DEV Community

Cover image for AI জুনিয়র ডেভেলপারদের চাকরি কমাচ্ছে বাংলাদেশের ফ্রেশারদের কী করতে হবে?
Md Jamilur Rahman
Md Jamilur Rahman

Posted on

AI জুনিয়র ডেভেলপারদের চাকরি কমাচ্ছে বাংলাদেশের ফ্রেশারদের কী করতে হবে?

আমার এক ছোট ভাই CSE থেকে সদ্য পাস করেছে। ভালো CGPA, কোড লিখতে পারে, খুব উৎসাহী। সে আমাকে বললো "ভাইয়া, LinkedIn এ গত তিন মাসে শুধু জুনিয়র developer এর চাকরি খুঁজছি। কিন্তু যেখানে আগে ১০০টা posting থাকতো, এখন ৩০টা। বাকিগুলো কোথায় গেল?"

আমি একটাও উত্তর দিতে পারিনি। কারণ আমিও একই প্রশ্নে হারিয়ে ছিলাম। 😐


AI কি সত্যিই চাকরি খাচ্ছে?

ChatGPT, GitHub Copilot এরা কি সেই কাজগুলো করে দিচ্ছে, যেগুলো আগে একজন fresher শিখতো?

আমি গত কিছুদিন ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি। Stanford এর report পড়েছি। BIDA, BASIS, BDPolicyLab সবার report নাড়াচাড়া করেছি। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের, আন্তর্জাতিক expert দের কথা পড়েছি।

যা পেয়েছি শেয়ার করছি। আমার ছোট ভাইয়ের যা জানা দরকার, ঠিক তেমনি আপনারও।


গল্পটা এখান থেকে শুরু

একটু ভেবে দেখুন ২০২০ সালে আপনার প্রথম চাকরিতে কী করতেন?

Boilerplate কোড লিখতেন। Basic CRUD endpoints বানাতেন। Documentation লিখতেন। Stack Overflow থেকে error ফিক্স করতেন। দিন শেষে একটু শিখে ফেলতেন। পরের দিন আরেকটু। এভাবেই বড় হয়েছেন।

এখন কথা হলো এই কাজগুলো AI করে দিচ্ছে। কয়েক সেকেন্ডে। আর সত্যি বলতে, ভালো করে দিচ্ছে।

Inument এর Co-Founder মঞ্জুরুল আলম মামুন সম্প্রতি Facebook এ লিখেছেন একটা complex software product বানাতে আগে ১০ জন লাগতো। ১ জন PM, ১ জন Designer, ২ জন Frontend, ২ জন Backend, ১ জন QA, ১ জন DevOps, ২ জন Junior।

এখন? মাত্র ৩ জন AI সহ।

কারণ একজন skilled senior এখন code review করতে পারে, test লিখতে পারে, documentation বানাতে পারে, architecture review করতে পারে, deployment automate করতে পারে এমনকি design আর project management পর্যন্ত সামলাতে পারে।

মামুন ভাই একটা প্রশ্ন রেখেছেন "৭ বছর পর কী হবে?"


AI ঠিক কী বদলে দিচ্ছে?

কিন্তু কিছু কাজ আছে AI এখনো পারে না। পুরানো জটিল codebase বুঝে না। Production এ সমস্যা হলে debug করতে পারে না। Code review পারে না। "এই API null return করলে কী হবে?" এরকম প্রশ্ন করতে পারে না। (devshire.ai)

তাহলে যে কাজগুলো দিয়ে developer বড় হতো সেগুলো AI নিয়ে নিলো। আর যে কাজগুলো দরকারে লাগে সেগুলো AI পারে না।

এটাই আসল সমস্যা।

মামুন ভাই খুব পরিষ্কার বলেছেন যারা শুধু "execution" এ focus করে (কোড লেখা, bug fix, simple implementation), তারা ঝুঁকিতে। কারণ AI "execution" এ দ্রুত ভালো হচ্ছে।

