-
এই শিরোনাম দিয়ে দেশী বিদেশী অনেকগুলো মিডিয়া খবর করেছে, দেখে মনে হচ্ছে যেন এটি ইমারাতে ইসলামিয়ার নিজেদের বানানো মনগড়া কোন কানুন।
অথচ কুরআন সুন্নাহ এবং ফিকহের সাথে নূন্যতম সম্পর্ক রাখা সকলেই জানে যে, এটি কুরআন সুন্নাহ সমর্থিত ফিকহের স্বতঃসিদ্ধ একটি মাসআলা। হাদীসে এসেছে-
عَنْ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُمْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تُنْكَحُ الأَيِّمُ حَتّٰى تُسْتَأْمَرَ وَلاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتّٰى تُسْتَأْذَنَ قَالُوا يَا رَسُوْلَ اللهِ وَكَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ أَنْ تَسْكُتَ.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন বিধবা মহিলাকে তার সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেওয়া যাবেনা , কোন কুমারী মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবেনা। সাহাবীরা আরজ করলেন, ইয়া রাসুল্লাহ- তার থেকে অনুমতি নেওয়ার ধরণ কি হবে? তিনি বললেন, চুপ থাকাটাই হচ্ছে তার অনুমতি। -[বুখারী ৫১৩৬, তিরমিজী ১১০৭, মুসলিম ১৪১৯]
এই হাদীসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেন- কুমারী মেয়েরা অধিক লজ্জাশীল হওয়ায় তারা অনেক সময় মুখ ফুটে অনুমতির কথা বলতে পারেনা। এই কারণে তাদের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে জবাবে ইতিবাচক মনোভাবের সাথে চুপ থাকলে সেটিই অনুমতি প্রদান বলে ধরা হবে।
তবু কেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন শিরোনাম?
কাফেররা না জানলেও নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেওয়া সাংবাদিকদের এই মাসআলা সম্পর্কে জানাশোনা থাকার কথা। জানা না থাকলেও আলেম ওলামাদের থেকে জেনে নেওয়ার সুযোগ তো সবারই আছে।
তবু কেন বিদেশীদের অনুকরণে ইমারাতে ইসলামীয়ার বিরুদ্ধে প্রোপ্যাগান্ডা চালানোর এই নোংরা প্রতিযোগিতা?
কেন অপসাংবাদিকতা ও উদ্দেশ্যমূলক শিরোনামের মাধ্যমে ইমারাতে ইসলামিয়ার শরীয়াহসম্মত কাজকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা?
আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেন ইমারাতে ইসলামিয়াকে কাফেরদের যাবতীয় ষড়যন্ত্র ও প্রোপ্যাগান্ডা থেকে হেফাজত করেন এবং শরীয়াহ বাস্তবায়নে অটল অবিচল রাখেন।
Top comments (0)