DEV Community

মানুষের মর্যাদা ও সম্মানের ইসলামী ভিত্তি পর্ব-৩


বাবা-মা, আলেম ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মর্যাদা
মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার শিক্ষা শুধু সাধারণ সামাজিক আচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামে এমন কিছু মানুষের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে, যাঁদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা, তাঁদের হক আদায় করা এবং তাঁদের অবস্থানকে সম্মান করা একজন মুমিনের দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিভিন্ন সম্পর্ক, দায়িত্ব ও অবস্থানের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাই প্রত্যেক সম্পর্কের রয়েছে কিছু বিশেষ হক। একজন মুমিনের সৌন্দর্য হলো—সে যেমন সাধারণ মানুষের মর্যাদা রক্ষা করে, তেমনি যাঁদের ওপর তার বিশেষ অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে, তাঁদের মর্যাদাও যথাযথভাবে আদায় করে। এর মধ্যে বিশেষভাবে রয়েছেন বাবা-মা, আলেম-উলামা এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
বাবা-মায়ের মর্যাদা: আল্লাহর হকের পরেই তাঁদের অধিকার
ইসলামে বাবা-মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। আল্লাহ তাআলা বহু স্থানে তাঁর ইবাদতের নির্দেশের সঙ্গে বাবা-মায়ের প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
“তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক করো না; আর বাবা-মায়ের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।” —সূরা আন-নিসা: ৩৬
তিনি আরও বলেন—
وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا
“তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া কারও ইবাদত করবে না এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। তাদের একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার কাছে বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলো না, তাদেরকে ধমক দিও না এবং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো।” —সূরা আল-ইসরা: ২৩
খেয়াল করার মতো বিষয় হলো—ইসলাম শুধু বাবা-মাকে গালি দেওয়া, মারধর করা কিংবা বড় ধরনের অবাধ্যতা থেকে নিষেধ করেনি; বরং তাঁদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশের সামান্যতম শব্দ—‘উফ’ বলতেও নিষেধ করেছে। এমনকি তাঁদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রেও আল্লাহ তাআলা “قَوْلًا كَرِيمًا”—সম্মানজনক কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন।
এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
“আর তাদের প্রতি দয়া ও ভালোবাসার সঙ্গে বিনয়ের ডানা নত করে দাও এবং বলো, ‘হে আমার রব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন, যেমন তাঁরা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।’” —সূরা আল-ইসরা: ২৪
অতএব, বাবা-মায়ের মর্যাদা রক্ষা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি আল্লাহর নির্দেশিত ইবাদতের অংশ। তাঁদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলা, তাঁদের প্রয়োজনের প্রতি যত্নশীল হওয়া, তাঁদের কষ্ট না দেওয়া এবং তাঁদের জন্য দোয়া করা একজন সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
আলেম ও জ্ঞানীদের মর্যাদা
ইসলাম জ্ঞানকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। কারণ জ্ঞান মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে বের করে আল্লাহর পরিচয়, তাঁর বিধান ও সঠিক জীবনপথের দিকে পরিচালিত করে। আর যারা দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করেন এবং মানুষকে কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষা দেন, তাঁদেরও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ ۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ
“বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না, তারা কি সমান? বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।” —সূরা আয-যুমার: ৯