এখন value হচ্ছে System Design, Product Judgment, Business Understanding, Architecture Decisions, Leadership, Problem Framing।

তার ভাষায় "কোড লেখা সহজ। কিন্তু সঠিক জিনিসটা build করা, সঠিক trade-off করা, problem frame করা এগুলোর value অনেক বেশি।"


Jensen Huang এর গল্প Radiologist এর উদাহরণ

Nvidia এর CEO Jensen Huang সম্প্রতি একটা খুব শক্তিশালী উদাহরণ দিয়েছেন। শুনুন —

১০-১২ বছর আগে Jeff Hinton বলেছিলেন প্রতিটা radiologist এর চাকরি যাবে। কারণ computer vision এখন superhuman। স্ক্যান পড়ার কাজটা AI করতে পারবে। তিনি সবাইকে বলেছিলেন "radiologist হবেন না। চাকরি শেষ।"

১০ বছর পর? তিনি একদম সঠিক ছিলেন। Computer vision এখন প্রতিটা radiology department এ আছে। ১০০% penetration।

কিন্তু সারপ্রাইজ, radiologist এর সংখ্যা বেড়েছে

কেন?

Jensen বলছেন AI শুধু কাজের অংশ (task) বদলেছে, কাজের উদ্দেশ্য (purpose) না। Radiologist এর কাজ হলো স্ক্যান পড়া সেটা AI করছে। কিন্তু radiologist এর উদ্দেশ্য হলো রোগ নির্ণয় করা, রোগীর সাথে কথা বলা, ডাক্তারদের সাথে সমন্বয় করা, medical compliance মেনে চলা।

আর যেহেতু AI স্ক্যান পড়া এত দ্রুত করে দিয়েছে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি রোগী স্ক্যান করা যাচ্ছে। বেশি রোগী = বেশি আয় = বেশি radiologist দরকার।

Jensen এর কথায় "If you watch me do my job, if you have an AI watch me do my job... At the end of the week you say, what is Jensen's job? He's typing. He types. He talks to people. And so then you come to the conclusion that AI can type automatically, then Jensen's job is removed. And so that misses the purpose."

এই গল্পটা developer দের জন্যও একই। AI কোড লিখতে পারছে সেটা task। কিন্তু আপনার উদ্দেশ্য কী? System design করা, problem frame করা, business understand করা, team lead করা এগুলো AI replace করতে পারছে না।


সংখ্যাগুলো কী বলছে?

Stanford বলছে AI এর কারণে তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের সুযোগ ১৩% কমছে। আর সিনিয়রদের? সেটা বাড়ছে বা অন্তত stable আছে। (Stanford Digital Economy Lab)

২০২২ থেকে ২০২৬ চার বছরে জুনিয়র চাকরির posting ৬৭% কমেছে। IT তে নতুন নিয়োগের মাত্র ৭% জুনিয়র পদ। আগে ছিল ১৫%। (AlterSquare)

৬৭% একটু দাঁড়িয়ে ভাবুন। এটা কোনো ছোট সংখ্যা না।

কিন্তু একটা মোড় আছে।

২০২৬ এর জানুয়ারিতে ৮৪৭ জন hiring manager কে জিজ্ঞেস করা হলো। তাদের ৮৫% বললেন "হ্যাঁ, জুনিয়র নিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছি।" (Markaicode)

তাহলে কি সব ঠিক আছে?

না। সমস্যা হলো চাকরিটা নিজে বদলে গেছে। কোম্পানিগুলো জুনিয়র নিচ্ছে, ঠিকই। কিন্তু এমন জুনিয়র চায় যে প্রথম দিন থেকেই AI tools দিয়ে কাজ করতে পারে।

"কাজ করতে করতে শিখবে" এই model টা আর চলছে না। "ইতিমধ্যে শিখে এসো" এটাই এখন নিয়ম।


বাংলাদেশের ছবিটা কেমন?

