DEV Community

Ummah Network
Ummah Network

Posted on

পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে মাদ্রাসা

পশ্চিমবঙ্গে ভাল নেই মুসলিমরা। সেখানে গত কয়েকদিনে অন্তত ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোন গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া শুধুমাত্র সরকারের অনুমতি নেই এমন অজুহাতে মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা বন্ধের কারণ সম্পর্কে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- 'সরকার প্রয়োজন মনে করেছে, তাই করেছে'।
অর্থাৎ কোন কারণ ছাড়া শুধুমাত্র দ্বীন শিক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, উদ্দেশ্য মুসলিমদের দ্বীনি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা, মুসলিম শি/শুদের দ্বীন ঈমানের আলো থেকে বঞ্চিত করে ধীরে ধীরে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত করে তোলা।

এ লক্ষ্যে তারা আরো কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে, মুসলিম শি/শুদের কচিমনে শিরকের বিষ ভরে দেওয়ার জন্য স্কুলগুলোতে শিরকী গান 'বন্দে মাতরম' গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

এই বিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন- মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। মাদ্রাসা থেকে অ্যান্টি-ন্যাশনাল অ্যাক্টিভিটি চালানোর অভিযোগ আছে, মাদ্রাসার শিক্ষকরা বো/মা বিস্ফোরণ থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন কাজে লিপ্ত ছিল। যেখানে সেখানে মাদ্রাসা খুলে এখানে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না।

অথচ স্বাধীন সংস্থার রিপোর্টমতে এই অভিযোগগুলোর কোনরূপ ভিত্তি নেই, বরং মুসলিম শিক্ষিত শ্রেণী এবং প্রভাবশালীদের দমন করার জন্য ভারত সরকার কথিত ইউএপিএ আইনের অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ। এই আইনের মাধ্যমে তারা বহু মুসলিমের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, বহু ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। মুসলিমদের অধিকারে সোচ্চার এমন কয়েকটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে।

মোটকথা তারা ইসলাম ও মুসলিমদের কোন নিদর্শন সহ্য করতে পারছেনা। তাই যেনতেন প্রকারে মাদ্রাসা মসজিদ বন্ধ করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।

ইতিপূর্বে নামাযের উপর বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে, মাইকে আজানের উপরও দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যদিও চাপের মুখে পরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।

আমাদের পাশেই একটা অঞ্চলে মুসলিমদের ইসলামশূণ্য করার ষ'ড়'যন্ত্র হচ্ছে, ইবাদতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, ইসলামী শিক্ষার উপরও অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
অথচ আমরা নির্বাক, নীরব, যেন কিছুই হয়নি। আমাদের কিছুই করার নেই।
আমরা যদি এভাবে নীরব থাকি তাহলে হয়তো কয়দিন পর তারা আমাদের দিকেও হাত প্রসারিত করবে। অবশ্য তাদের অরাজকতাকারী সংগঠনগুলো বহুদিন ধরেই এই অঞ্চলে সক্রিয়। তারা শুধু সময়ের অপেক্ষা করছে। এসবকিছু আমাদের চোখের সামনেই হচ্ছে।
আর আমরা… কিছুই করছিনা, মজলুমদের মুক্ত করার চেষ্টা তো দূরের কথা তাদের জন্য আওয়াজও ওঠাচ্ছিনা। এ নীরবতা ভাঙতে হবে, আমাদের ভাইদের এ মাজলুমি দূর করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

Top comments (0)