আর আল্লাহ তাআলা বলেন—
يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা বহু স্তরে উন্নীত করবেন।” —সূরা আল-মুজাদালাহ: ১১
তাই দ্বীনের জ্ঞানীদের সম্মান করা, তাঁদের কাছ থেকে জ্ঞান গ্রহণ করা এবং তাঁদের উপদেশকে গুরুত্ব দেওয়া ইসলামী আদবের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন—
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
“তোমরা যদি না জানো, তবে জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করো।” —সূরা আন-নাহল: ৪৩
এই আয়াত আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশ দেয়—যে বিষয়ে আমরা জানি না, সে বিষয়ে নিজের ধারণাকে চূড়ান্ত মনে না করে জ্ঞানীদের কাছে ফিরে যেতে হবে।
হক্কানী আলেমদের অনুসরণ ও উলামায়ে সূ থেকে সতর্কতা
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য মনে রাখা প্রয়োজন। আলেমদের সম্মান করা যেমন জরুরি, তেমনি কার কাছ থেকে দ্বীন গ্রহণ করা হচ্ছে, সেদিকেও সতর্ক থাকা জরুরি।
প্রত্যেক ধর্মীয় পরিচয়ধারী ব্যক্তি অনুসরণযোগ্য নন। মুসলিমের দায়িত্ব হলো, কুরআন-সুন্নাহর অনুসরণে প্রতিষ্ঠিত, সত্যনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত আলেমদের কাছ থেকে দ্বীনের ইলম গ্রহণ করা। যারা নিজেদের ইলমকে হক ও সত্যের পরিবর্তে প্রবৃত্তি, স্বার্থ কিংবা বাতিলের সমর্থনে ব্যবহার করেন, তাঁদের থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তবে এর অর্থ এই নয় যে, কোনো আলেমকে ভুলের ঊর্ধ্বে মনে করা হবে। আলেমের সম্মান এক বিষয়, আর তাঁর প্রতিটি বক্তব্যকে নিঃশর্তভাবে সঠিক মনে করা আরেক বিষয়। আলেমদের সম্মান করা হবে কুরআন-সুন্নাহর অনুসরণের অংশ হিসেবে; কোনো ব্যক্তির অন্ধ অনুসরণ হিসেবে নয়।
সুতরাং আমাদের নীতি হওয়া উচিত, হক্কানী আলেমদের সম্মান ও অনুসরণ করা, তাঁদের কাছ থেকে দ্বীন শেখা এবং উলামায়ে সূ থেকে সতর্ক থাকা; আর সবকিছুকে কুরআন-সুন্নাহর মাপকাঠিতে বিচার করা।
দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মর্যাদা ও আনুগত্য
ইসলাম একটি সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা চায়। আর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন, যাঁদের ওপর কোনো দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তাঁদের অবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বৈধ বিষয়ে তাঁদের সহযোগিতা ও আনুগত্য করা।
পরিবারে অভিভাবক, কোনো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কিংবা সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, এমনিভাবে জিহ|দী সংগঠনের আমীর বা মাসুল, প্রত্যেকের ওপর কিছু দায়িত্ব অর্পিত থাকে। তাই তাঁদের সঙ্গে যথাযথ আদব বজায় রাখা এবং তাঁদের বৈধ নির্দেশ পালনে সহযোগিতা করা অধীনস্থদের দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্যকার দায়িত্বশীলদের আনুগত্য করো।” —সূরা আন-নিসা: ৫৯
তবে এই আনুগত্যের একটি সুস্পষ্ট সীমা রয়েছে—গুনাহের কাজে কারও আনুগত্য করা যাবে না।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
لَا طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ، إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ
“আল্লাহর অবাধ্যতার কাজে কোনো আনুগত্য নেই; আনুগত্য তো কেবল সৎ ও বৈধ কাজে।” —সহিহ মুসলিম: ১৮৪০; সহিহ বুখারি: ৭২৫৭
অর্থাৎ, দায়িত্বশীল ব্যক্তি হওয়া কাউকে আল্লাহর বিধানের ঊর্ধ্বে নিয়ে যায় না। তাঁর বৈধ নির্দেশ মানতে হবে; কিন্তু তিনি যদি আল্লাহর অবাধ্যতার নির্দেশ দেন, তাহলে সেই নির্দেশ মানা যাবে না।
পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে বৈধ আনুগত্য
বৈধ কোনো নির্দেশ নিজের পছন্দের না হলেই তা অমান্য করা ইসলামী শৃঙ্খলার অংশ নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
عَلَيْكَ السَّمْعَ وَالطَّاعَةَ فِي عُسْرِكَ وَيُسْرِكَ وَمَنْشَطِكَ وَمَكْرَهِكَ وَأَثَرَةٍ عَلَيْكَ
