাজ করা থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;মোটকথা, দলিল প্রমাণের আলোকে যেসব বিষয় সুস্পষ্ট হালাল হিসেবে প্রমাণিত হবে সেসব কাজ করব, আর অস্পষ্ট ও সন্দেহজনক বিষয় হতে বেঁচে থাকব। তাহলে আমার দ্বীন ঈমান ও মান সম্মান রক্ষা পাবে, নয়তো দ্বীনও নষ্ট হবে মান সম্মানও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।&lt;br&gt;
© শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
      <category>discuss</category>
      <category>watercooler</category>
    </item>
    <item>
      <title>বর্তমানে আমাদের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি সব পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রণে</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 15 Oct 2026 16:11:38 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/brtmaane-aamaader-smaaj-raajniiti-arthniiti-sb-pshcimaader-niyyntrnne-5eod</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/brtmaane-aamaader-smaaj-raajniiti-arthniiti-sb-pshcimaader-niyyntrnne-5eod</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fj4q96c37cq543cjq4bpw.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fj4q96c37cq543cjq4bpw.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
আলেমরা মসজিদের মিম্বরে, মাহফিলের বয়ানে ইসলামের কোন কোন বিধান নিয়ে আলোচনা করবেন আর কোন বিধানের ব্যাপারে চুপ থাকবেন সেটাও তারা এবং তাদের দেশীয় গোলামেরা ঠিক করে দেয়। &lt;br&gt;
দেড় হাজার বছরের ইতিহাসে মুসলিমরা কখনো এমন নাজুক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি। মুসলিমদের রাষ্ট্র, সমাজ ও দ্বীনী মারাকেজ সব এক সাথে কুফফারদের দ্বারা আক্রান্ত হয়নি। &lt;br&gt;
কখনো কখনো একটা আক্রান্ত হয়েছে কিন্তু তখন অন্যগুলো স্বকীয়তা বজায় রেখে মুসলিমদের রাহনুমায়ী করে গেছে। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কিন্তু ১৭ শতকের পর যখন থেকে মুসলিম দেশগুলো ইউরোপীয়দের উপনিবেশে পরিণত হল, এরপর থেকে পরিস্থিতি পালটে গেছে। তারা একসাথে সবগুলো কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছে, যেন মুসলিমরা কোনভাবেই ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ না পায়। উপনিবেশবাদীরা চলে যাওয়ার পর ক্ষমতায় আসা পশ্চিমের দাসরাও প্রভূদের দেখানো পথে মুসলিমদের শাসন করছে। 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ইতিহাসে দেখা গেছে, বেশ কয়েকবার রাজনৈতিকভাবে মুসলিমরা আক্রান্ত হয়েছে, ক্ষমতা বদ দ্বীন এবং বেদ্বীনদের হাতে গেছে। কিন্তু তারা ব্যপকভাবে সমাজকে ইসলামশূণ্য করার ক্ষেত্রে সফল হতে পারেনি। আলেমদেরকে জিহাদ ও খিলাফাহর বিরুদ্ধে বলতে বাধ্য বা প্রভাবিত করতে পারেনি। আইন আদালত ও শাসনব্যবস্থাকে কুফরী সিস্টেমে সাজিয়ে আলেমদেরকে এর পক্ষে বয়ান দিতে এবং এটিকে ইসলামী ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরতে বাধ্য কিংবা প্রভাবিত করতে পারেনি।  
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;তাতারীদের সময় সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে মুসলিমরা পরাজিত হয়েছিল, বর্তমান সময়ের মত একদল ধূর্ত লোক ক্ষমতায় আরোহন করেছিল। &lt;br&gt;
সেসময় তারা একটা সংবিধান লিখেছিল। নাম ছিল- ইয়াসিক। এটি তারা বিভিন্ন ধর্মের কিতাব থেকে নিজেদের খেয়ালখুশিমত আইন বিধান দিয়ে সাজিয়েছিল। এটি বর্তমান বাংলাদেশ পাকিস্তান ও অন্যন্য মুসলিমদেশের সংবিধানের মত ছিল অনেকটা। &lt;br&gt;
কিন্তু তখনকার উলামায়ে কেরাম এই সংবিধান মেনে নেননি, চুপ থেকে কুফরী বিধানগুলোর প্রতি নীরব সমর্থন দেননি। বরং এটিকে কুফরী বলে ফাতওয়া দিয়েছেন। এই সংবিধানের আলোকে পরিচালিত আদালতে বিচারপ্রার্থী হলে ঈমানহারা হতে হবে বলে মুসলিমদেরকে সতর্ক করেছেন। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  পরবর্তীতে আরো কিছু জায়গায় খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সামগ্রিকভাবে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অবস্থা কখনো এতটা নাজুক হয়নি, মুসলিমদের দ্বীন ঈমান রক্ষার সবগুলো কেন্দ্র একসাথে আক্রান্ত হয়নি। সেসময়কার আলেমরাও সেই অবস্থাকে মেনে নেননি, বরং সাধ্যমত প্রতিবাদ প্রতিরোধ করেছেন, অবস্থা পরিবর্তনের জন্য চেষ্টা মেহনত করেছেন।  
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মুসলিমদের মধ্যে এক ধরণের স্থবিরতা বিরাজ করছে। কুফরী শাসনব্যবস্থা ও শাসক কর্তৃক কুফফারদের গোলামীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিবর্তে মেনে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।&lt;br&gt;
এই পরিস্থিতি উম্মাহর জন্য অনেক বড় উদ্বেগ ও গভীরভাবে চিন্তা করার মত একটি বিষয়। কারণ আল্লাহ তাআলা নিজস্ব চেষ্টা না থাকলে কোন জাতিকে এমনি এমনি মুক্তি দেন না। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- &lt;br&gt;
 اِنَّ اللّٰہَ لَا یُغَیِّرُ مَا بِقَوۡمٍ حَتّٰی یُغَیِّرُوۡا مَا بِاَنۡفُسِہِمۡ ؕ وَاِذَاۤ اَرَادَ اللّٰہُ بِقَوۡمٍ سُوۡٓءًا فَلَا &lt;br&gt;
مَرَدَّ لَہٗ ۚ وَمَا لَہُمۡ مِّنۡ دُوۡنِہٖ مِنۡ وَّالٍ&lt;br&gt;
আল্লাহ কোনও জাতির অবস্থা ততক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। -[সুরা রাদ ১১]&lt;br&gt;
গ'ণ'তন্ত্র, পুঁজিবাদ ও ব্রিটিশ বিচারব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করা ছাড়া শরীয়তের দৃষ্টিতে আমাদের জন্য মুক্তির কোনো পথ নেই। নিজেদের দ্বীন-ঈমান হেফাজত করতে হলে এসব কুফরী মতাদর্শের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ছাড়া ভিন্ন কোনো উপায় নেই। হাজার হাজার মাখলুকের দাসত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ও সমাজ ছেড়ে এক আল্লাহর গোলামীর রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।&lt;br&gt;
© শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ &lt;/p&gt;

</description>
      <category>culture</category>
      <category>discuss</category>
    </item>
  </channel>
</rss>
