নেপালের ভারত সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মুসলিমদের উপর হিন্দুদের পরিকল্পির দাঙ্গায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত তিনজন নি'হ'ত এবং ২৫ জন আ'হত হয়েছে বলে খবরে জানা গেছে। সং'ঘর্ষের পর বিভিন্ন এলাকায় অ/গ্নিসংযোগ, দোকানপাটে ভ|ঙচুর, লু'টপ|ট ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। অনেক জায়গায় মসজিদেও হামলা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি এলাকায় কারফিউ ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই ভ|রত সীমান্তবর্তী সুনসারি জেলার একটি গ্রামে সহিংসতার সূত্রপাত হয়। সেখানে হিন্দুদের বোল বম শোভাযাত্রায় উচ্চ শব্দে উ'স্ক|নীমূলক গান বাজানো এবং মুসলিমদের পতাকা সরিয়ে হি*ন্দু পতাকা টাঙানোকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে মুসলিমদের তুমুল বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।
পরবর্তীতে ২৭ ও ২৮ জুলাই সহিংসতা আশে পাশের কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। এসময় হি*ন্দু'ত্ববাদী দাঙ্গাবাজরা বিভিন্ন দোকানে আ^গু^ন দেয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
হিন্দু'ত্ববাদী বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের মধ্যে উগ্রবাদিতা বিপদজনকহারে বেড়েছে, আমাদের দেশেও চ'র'মপন্থী হিন্দুদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাদের একটাই লক্ষ্য, মুসলিম মুক্ত উপমহাদেশ গড়া এবং অখন্ড হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যে তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই ঝড় মোকাবেলায় আমাদের তেমন কোন প্রস্তুতি নেই। অথচ শুধু পশ্চিমবঙ্গেই উগ্র আর/এস/এস ১০ লক্ষ প্রশিক্ষিত সদস্য প্রস্তুত করার জন্য ব্যাপক কাজ করছে বলে ভারতীয় মিডিয়া জানিয়েছে।
আর আমরা অনেকে এখনো ঘুমিয়ে আছি।
নিজেদের ও পরবর্তী প্রজন্মের নিরাপত্তা ও মুক্তি চাইলে ঘুম ভেঙে জেগে উঠতে হবে। আসন্ন ঝড় মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য কাজগুলো সহজ করুন।

Top comments (0)