বৈশ্বিক কথা শুনলেন। কিন্তু আপনার তো চিন্তা আপনার দেশ নিয়ে। আমারও ছিল।

তাই বাংলাদেশের data খুঁজলাম। যা পেলাম আরো ইন্টারেস্টিং।

আমাদের দেশে স্নাতকদের বেকারত্ব ১৩.৫%। নারী স্নাতকদের ক্ষেত্রে সেটা ২০% এর কাছাকাছি। (nextjobz.com.bd)

প্রশ্ন এটা কি AI এর কারণে?

উত্তর না।

তরুণ স্নাতকদের বেকারত্ব ২০১৩ সালেই ছিল ৯.৭%। ২০২২ সালে সেটা গিয়ে দাঁড়ায় ২৭.৮%। AI tools তো তখন এত জনপ্রিয় ছিলই না। (Journal of Management and Business Education)

তার মানে, সমস্যাটা আগে থেকেই ছিল। AI শুধু সেটাকে জোরে চালিয়ে দিচ্ছে।

IT sector এর দিকে তাকাই। বাংলাদেশে ৫ লাখ+ IT professional আছে। ৪,৫০০+ কোম্পানি। ৬.৫ লাখ+ freelancer। IT services market $২.১ billion বছরে ১১.৮% করে বাড়ছে। (BIDA)

কিন্তু BASIS বলছে IT sector এ ৪০% skills gap আছে। কোম্পানিগুলো কাজের মানুষ পাচ্ছে না। ডিগ্রি আছে সবার। প্র্যাকটিক্যাল skill নেই কারো। (nextjobz.com.bd citing BASIS)

আমার ছোট ভাই যখন LinkedIn এ চাকরি খুঁজছিল সমস্যাটা হয়তো posting কমার কারণে না। সমস্যাটা হতে পারে কোম্পানিগুলো ঠিকই hiring করছে, কিন্তু এমন মানুষ খুঁজছে যাদের কাছে সে রকম skill নেই।

চাকরি আছে। যোগ্য মানুষ নেই। এটাই আসল কথা।


Freelancing দরজাটা কি বন্ধ হচ্ছে?

বাংলাদেশের অনেকের জন্য freelancing ছিল প্রথম দরজা। যাদের চাকরি মেলেনি তারা Upwork বা Fiverr এ কাজ শুরু করেছে। সেখান থেকে বড় হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতি বছর freelancing থেকে $৫০০ মিলিয়ন+ আয় করে। এটা হাসি-খুশি সংখ্যা না।

কিন্তু AI ক্লায়েন্টদের চাহিদা বদলে দিচ্ছে।

Freelance writing এর posting ৩৩% কমেছে। Translation এর কাজ ১৯% কমেছে। Customer support এর পদ ১৬% কমেছে। ঠিক সেই কাজগুলো, যেগুলো দিয়ে বাংলাদেশি freelancer রা শুরু করতো। (WINTK)

কিন্তু একই সময়ে Upwork এ generative AI এর job posting ১০০০%+ বেড়েছে। (The Business Standard)

দরজাটা বন্ধ হচ্ছে না। দরজাটা বদলাচ্ছে। যারা basic skill নিয়ে আছেন তাদের জন্য সরু হচ্ছে। যারা AI skill শিখছেন তাদের জন্য আরো প্রশস্ত হচ্ছে।


টাকার কথা একটু বলি

সত্যি বলতে, সাধারণ developer আর AI developer এর বেতনের গ্যাপ প্রতি দিন বাড়ছে।

লোকাল কোম্পানিতে সাধারণ জুনিয়র developer এর বেতন ৳২৫,০০০ – ৳৪৫,০০০/মাস। সিনিয়র হলে ৳৮০,০০০ – ৳১,৬০,০০০+। (Kaz Software)

কিন্তু AI/ML developer? জুনিয়র থেকেই শুরু ৳৩৫,০০০ – ৳৮০,০০০/মাস। সিনিয়র হলে ৳১,৫০,০০০ – ৳৩,০০,০০০+। আর remote international চাকরি? ৳৪,০০,০০০ – ৳১০,০০,০০০+/মাস। (Nucamp)

