
বর্তমানে আমরা প্রোডাক্টিভ কাজ বাদ দিয়ে ব্যপক পরিমাণে কাদা ছোঁড়াছুড়ি আর ঝগড়াঝাটিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছি। যখন আমাদের চিন্তা ও কাজের ফোকাস থাকার কথা ছিল উম্মাহর মুক্তি, জালিম-কুফফারদের দমন এবং আত্মোন্নয়নের প্রতি, তখন কিনা আমরা সব ভুলে পরস্পর কাদা ছোড়াছোড়ি আর ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়াঝাটিতে লিপ্ত হয়ে আছি।
-
অনেক সময় দেখা যায়, একটা গরুকে জবাই করা হচ্ছে, আরেকটা গরু দূরে দাঁড়িয়ে ঘাস খাচ্ছে, একটুপর যে তাকেও শোয়ানো হবে সেই অনুভূতিও তার নেই।
আমাদেরও আজ সেই অবস্থা, সীমান্তের ওপারে লাখ লাখ রামসেনা তৈরি হচ্ছে আমাদের শেষ করার জন্য, আমাদের কওম ও জমিনকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার তারা শপথ নিচ্ছে, আমাদের রক্ত দিয়ে হোলি খেলার জন্য তারা তরবারীতে শান দিচ্ছে।
অথচ আমরা একতার বদলে একে অন্যকে শত্রু বানাচ্ছি, এক ভাই আরেক ভাইকে নিয়ে বিষোদগার করছি, ন্যাটোজোট ও তাদের আশ্রয় দেওয়া ভাড়াটে সেনাদের নাকানি চুবানি খাওয়ানো ভাইদের থেকে বুদ্ধি পরামর্শ নেওয়ার পরিবর্তে তাদেরকে অমুক তমুকের দালাল আখ্যা দিচ্ছি আর কুফফারদের আজন্ম গোলামী করে যাওয়া বাহিনীগুলোকে মুক্তির কাণ্ডারী ভাবছি।
-
প্রিয় পাঠক, এভাবে নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুড়ি করে আখেরে আমাদের কি ফায়দা হচ্ছে। উম্মাহর মুক্তির জন্য জান কোরবান করা ভাইদেরকে মুশরিকদের দালাল আখ্যা দিয়ে কি লাভ হচ্ছে?
আমরা যদি এখনো শত্রু-মিত্র চিনতে ভুল করি তাহলে আখেরে ক্ষতি আমাদেরই। মুশরিকরা কিন্তু কে অমুক দল আর কে তমুক দল করে এসব দেখে আক্রমণ করবেনা। তারা দেখবে কালিমায় বিশ্বাসী কিনা। তাই যেই কালিমার কারণে তাদের শত্রুতা সেই কালিমার ভিত্তিতে একতাবদ্ধ হয়ে প্রস্তুতি নেওয়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ না?
প্রশ্নটা রেখে গেলাম, উত্তর আপনারাই খুঁজে নেবেন।
Top comments (0)