“তোমার জন্য দায়িত্বশীলের কথা শোনা ও মানা আবশ্যক—তোমার সংকট ও স্বাচ্ছন্দ্য উভয় অবস্থায়, তোমার পছন্দ ও অপছন্দ উভয় অবস্থায়, এমনকি তোমার ওপর অন্য কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও।” —সহিহ মুসলিম: ১৮৩৬
এর অর্থ হলো, যে নির্দেশ শরিয়তসম্মত ও বৈধ, তা শুধু নিজের সুবিধা বা পছন্দের সঙ্গে মিলে গেলেই মানা হবে, এমন নয়। বরং বৈধ নির্দেশ হলে নিজের পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। তবে আবারও মনে রাখতে হবে—এই আনুগত্য মারুফ তথা বৈধ বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। গুনাহের নির্দেশ এলে সেখানে আনুগত্য নেই।
আগুনে প্রবেশের নির্দেশ: আনুগত্যের সীমার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
আনুগত্যের এই সীমাটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়।
আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি বাহিনী প্রেরণ করে তাদের ওপর একজনকে আমীর নিযুক্ত করলেন। একপর্যায়ে তিনি তাদের প্রতি রাগান্বিত হয়ে আগুন জ্বালিয়ে বললেন, “তোমরা এতে প্রবেশ করো।”
কিছু লোক আগুনে প্রবেশ করতে উদ্যত হলো। অন্যরা বলল, আমরা তো আগুন থেকেই বাঁচতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসেছি। পরে বিষয়টি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জানানো হলে তিনি বললেন—
لَوْ دَخَلُوهَا لَمْ يَزَالُوا فِيهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
“তারা যদি তাতে প্রবেশ করত, তবে কিয়ামত পর্যন্ত সেখানেই থাকত।”
এরপর তিনি বলেন—
لَا طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةٍ، إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ
“গুনাহের কাজে কোনো আনুগত্য নেই; আনুগত্য তো কেবল বৈধ ও সৎ কাজে।” —সহিহ বুখারি: ৭২৫৭; সহিহ মুসলিম: ১৮৪০
এই ঘটনা আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা দেয়, দায়িত্বশীলের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে, তাঁর বৈধ নির্দেশ মানতে হবে; কিন্তু কোনো মানুষকে আল্লাহর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে অনুসরণ করা যাবে না।
অর্থাৎ, ইসলামের আনুগত্য হলো শৃঙ্খলাপূর্ণ কিন্তু অন্ধ নয়; সম্মানপূর্ণ কিন্তু সত্যবিবর্জিত নয়।
দায়িত্বশীলদেরও রয়েছে জবাবদিহিতা
যেমন অধীনস্থদের দায়িত্ব হলো দায়িত্বশীলদের মর্যাদা রক্ষা করা, তাঁদের বৈধ নির্দেশ মানা এবং দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা; তেমনি দায়িত্বশীলদেরও কর্তব্য হলো তাঁদের অধীনস্থদের অধিকার রক্ষা করা, তাদের ওপর যু-লু
ম না করা এবং ইনসাফের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
أَلَا كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ
“সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হবে।” —সহিহ মুসলিম: ১৮২৯
অতএব, দায়িত্বশীল হওয়া কোনো বিশেষ সুবিধা বা অহংকারের বিষয় নয়; বরং এটি একটি আমানত ও জবাবদিহিতার দায়িত্ব।
এখানেই ইসলামের সৌন্দর্য, অধীনস্থকে বলা হয়েছে দায়িত্বশীলের মর্যাদা রক্ষা করতে, আবার দায়িত্বশীলকেও বলা হয়েছে অধীনস্থের হক রক্ষা করতে। এক পক্ষের সম্মান অন্য পক্ষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার অনুমতি দেয় না।
মানুষের মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে আমরা দেখলাম, বয়স, পিতৃত্ব-মাতৃত্ব, জ্ঞান ও দায়িত্বের কারণে কিছু মানুষের বিশেষ হক রয়েছে। কিন্তু মানুষের মূল্যায়নে আরেকটি বড় ভুল হলো, সম্পদ, বংশ, পদমর্যাদা ও বাহ্যিক অবস্থানকে প্রকৃত মর্যাদার মাপকাঠি মনে করা।
অথচ ইসলাম মানুষের আসল মর্যাদাকে অন্য জায়গায় স্থাপন করেছে। ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল কিংবা উচ্চপদস্থ-সাধারণ—বাহ্যিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে একজন মানুষের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় তার ঈমান, তাকওয়া ও আমলের মাধ্যমে।
ইনশা আল্লাহ, পরবর্তী পর্বে আমরা তাই আলোচনা করব—

“মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি: সম্পদ নয়, তাকওয়া ও আমল।”

চলবে ...ইনশা আল্লাহ

Top comments (0)