৩০-৫০% বেশি। skill আর market এর পার্থক্য।

একটু ভেবে দেখুন আগামী ৫ বছর কোন দিকে যাচ্ছেন সেটার ওপর নির্ভর করছে আপনার আয়।


একটা বড় ঝুঁকি কিন্তু কেউ কথা বলছে না

এখন কোম্পানিগুলো যদি জুনিয়রদের কম নেয় তাহলে ৫ বছর পর সিনিয়র কারা হবে?

AWS এর CEO Matt Garman বলেছেন AI দিয়ে জুনিয়রদের replace করা "সবচেয়ে বোকা কাজগুলোর একটা।" কিন্তু hiring data দেখাচ্ছে কোম্পানিগুলো ঠিক সেটাই করছে।

মঞ্জুরুল আলম মামুন তার post এ একটা কথা বলেছেন যা খুব ভেবে দেখার মতো —

"Today's Junior Engineers = Tomorrow's Missing Seniors."
"AI can generate code. It cannot generate experience."

একদম। কোড AI লিখতে পারে। কিন্তু experience কি AI দিতে পারবে? পারবে না। Experience লাগে বছরের পর বছর কাজ করে, ভুল করে, শিখে।

কিন্তু যদি জুনিয়ররা কাজ করার সুযোগই না পায় তাহলে experience কোথা থেকে আসবে?

২০৩০-৩২ সালের দিকে experienced engineer এর অভাব দেখা দেবে। সিনিয়র বেতন আরো বাড়বে। Team structure দুর্বল হবে। (AlterSquare)

মানে, আজকে যে সিনিয়রদের চাহিদা বাড়ছে, ৫ বছর পর সেই সিনিয়রদের অভাব হবে। কারণ জুনিয়ররা বড় হওয়ার সুযোগই পাচ্ছে না।


ঠিক আছে তাহলে কী করবেন?

আমি data দেখে যা বুঝেছি সোজা ভাষায় বলছি।

১. AI এর কোড যাচাই করা শিখুন

৬৩% developer বলছে AI generated code debug করতে নিজে লেখার চেয়ে বেশি সময় লাগে। মানে AI ভুল করছে। আর সেই ভুল ধরার কাজটাই এখন সবচেয়ে দামি skill। (byteiota)

কীভাবে শিখবেন? আজই শুরু করুন ChatGPT কে একটা জটিল প্রবলেম দিন। যে কোড সে লিখছে সেটা নিজে যাচাই করুন। ভুল খুঁজুন। প্রতিদিন একটু করে।

২. Tutorial বন্ধ করুন real project বানান

Handshake এর survey দেখাচ্ছে ৩ মাসের মধ্যে চাকরি পাওয়া স্নাতকদের ৭৮% এর কাছে শক্তিশালী GitHub portfolio, internship, বা certification ছিল। শুধু ডিগ্রি নিয়ে? মাত্র ৩১% সফল হয়েছে। (FinalRoundAI)

মানে, ডিগ্রি আর যথেষ্ট না। আপনার কাজ দেখতে চায় কোম্পানি।

৩. Execution থেকে বেরিয়ে আসুন System Design শিখুন

মামুন ভাই যা বলেছেন সেটা মনে রাখা দরকার। শুধু কোড লেখা, bug fix, simple implementation এগুলো AI করছে। এগুলো "execution" skill। এগুলোর value কমছে।

এখন value হচ্ছে System Design, Product Judgment, Business Understanding, Architecture Decisions, Problem Framing।

মানে, "কীভাবে কোড লিখবো" না, "কী build করবো আর কেন build করবো" সেটাই এখন প্রশ্ন।

৪. AI-fluent হোন

AI skill এখন ৪২% software job description এ আছে। ২০২২ সালে ছিল মাত্র ৮%। যারা AI পারে তারা ২.৩ গুণ দ্রুত চাকরি পান। (FinalRoundAI)

২.৩ গুণ। একটু ভাবুন।

৫. এমন sector বেছে নিন যেখানে AI replace করতে পারে না

বাংলাদেশে তিনটা sector এখন খুব ভালো:

  • Fintech bKash, Nagad, SSLCommerz। Compliance এর জন্য human oversight লাগবেই। AI একা চালাতে পারবে না।
  • Telecom Grameenphone, Robi। বিশাল data infrastructure।
  • RMG tech Supply chain আর quality inspection।

এই sector গুলোতে AI সাহায্য করবে। কিন্তু replace করবে না।

৬. Remote চাকরির কথা ভাবুন

লোকাল জুনিয়র বেতন ৳২৫,০০০–৪৫,০০০/মাস। Remote international চাকরি শুরু $২০K–$৫০K/year। সেটা বছরে প্রায় ২৩–৫৮ লাখ টাকা।

একই কাজ। ভিন্ন বেতন। পার্থক্যটা শুধু skill আর কোন মার্কেটে আপনি নিজেকে present করছেন।

৭. একটা domain এ গভীরে যান

সাধারণ "MERN stack developer" এখন replaceable। কিন্তু fintech developer? Telecom engineer? AI specialist? তারা না।

একটা domain বেছে নিন। ১৮–২৪ মাস সেটাতে গভীরে যান। Surface level আর কেউ মানে না।


শেষ করি একটা সুখবর দিয়ে

এত কথা শুনে হয়তো ভাবছেন সব শেষ। তাই না?

ভুল ভাবছেন।

বাংলাদেশের AI market প্রতি বছর ২৫–৩০% বাড়ছে। ২০৩০ সালে $৮০M থেকে $২৩০M+ হওয়ার projection আছে। (Nucamp citing Statista)

আরেকটা জিনিস মাত্র ২৮% organization সত্যি সত্যি AI দিয়ে তাদের workflow বদলাতে পারে। ৮৮% হয়তো AI adopt করেছে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারছে না।

"AI use করা" আর "AI দিয়ে কাজ করা" এই দুটোর মধ্যে যে gap আছে সেটাই আসল টাকার জায়গা। আর সেই gap পূরণ করতে পারে এমন মানুষ তার অভাব আছে।

BDPolicyLab বলছে বাংলাদেশের ৪৪ লাখ worker এমন occupation এ আছে যেখানে AI impact পড়বে। (BDPolicyLab)

৪৪ লাখ। এর মানে, ৪৪ লাখ মানুষের কাজ বদলবে। যারা আগে থেকে প্রস্তুত তারা এগিয়ে যাবে। যারা না তারা পিছিয়ে পড়বে।


আমার ছোট ভাইকে আমি শেষে যা বলেছি সেটাই আপনাকেও বলছি।

পুরোনো পথ "basic শেখো, জুনিয়র চাকরি নাও, কাজ করতে করতে বড় হও" সেটা বন্ধ হয়ে আসছে। AI tools সেই কাজগুলো নিজে করে ফেলছে।

নতুন পথ আলাদা। AI tools ভালো করে শিখুন। Real project বানান। AI এর কোড validate করুন। Execution থেকে উঠে এসে System Design শিখুন। একটা domain এ specialized হোন। Remote চাকরি লক্ষ্য করুন।

কথা হলো AI কোড লিখতে পারে। কিন্তু experience দিতে পারে না। experience আসবে কাজ থেকে। কাজ পাওয়ার জন্য দরকার এমন skill যা AI শিখতে পারে না।

Data স্পষ্ট বলছে কোম্পানিগুলো ২০২৬ সালেও জুনিয়র নিয়োগ করছে। কিন্তু শুধু তাদেরই যারা প্রথম দিন থেকেই AI tools দিয়ে কাজ করতে পারে।

প্রশ্ন হলো আপনি কোন দিকে যাচ্ছেন? 🙏


সূত্র:

Top comments (0)